আমরা কোথায় আছি কোথায় যাচ্ছি

বিশ্বব্রহ্মান্ডে রয়েছে শত’কোটি সৌরমন্ডল। প্রতিটি সৌরমন্ডলের রয়েছে নিজেস্ব গ্রহ ও উপগ্রহ। যা তার অক্ষে আর্বতিত। এ মহাবিশ্ব একটি সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে সেটিও নিশ্চিত, কারন আমরা যদি (Big Bang Theory) মেনে নেই তবেও এই বিশ্বব্রহ্মান্ড ধ্বংস হতে কল্পনাতীত সময় বাকি রয়েছে। যেহেতু বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল কিছু বর্তমান সময় পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান অর্থাৎ প্রসারিত হচ্ছে, সুতারাং এই প্রসারন শেষ হবে, পুনরায় সঙ্কোচন শুরু হবে এরপর হতে পারে সেই মহা ধ্বংসলীলা বা রোজকেয়ামত। ক্ষুদ্র বুদ্ধিতেই ভেবে দেখুন। এই পৃথিবীর সৃষ্টি যেখানে শত’কোটি বছর, এর পূর্বে সৃষ্টি সৌরমন্ডল গ্রহমন্ডল না জানি কত কোটি কোটি বছর পূর্বে এই (বিগ ব্যঙ্গ) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অর্থাৎ সৃষ্টি জগৎ ধ্বংস হতেও কোটি কোটি বছর বিলম্ব রয়েছে।
আমরা জানি, এই পৃথিবীতে ঠিক আমার মতো আরোও সাতটি নূন্যতম তিনটি মানুষ রয়েছে। ‍যদি ৭’শ কোটি মানুষের মাঝে ৭টি মানুষ একই রকম হয় তবে লক্ষ-কোটি গ্রহের মধ্যে প্রাণ রয়েছে এমন গ্রহের সংখ্যা এবং ঠিক এই পৃথিবীর আয়না পৃথিবী যে কতো থাকতে পারে তা সহজে অনুমেয়। আমাদের আজকের বিষয় বস্তু সেই সকল আয়না পৃথিবী নিয়ে। আমরা এও জানি আমাদের প্রযুক্তির হাটি হাটি পা পা করে যাত্রা শুরু মাত্র কয়েক দশক হতে।
আমাদের সমান্তরাল পৃথিবী নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা ইতি পূর্বেই আমরা করেছি। আজ আমরা জানবো সামনের দিন গুলোতে প্রযুক্তির সম্ভব্য উৎকর্স নিয়ে। খুব শিঘ্রই এক চরম আর্শ্চায্য অপেক্ষা করছে, আমরা মৃত্যুকে জয় করবো মানুষ বাঁচবে কয়েক শত বছর, একজন অতিত অতি বুদ্ধিমান মানুষের মস্তিষ্ক্য আরেক জন মানুষের মাঝে ট্রান্সপ্লান্ট হবে, উড়োজাহাজ বা রকেট নয় অনেকেই নিজে নিজে উড়তে সক্ষম হবে। কল্পনার ইনভিজিবলম্যন বাস্তবে হবে, মানুষ অনায়েসে তার অতিত বা ভবিষৎ এ যেতে পারবে। আমরা আমাদের মাতৃগ্রহের প্রভুদের সাক্ষাৎ পাবো। আমাদের কল্পনার রোজ কেয়ামত না হলেও পৃথিবীর মানুষ ঘটিত বিভিষিকাময় ধ্বংসলীলা প্রতক্ষ্য করবো। বেশ কয়েকটি জিনিস আমাদের চিরায়িত স্বভাব থেকে বিলীন হবে। যেমন- রক্ত সর্ম্পক্যের কারো  জন্য অন্তরের টান, মানবিকতা, ধর্মভীরুতা, মায়া মমতা ইত্যাদি। আমরা হয়ে উঠবো কর্মাশিয়াল মানুষ।
জর্তিবিদ্যা, আধুনিক আধ্যাত্মিক বিদ্যা, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি প্রভূত উন্নতি সাধন করবে। আমরা খুব সহজেই আমাদের সমান্তরাল পৃথিবী গুলোতে যাতায়াত করবো। আমরা পরবর্তি আলোচনায় এর প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

