আত্ম অলৌকিক শক্তি জাগ্রত করার উপায়ঃ

সর্ম্পূন এই ব্রহ্মান্ডে এক অদ্ভুত, অলৌকিক শক্তি আছে যা সৃষ্টির সমুহ পদার্থের উপর সমানভাবে প্রভাবশালী। এই অলৌকিক শক্তি প্রত্যেক মানুষের মাঝেই সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। এই শক্তি আমাদের প্রতিটি সময় প্রভাবিত করে বিশেষ করে আমরা যখন’ই অন্যমনষ্ক থাকি, বা আনমনা ভাবে কিছু ভাবি। মহাকাশে বিচরণকারী গ্রহ নক্ষত্রের  মধ্যেও এই শক্তি বিদ্যমান। ফলে এই সব গ্রহ নক্ষত্রের গতি প্রকৃতির উপর মানুষের ভাগ্য ও শারীরিক এবং মানুষিক কার্যকলাপ নির্ভর করে।
এই ভাবে বিভিন্ন রং, ধাতু, এবং রত্নেরও মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রয়েছে। প্রত্যেক জড়, অজড়, সজীব, নির্জীব পদার্থেও এই শক্তি আছে। মানুষ যে কোন প্রানীকে সম্মোহিত করে তার দ্বারা মনমত কাজ আদায় করে নিতে পারে। এছাড়া যেমন চুম্বক লোহাকে আর্কষণ করে তেমনি মানুষও তার সম্মোহন শক্তিদ্বারা যে কোন চেতন পদার্থকে আর্কষন করতে পারে। শুধু চেতন পদার্থই নয়, জড়বস্তুকেও সে তার শক্তি বলে প্রভাবিত করতে পারে।
এই অদ্ভুত, অদেখা, অলৌকিক শক্তির জন্যই এই পৃথিবীর সকল প্রানী ও জড় এবং চেতন পদার্থ পৃথক পৃথক হওয়া সত্ত্বেও সৃষ্টিরই এক অভিন্নরূপ। বৈজ্ঞানিকেরা একে ব্রহ্মান্ডীয় উর্জা বলেছেন।
প্রাচীনকালে মুনি ঋষিরা কঠোর তপস্যাবলে এই অলৌকিক শক্তির কিছু অংশ লাভ করতে পেরেছেন। যার দ্বারা তাঁরা অসাধ্য সাধন করতে পারতেন। এমনকি স্পর্শ করা মাত্র-মানুষের জীবন ও বিচার ধারায় পরিবর্তন করে রোগমুক্ত করে দেওয়াও তাদের পক্ষে সম্ভব ছিলো। খ্রীষ্ট্রানদের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেল অনুসারে প্রভু যীশু কেবল হাতের স্পর্শেই লোকের দুঃক্ষ-কষ্ট, রোগ, শোক, নিবারণ করতে পারতেন। অসাধ্য রোগও তার হাতের স্পর্শে দুর হতো। আসলে এটা সেই আশ্চার্য জনক শক্তি যা সারা পৃথিবীতে ব্যাপ্ত আছে এবং যার কিছু অংশ যীশু লাভ করেছিলেন।
সংসারের সমস্ত প্রানী বা জীব জগতের সঙ্গে ব্রহ্মান্ডের সমস্ত গ্রহ নক্ষত্রের একটি বিদ্যুৎ চুম্বকীয় শক্তির অবশ্যই ঘনিষ্ট সম্বন্ধ আছে, যার দ্বারা প্রানী জগত পরিচালিত হয়। সমগ্র প্রানী জগতকে বলা যায় এর গ্রাহক। যার ফলে আমাদের অবচেতন মনে ব্রহ্মান্ডীয় চেতনার মিলন হয় এবং তার ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু প্রানী অলৌকিক শক্তি সম্পন্ন হয়।
মোটামুটি ভাবে এই সর্বব্যাপক অতীন্দ্রিয় শক্তি মানুষের মনকে প্রভাবিত করে। ফলে যে সব মনুষের মন শক্তিশালী সেই সব মানুষই অতীন্দ্রিয় শক্তির সংগ্রাহক হয়।
যেসব মানুষ নির্বকার, বাসনা ও কামনা রহিত এবং দৃঢ়সংকল্পি সেই সব মানুষ নিজমনের শক্তির পূর্ণ বিকাশ সাধন করে অলৌকিক শক্তি পেতে পারে। প্রতিটি মানুষের মনেই এক অদ্ভুত চেতনা আছে যা তার অবচেতন মনে লুকিয়ে থাকে এই অবচেতন মনই সমস্ত অদ্ভুত শক্তির কেন্দ্র। মানুষ সাংসারিক মোহজালে আবদ্ধ থাকার দরূন তার সুপ্ত মনের বিকাশ ঘটাতে পারে না, তাই সে সাধারণ ভাবে জীবন কাটায়। কিন্তু যে মানুষ নিজের অবচেতন মনের শক্তিকে চিনে তাকে জাগাতে পারে এবং তার উপযোগ করতে পারে সেই ধীরে ধীরে  সাধারণ মানুষ থেকে মহামানবে পরিনত হয়।
যদি মানুষ তার মনকে শক্তিশালী ও বিকাশিত করতে পারে তবে দুনিয়ার  যে কোন কাজই তার পক্ষে করা সম্ভব হয়। হিপনোটিজম, ম্যাসমেরিজম, বশীকরণ, মোহিনীবিদ্যা, টেলিপ্যাথি ইত্যাদি তো মনের সেই অগাধ শক্তিরই উদাহরণ মাত্র। এই শক্তি দ্বারা মানুষ পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ় সঙ্কল্প, অটুট আত্ম বিশ্বাষ ও মনের একাগ্রতা, সঠিক গুরুর দিক নির্দেশনা, তবেই মানুষ হতে পারবে মহামানব, পাবে সেই অলৌকিক শক্তির সন্ধান যার দ্বারা সে পৃথিবীর যে কোন কাজ অবলীলাক্রমে করতে পারবে

