International Witchcraft Organization

Third Eye Radiation
Creator of the Trataka worship

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি প্রশ্ন আমাদের সকলের মনেই ঘোরপাক খায়, বিশেষ করে যখন আমরা সৃষ্টি রহস্য নিয়ে চিন্তা মগ্ন থাকি। সেটি হচ্ছে সকল প্রানীর নাম আমরা মানুষরাই দিয়েছি যা আমাদের নাম বা এই মানব জাতি নামটি কোথা থেকে আসলো বা কে দিলো? আমরাই বা কোথা থেকে এলাম ইত্যাদি কিন্তু বোকা সাজার ভয়ে এবিষয়ে আমরা সকলের সামনে মুখ খুলিনা। আজ  এই জটিলতরো বিষয়ের খোলসা করা হবে। তাই আমাদের আজকের বিষয়ঃ-

মানব জাতির আসল পরিচয় কি?

বুদ্ধি বা বিবেক সকল সময়  একই দিকে ধাবিত হয়, বিধায় আমরা যদি আমাদের বিষয়গুলো চিন্তা করি তবে হয়তো মহাবিশ্ব সম্পর্কে সাম্মক ধারনা পেয়ে যাবো। যেমন ধরুন আমরা মানব জাতি আজ থেকে পাঁচ কিংবা পনের বছর পর, সৌরমন্ডলের অন্য কোন গ্রহে যদি প্রানের অস্তীত বা টিকে থাকার সম্ভবতা জাচাইয়ের জন্য কিছু পাঠাই তবে তা অবশ্যই মানুষ পাঠবো না, হয়তো কোনো পোষা প্রাণী বা অতি বুদ্ধিমান রোবট পাঠাবো যা ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি। ঠিক তেমনি সংশয়বাদীদের কথা বাদ দিলে একথা আজ প্রামানীত যে, মানুষ এ গ্রহের প্রাণী নয় মানব জাতি পৃথিবী নামক গ্রহের অতিথী বই অন্য কিছু নয়! অতি বুদ্ধিমান কোন প্রাণী যারা একটি সময় আমাদের সৌরমন্ডলের খুব নিকটে চলে এসেছিল। তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনার জন্য এই গ্রহে অবতরন করে এবং নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয়, অনেক প্রাণীর আগমন ঘটে তাদেরী হাত ধরে । কালের আবর্তনে তারা লক্ষ্য করে খুব শিঘ্রই এই সৌরমন্ডল থেকে তাদের মাতৃগ্রহের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাবে এমতাবস্থায় তারা সিদ্ধান্ত নেয় এই গ্রহে এমন কিছু প্রাণীর বিকাশ ঘটানো যারা স্বিয় বুদ্ধিমত্তায় টিকে থাকতে পারবে সেই সাথে তাদেরও  একসময় খুজে পেতে পারে। যার ফলাফল স্বরুপ এই গ্রহের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে জোড়ায় জোড়ায় আমাদের ছেড়ে যায়। তারা পৃথিবীতে থাকা কালীন, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করেছিল, তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনা ছিল মূলত প্রয়োজনীয় জ্বালানী ও খনীজ পদার্থের, তবে এই গ্রহে তারা স্থায়ীভাবে  টিকে থাকতে পারত না কারন পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ  তাদের প্রজনন ক্রিয়ার জন্য অনুকূল ছিলো না। এই গ্রহ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়ার সময়টি একসঙ্গে ঘটেনি পর্যায়ক্রমে তারা চলে যেতে থাকে একসময় সকলেই চলে যায়। কিন্তু  পৃথিবীর সকল স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের প্রভূগন তাদের অনুসন্ধান চালাতে গহিন অরণ্য,  গিরিখাত, বিভিন্ন পাহাড় পর্বত্যের গূহায়  গিয়ে সময়মতো ফিরে আসতে পারেনি। বিধায় তারা চিরতরে বিছিন্ন ভাবে আটকা পড়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রজনন ক্রিয়া ব্যহত হওয়ায় কয়েক’শ বছরের মধ্যেই তারা সকলেই মারা যায়। আপনারা যারা আন্তর্জালে বা ডিসকভারী চ্যনেলে অনুসন্ধানী ভিডিও গুলো দেখেছেন তারা নিশ্চয় জানেন বিভিন্ন ভিন গ্রহবাসির হাজারো বছর পুরনো ফসিল প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে। এসকল মূলত তাদেরি জিবস্ম। মানুষ, মানব, ম্যান ইত্যাদি বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নাম গুলো সর্ম্পূনই আমাদের নিজস্ব সৃষ্টি, প্রকৃত পক্ষে এই প্রানীর আদি নাম ”কূফহূ” যা তাদের মাতৃগ্রহ হাওয়ায়েন এর মূল বাসিন্দাদের গৃহ পালিত দাস মাত্র। এসর্ম্পকিত বিস্তারিত আরোও তথ্য পরবর্তি আলোচনায় তুলে ধরা হবে।

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

More To Explore

All Post

পুরুষের যৌন সমস্যা

আমরা একটি বিষয় খুব ভালো ভাবেই জানি যে সুন্দর চেহারা, সুঠাম দেহ আর প্রচুর অর্থ থাকলেই সুপুরুষ হওয়া যায় না, সুপূরুষ হতে হলে তার সুঠাম দেহের পাশাপাশি চাই সুস্থ যৌন শক্তি, তবেই সে পুরুষ।

All Post

আমাদের চিকিৎসা সেবা সমূহঃ

আমরা আমাদের প্রতিটি চিকিৎসা ১০০% পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত হোমিও প্যাথি বা আর্য়ুবেদিক পদ্ধতীতে দিয়ে থাকি। যদি কোন রোগি কদাচিৎ সুফল লাভে ব্যর্থ হয় তবে তার ক্ষেত্রে ১০০% চিকিৎসা ফি রিটার্ন গ্যারান্টি। আমরা যে সকল রোগের ১০০% গ্যারান্টিযুক্ত ঔষধ দিয়ে থাকিঃ  ডায়াবেটিস  ব্লাড পেশার  অনিদ্রা  যে কোন ধরনের যৌন রোগ  অতিরিক্ত স্বপ্ন দোষ  মাথার চুল ঊঠা বা টাগ রোগ  পাইলস/অর্শ/ভগন্দর  আমাসা/ রক্ত আমাসা  মাথার সমস্যা/পাগলামি  হাতে

আপনার সকল তান্ত্রিক সমস্যার একমাত্র নির্ভূল সমাধান আমাদের কাছেই পাবেন

৩৬৫ দিনের যে কোন সময়’ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, সেবা গ্রহন করতে পারেন।