সমান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কেঃ-

আমাদের আজকের বিষয়,
আপনার হয়তো মনে হতে পারে আপনি জন্ম নিয়েছেন এই পৃথিবীর বুকে বিচরন করিতেছেন একসময় এখানেই মারা যাবেন সকল কিছু এখানেই ইতি। তা কিন্তু নয়! আপনি জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার একটি দুটি নয় সর্বমোট ১১টি সত্তার আর্বিভাব ঘটে, আপনি হয়তো ভাবতে পারেন জন্ম হতে মৃত্যু অব্দি এই গ্রহেই বিচরন করছেন, বাস্তবিক পক্ষ্যে আপনি হয়তো এই গ্রহে জন্মই নেননি। কারন আমরা প্রতিনিয়ত এগারোটি সমান্তরাল গ্রহে যা এগারটি সৌরমন্ডলে অবস্থিত পরিভ্রমন করে চলেছি। বাবা বলেন অনেক সময় দূর্ঘটনা জনিত কারনে আমাদের মৃত্যুবরন হলেও যখন আমাদের নশ্বর দেহ এই গ্রহে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তখনো আমরা আমাদের পূন্যজীবনীকাল পর্যন্ত গ্রহে পরিভ্রমন করি। আমাদের ইতি পূর্বের আলোচনায় এসম্পর্কিত সামান্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। গ্রহ ভিত্তিক আমাদের নশ্বর দেহ স্থীর। স্মৃতি, মেধা, মন উপলদ্ধি এ বিষয়গুলো দেহের সাথে জড়িত, কিন্তু আমাদের অবিনশ্বর আত্না এসকল থেকে মুক্ত, অকাল্পনিক গতিশক্তির অধিকারী ও শৃঙ্খলিত স্বাদ্ধীনতায় আবর্তীত। বিজ্ঞান বলে স্থীর দেহে  অর্থাৎ ঘুমন্ত অবস্থায় একজন মানুষের মস্তিস্ক অধিক সচল থাকে, এর কারন যখন আমাদের আত্না শরীর থেকে মুক্ত হয়ে অন্য কোন আমিতে প্রবেশ করে, আর সেই আমি এই আমির চাইতে অধিক বুদ্ধি সম্পন্ন্য হয় তবে আমার মস্তিষ্কের ক্রিয়া সচল থাকায় স্বাভাবিক। এখানে আমার প্রতিটি কাজের জন্য কায়িক পরিশ্রম বাধ্যতামূলক হলেও অন্য কোথাও আমার মস্তিষ্কের অধিকাংশ শক্তি ব্যবহৃত হয়। এখানে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে কালের আবর্তনে পরিক্রমনরত সমান্তরাল অন্তত্য দুটি জগৎ যদি কখনো মুখো মুখি হয় তবে আমাদের অস্তিত্য কিরুপে বিদ্যমান থাকবে? কারন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এখন যেমন দুপাশের জগৎটাই অভিন্ন তেমনি সে সময় আমরা সমস্ত কিছু অভিন্ন অবস্থানে থেকেও ক্রিয়া ও কল্পনার বাস্তবায়ন দেখবো। অর্থাৎ ধরুন আপনি একটি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হয়তো ভাবছেন আমার যদি দুটি ডানা থাকতো তবে আমাকে কষ্ট করে হাটতে হতো না, পাখির মতো সারাক্ষন উড়ে বেড়াতাম এবং এই বিষয়টি আয়নায় প্রতিফলিত হবে। আপনার বাস্তব জিবন ও কল্পনার জগৎ দুটি হবে সামনা সামনি। যদিও এমনটি হওয়ার সম্ভনা কোটি বছরেও নেই। তবুও এমনটাই হচ্ছে তবে আমরা উপলব্ধি শক্তির সল্পতার কারনে তা বুঝতে অক্ষম। আমরা অচিরেই এবিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত সম্ভবতা আপনাদের সামনে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।