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি প্রশ্ন আমাদের সকলের মনেই ঘোরপাক খায়, বিশেষ করে যখন আমরা সৃষ্টি রহস্য নিয়ে চিন্তা মগ্ন থাকি। সেটি হচ্ছে সকল প্রানীর নাম আমরা মানুষরাই দিয়েছি যা আমাদের নাম বা এই মানব জাতি নামটি কোথা থেকে আসলো বা কে দিলো? আমরাই বা কোথা থেকে এলাম ইত্যাদি কিন্তু বোকা সাজার ভয়ে এবিষয়ে আমরা সকলের সামনে মুখ খুলিনা। আজ  এই জটিলতরো বিষয়ের খোলসা করা হবে। তাই আমাদের আজকের বিষয়ঃ-

মানব জাতির আসল পরিচয় কি?

বুদ্ধি বা বিবেক সকল সময়  একই দিকে ধাবিত হয়, বিধায় আমরা যদি আমাদের বিষয়গুলো চিন্তা করি তবে হয়তো মহাবিশ্ব সম্পর্কে সাম্মক ধারনা পেয়ে যাবো। যেমন ধরুন আমরা মানব জাতি আজ থেকে পাঁচ কিংবা পনের বছর পর, সৌরমন্ডলের অন্য কোন গ্রহে যদি প্রানের অস্তীত বা টিকে থাকার সম্ভবতা জাচাইয়ের জন্য কিছু পাঠাই তবে তা অবশ্যই মানুষ পাঠবো না, হয়তো কোনো পোষা প্রাণী বা অতি বুদ্ধিমান রোবট পাঠাবো যা ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি। ঠিক তেমনি সংশয়বাদীদের কথা বাদ দিলে একথা আজ প্রামানীত যে, মানুষ এ গ্রহের প্রাণী নয় মানব জাতি পৃথিবী নামক গ্রহের অতিথী বই অন্য কিছু নয়! অতি বুদ্ধিমান কোন প্রাণী যারা একটি সময় আমাদের সৌরমন্ডলের খুব নিকটে চলে এসেছিল। তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনার জন্য এই গ্রহে অবতরন করে এবং নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয়, অনেক প্রাণীর আগমন ঘটে তাদেরী হাত ধরে । কালের আবর্তনে তারা লক্ষ্য করে খুব শিঘ্রই এই সৌরমন্ডল থেকে তাদের মাতৃগ্রহের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাবে এমতাবস্থায় তারা সিদ্ধান্ত নেয় এই গ্রহে এমন কিছু প্রাণীর বিকাশ ঘটানো যারা স্বিয় বুদ্ধিমত্তায় টিকে থাকতে পারবে সেই সাথে তাদেরও  একসময় খুজে পেতে পারে। যার ফলাফল স্বরুপ এই গ্রহের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে জোড়ায় জোড়ায় আমাদের ছেড়ে যায়। তারা পৃথিবীতে থাকা কালীন, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করেছিল, তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনা ছিল মূলত প্রয়োজনীয় জ্বালানী ও খনীজ পদার্থের, তবে এই গ্রহে তারা স্থায়ীভাবে  টিকে থাকতে পারত না কারন পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ  তাদের প্রজনন ক্রিয়ার জন্য অনুকূল ছিলো না। এই গ্রহ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়ার সময়টি একসঙ্গে ঘটেনি পর্যায়ক্রমে তারা চলে যেতে থাকে একসময় সকলেই চলে যায়। কিন্তু  পৃথিবীর সকল স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের প্রভূগন তাদের অনুসন্ধান চালাতে গহিন অরণ্য,  গিরিখাত, বিভিন্ন পাহাড় পর্বত্যের গূহায়  গিয়ে সময়মতো ফিরে আসতে পারেনি। বিধায় তারা চিরতরে বিছিন্ন ভাবে আটকা পড়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রজনন ক্রিয়া ব্যহত হওয়ায় কয়েক’শ বছরের মধ্যেই তারা সকলেই মারা যায়। আপনারা যারা আন্তর্জালে বা ডিসকভারী চ্যনেলে অনুসন্ধানী ভিডিও গুলো দেখেছেন তারা নিশ্চয় জানেন বিভিন্ন ভিন গ্রহবাসির হাজারো বছর পুরনো ফসিল প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে। এসকল মূলত তাদেরি জিবস্ম। মানুষ, মানব, ম্যান ইত্যাদি বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নাম গুলো সর্ম্পূনই আমাদের নিজস্ব সৃষ্টি, প্রকৃত পক্ষে এই প্রানীর আদি নাম ”কূফহূ” যা তাদের মাতৃগ্রহ হাওয়ায়েন এর মূল বাসিন্দাদের গৃহ পালিত দাস মাত্র। এসর্ম্পকিত বিস্তারিত আরোও তথ্য পরবর্তি আলোচনায় তুলে ধরা হবে।

সমান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কেঃ-

আমাদের আজকের বিষয়,
আপনার হয়তো মনে হতে পারে আপনি জন্ম নিয়েছেন এই পৃথিবীর বুকে বিচরন করিতেছেন একসময় এখানেই মারা যাবেন সকল কিছু এখানেই ইতি। তা কিন্তু নয়! আপনি জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার একটি দুটি নয় সর্বমোট ১১টি সত্তার আর্বিভাব ঘটে, আপনি হয়তো ভাবতে পারেন জন্ম হতে মৃত্যু অব্দি এই গ্রহেই বিচরন করছেন, বাস্তবিক পক্ষ্যে আপনি হয়তো এই গ্রহে জন্মই নেননি। কারন আমরা প্রতিনিয়ত এগারোটি সমান্তরাল গ্রহে যা এগারটি সৌরমন্ডলে অবস্থিত পরিভ্রমন করে চলেছি। বাবা বলেন অনেক সময় দূর্ঘটনা জনিত কারনে আমাদের মৃত্যুবরন হলেও যখন আমাদের নশ্বর দেহ এই গ্রহে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তখনো আমরা আমাদের পূন্যজীবনীকাল পর্যন্ত গ্রহে পরিভ্রমন করি। আমাদের ইতি পূর্বের আলোচনায় এসম্পর্কিত সামান্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। গ্রহ ভিত্তিক আমাদের নশ্বর দেহ স্থীর। স্মৃতি, মেধা, মন উপলদ্ধি এ বিষয়গুলো দেহের সাথে জড়িত, কিন্তু আমাদের অবিনশ্বর আত্না এসকল থেকে মুক্ত, অকাল্পনিক গতিশক্তির অধিকারী ও শৃঙ্খলিত স্বাদ্ধীনতায় আবর্তীত। বিজ্ঞান বলে স্থীর দেহে  অর্থাৎ ঘুমন্ত অবস্থায় একজন মানুষের মস্তিস্ক অধিক সচল থাকে, এর কারন যখন আমাদের আত্না শরীর থেকে মুক্ত হয়ে অন্য কোন আমিতে প্রবেশ করে, আর সেই আমি এই আমির চাইতে অধিক বুদ্ধি সম্পন্ন্য হয় তবে আমার মস্তিষ্কের ক্রিয়া সচল থাকায় স্বাভাবিক। এখানে আমার প্রতিটি কাজের জন্য কায়িক পরিশ্রম বাধ্যতামূলক হলেও অন্য কোথাও আমার মস্তিষ্কের অধিকাংশ শক্তি ব্যবহৃত হয়। এখানে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে কালের আবর্তনে পরিক্রমনরত সমান্তরাল অন্তত্য দুটি জগৎ যদি কখনো মুখো মুখি হয় তবে আমাদের অস্তিত্য কিরুপে বিদ্যমান থাকবে? কারন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এখন যেমন দুপাশের জগৎটাই অভিন্ন তেমনি সে সময় আমরা সমস্ত কিছু অভিন্ন অবস্থানে থেকেও ক্রিয়া ও কল্পনার বাস্তবায়ন দেখবো। অর্থাৎ ধরুন আপনি একটি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হয়তো ভাবছেন আমার যদি দুটি ডানা থাকতো তবে আমাকে কষ্ট করে হাটতে হতো না, পাখির মতো সারাক্ষন উড়ে বেড়াতাম এবং এই বিষয়টি আয়নায় প্রতিফলিত হবে। আপনার বাস্তব জিবন ও কল্পনার জগৎ দুটি হবে সামনা সামনি। যদিও এমনটি হওয়ার সম্ভনা কোটি বছরেও নেই। তবুও এমনটাই হচ্ছে তবে আমরা উপলব্ধি শক্তির সল্পতার কারনে তা বুঝতে অক্ষম। আমরা অচিরেই এবিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত সম্ভবতা আপনাদের সামনে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

জ্বিন বা ভুত কি?

বিষয়টি মোটেও নতুন নয়। মানব জনমের পর হতে যখন থেকে উপলব্ধি করা শিখেছে হয়তো সে সময় হতেই অশরীরির সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। বর্তমান সময়ে অনেকেই বিষয়টি কাল্পনিক বা অবিশ্বাষ করে। একটি প্রবাদ আমরা শুনেছি,
“কিছু মানুষকে সকল সময়ের জন্য, সকল মানুষকে কিছু সময়ের জন্য বোকা বানানো যায়, সকল মানুষকে সকল সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না”
অর্থ্যাৎ মিথ্যা কখনই স্থায়ী হয় না।  সুতারাং যে বিষয়টি সৃষ্টির সূচনা লগ্ন হতে আমাদের মাঝে প্রতিষ্ঠিত তা কখনই মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক হতে পারে না। বিভিন্ন ধর্মে যাকে জ্বীন, ভূত, প্রেত ইত্যাদি নামে অবহিত করা হয়েছে। তাহলে আসলে সেটি কি? আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের জীবনী শুনলে প্রায় সকলেই জ্বিন সম্পর্কিত কোন না কোন ঘটনা জানতে পারবোই।  আজ তাহলে জানবো, আসলেই জ্বিন, ভূত বা প্রেত কি?
আধুনিক বিজ্ঞানে এটি প্রমানীত যে, পৃথিবীতে বিভিন্ন সময় এলিয়ানদের আগমন ঘটেছিল।বর্তমান সময়েও আমাদের মাঝে এলিয়ানদের বিচরন রয়েছে। এসম্পর্কিত হাজারও তথ্য আর্ন্তজালে আপনি পাবেন। পৃথিবীর মানুষ পঞ্চভূতে সৃষ্টি, বিধায় আমাদের সাধারন চোখ শুধুমাত্র পঞ্চভূতের সকল সৃষ্টিই দেখতে পায়।
যে সকল প্রানী বা প্রান পঞ্চভূতে সৃষ্ট নয় তা আমাদের চোখ দেখেনা। নভমন্ডলের হাজারো গ্রহে যে সকল প্রান পঞ্চভূতে সৃষ্ট নয় তাদের আমরা দেখতে পাইনা। এমন কি কিছু গ্রহ উপগ্রহ আছে যা আমাদের দৃষ্টি শক্তির বাইরে, আমাদের মাঝে বিচরনরত সেই সকল এলিয়ানদেরও আমরা দেখতে পাইনা। কিছু কিছু এলিয়ানের প্রযুক্তিগত উৎকর্সের কারনে তারা কখনো কখনো সাময়িকভাবে আমাদের মাঝে দেখা দেয়। যেমন আমরা শুনি কিছু কিছু মানুষ অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করে। আজ হতে কিছুদিন পর হয়তো আমাদের প্রযুক্তিও মানুষ বা যেকোন জিনিসকে অদৃশ্য করতে পারবে, এটিও প্রমান হবে আমাদের মাঝে বিচরনরত জ্বীন, ভূত বা প্রেত  আসলে আর কেউ নয় অতি বুদ্ধিমান প্রানী এই এলিয়ান। সে সময় আমাদের ধর্মীয় পন্ডিতরা এটাই বলবে যে, আমরা পূর্বেইতো বলেছিলাম স্রষ্টা দুটা জাতিই সৃষ্টি করেছে তার দাষত্বের জন্য। সুতারাং আজ আমরা জানলাম আমাদের মাঝে জ্বীন, ভূত বা প্রেত বর্তমান তবে তারা আর কেউ নয় তারাই এলিয়ান বা ভিন গ্রহের প্রানী। কেন তারা এই গ্রহে অবস্থান করছে কি তাদের উদ্দেশ্য কিভাবে তারা এসেছে? এ সম্পর্কিত আরোও অনেক প্রশ্নের উত্তর
আমাদের পরবর্তী আলোচনায় করার অভিপ্রায় রইলো

আমাদের আজকের বিষয়টি অত্যান্ত গরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা হাজার বছরের পূরনো ও বর্তমান সময়ের অধিক আলোচিত ও সমালোচিত সেই সাথে ব্যপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুও বটে। । যেখানে বিজ্ঞান, বিভিন্ন ধর্মিয় গুরুগণ বিভিন্ন মত ও নিত্য নতুন থিউরি উপস্থাপন করেছেন, যা কোনোটি’ই সকলের নিকট সমাদৃত নয়। বিধায় এ বিষয় মতপার্থক্য রয়েই গেছে আমাদের মাঝে। যাই হোক আজ আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর হতে সম্পূর্ণরুপে পর্দা সারাতে আমাদের গুরু সুফি সাধক আফতাব বাবার বানী আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

 “আমরা মানব জাতি কোথা হতে এসেছি”

বিভিন্ন ধর্মের মতানুসারে মানুষ ইভ আদম বা আদম হাওয়া বা মনু হতে পৃথিবীর বুকে আগমন ঘটে ! অর্থ্যাৎ দুইজন মানুষ হতেই বিশ্বচরাচরে সমস্ত মানবের সৃষ্টি। বিজ্ঞানের মতে মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীর মুখ দেখেছে। কিন্তু আপনি যে মতটি’ই গ্রহন করুন না কেনো আপনার মতের সাথে কি আপনার মন সর্ম্পূন সেটিসফাইড ?? এবার একটু ভিতরে প্রবেশ করুন- আমেরিকা, আফ্রিকা, চায়না, কোরিয়া আরব ইত্যাদি দেশের মানুষগুলোর দিকে একটু চোখ বন্ধ করে অবলোকন করুন, কেউ কালো কেউ সাদা কেউ খাটো কেউ লম্বা আবার আমাদের এশিয়া মহাদেশের মানুষের মাঝে কোনো নির্দিষ্ট ধরন বা গড়ন’ই নেই, মিশ্র কি কারনে এমন? কেনো এখনো এ্যমাজান, আফ্রিকা জঙ্গলের মত ঘহিন অরন্য বা বিভিন্ন দিপপূঞ্চে এখনো অনাবিষ্কৃত মানুষ নিত্য নতুন ভাবে আবিষ্কৃত হয়েই চলেছে, যাদের নিকট এখন অব্দি আধুনিকতার র্স্পশ্য পৌছাঁয়নি। কেনো ?
বাবা বলেন মানুষ পৃথিবীর কোনো প্রানী’ই নয়, আমাদের আদি ভুমি হাওয়ায়েন নামক গ্রহ, সেখানে তাদের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বর্তমান বিজ্ঞানের চাইতে ১ হাজার গুন উন্নত ও সমৃদ্ধ। কয়েক হাজার বছর পূর্বে তারা এই পৃথিবী নামক গ্রহ আবিষ্কার করে, এবং এখানে প্রানের বিচরন ও উন্নয়ন সম্ভব কি না সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য মানুষ নামক দাষকে কয়েক জোড়া করে পৃথিবী পৃষ্ঠে ছেড়ে যায়, এবং কোনো এক স্থানে নয়, এক জোড়া নয়, গোটা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে আমাদের জোড়ায় জোড়ায় ছেড়ে যায়। যা পরবর্তীতে প্রজনন প্রকৃয়ার মাধ্যমে ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পায়, তবে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ কিছুটা অনুকুল সে সকল স্থানে এই মানুষ প্রানীর অস্বাভাবিক ভাবে বিস্তার লাভ করে কিন্তু যে সকল স্থানে প্রাকৃতিক পরিবেশ বন্ধুর সে সকল স্থানে জন্ম মৃত্যু প্রায় সমমানের। আমাদের এই পৃথিবীতে ছাড়ার কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত আমাদের সকল বিষয় তদারকি করার জন্য তারা এই গ্রহে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতো কিন্তু সময়ের পরিক্রমে এবং সৌর মন্ডলের ক্রমবর্ধমান গতির কারনে আমাদের মাতৃগ্রহ আমাদের এই গ্রহের সঙ্গে যোগাযোগ হীন হয়ে পরে। কিন্তু সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে আবারও আমরা আমাদের সেই মাতৃগ্রহের সাথে যোগাযোগ করতে বা আমাদের প্রভুদের সাক্ষাত পাবো কিন্তু তাদের দেখতে পাবো না। এর পিছনে অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, যা পরবর্তী আলোচনার উপস্থাপন করা হবে।

ত্রাটক সাধনাঃ

জীবনের চলার পথে আমাদের সকলেরই রয়েছে হাজারো স্বপ্নপূরনের লক্ষ্য, কিছু আশা, কিছু চাওয়া ইত্যাদি কারন মানুষের জীবনের শুরুই হয় বিভিন্ন চাহীদা দিয়ে। আমরা কেউ’ই সকল চাহীদা পূরনে সমর্থ নই। আমাদের চাওয়ারও কোন শেষ নেই।। তবে সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের আকাঙ্খার চাইতে পাওয়াটা অনেক বেশি আবার কেউ কেউ না চাইতেই অনেক কিছু পেয়ে যায় আবার কারও হয়তো অধিকাংশ চাওয়াই পূর্ন হয়ে যায়, কিন্তু এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগন্য। আমরা অনেকেই হয়তো বিশ্বাষ করবো না যে এই বিংশ শতাব্দিতেও আমাদের চারপাসে প্রতি ১০ জন সফল মানুষের বিষয়ে যদি ভালো ভাবে খোজ খবর নেওয়া হয় তবে আমরা জানতে পারবো তাদের ৭-৮ জনই কোন না কোন পীরের মুরীদ, কোন তান্ত্রিক গুরুর শিশ্য, কোন সুফির খাদেম, কোন দেবতার সাধক বা কোন শক্তির আর্শিবাদ প্রাপ্ত। যা সাধারনত অত্যন্ত গোপন বিষয়।
আমরা আজ যে বিষয়ের উপর আলকপাত করবো তা হলো “ত্রাটক” !!! আসলে এই “ত্রাটক” বিষয়টি কি, আমরা এখানে ত্রাটক বলতে এমন এক সাধনাকে বোঝাচ্ছি যা মানুষের তৃত্বিয় নেত্রের সাথে জরিত, যা মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের সাথে সংপৃক্ত। আধুনা বিজ্ঞানের যুগে আমরা সকলেই হয়তো মেডিটেশন, যোগ ব্যয়াম ইত্যাদি সর্ম্পকে বেশ ভালোই জানি, এই “ত্রাটক” হচ্ছে এই গুলোরেই গুরু সমতূল্য। কারন এই একটি মাত্র সাধনা দ্বারা ব্যক্তি তার অসম্পূর্ণ স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপদিতে পারে। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, কেউ বড় হয়ে জন্মায় না, প্রতিটি মানুষ তার কর্ম সেই সাথে কর্মের সূযোগ্য সুবিধা সমৃদ্ধ সুযোগের মাধ্যমেই উপরে উঠে বড় হয়।