সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় তদবীরঃ-

আজ আমরা আপনাদের সাথে ত্রাটক সাধনার একটি ছোট্ট প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের যে কোন সমস্যা সমাধানে ও চাহিদা পূরণের কথা আলোচনা করবো। আপনারা যারা ত্রাটক সাধনা করেন নি তারাও এই নিয়ম অনুসরন করে নিজের ইচ্ছে পুর্তি করতে পারেন। প্রথমত আপনি যদি আপনার সাংসারিক জীবনে কোন বিষয় নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকেন, সমস্যায় জর্জরীত থাকেন, ঋনগ্রস্ত থাকেন তবে এই প্রক্রিয়ায় আপনার সমস্যার অনেকাংশে দুর করতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তার বিবরণ নিচে বর্ননা করা হলোঃ-
প্রথমত আপনার জন্ম কোষ্টির শুভ দিন দেখেনিন, সেদিন ভোরে বা খুব সকালে উঠে একটি সাদা কাগজে কালো কালিতে আপনার যাবতিয় সমস্যাগুলো লিখে ফেলুন, একটি নকশা বিহীন স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পরিষ্কার টিউবয়েলের পানি নিন। এবার এটি আপনার বসার টেবিলের উপর রেখে তার উপর কাগজটি রেখে দিন। হালকা কিছু চাপ দিতে পারেন যাতে কাগজটি উড়ে পরে না যায়। এবার সারাদিন আপনি প্রতিটি কাজে প্রতিটি সময় ভাবতে থাকুন কল্পনা করতে থাকুন আপনার সকল সমস্যা দুর হয়ে আপনার সুখের সময় চলছে। ঠিক দুপুর সময় যখন সুর্য আপনার মাথার ঠিক উপরে অবস্থান করবে, তখন গ্লাস সহ কাগজটি নিয়ে কোনো খোলা নির্জন স্থানে এসে সরলাশনে বসুন, চোখ বন্ধ করে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলোকে ভাবুন, মাথায় নিয়ে আসুন( যারা ত্রাটক সাধনা করেছেন তারা সমস্যাগুলোকে একত্রিত করে ত্রাটক মুডে তা গ্লাসে নিয়ে আসুন), এবার কল্পনা করুন আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো মাথায় একত্রিত হয়ে জটলা পাকাচ্ছে, এই জটলাকে ধিরে ধিরে নিচে আপনার বাম হাতে নিয়ে আসুন, কল্পনা করুন, অনুভব করুন, চোখ বন্ধ করে উপলব্ধি করুন, এবার সেই সমস্যাগুলো যখন আপনার বাম হাত বেয়ে নিচে নামতে নামতে আপনার বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলিতে চলে আসবে সে সময় খুব সর্ন্তপনে ডান হাতে একটি দড়ি নিয়ে বাম হাতের কব্জার কাছে পেচিয়ে বেধে ফেলুন। সমস্ত কাজটি করতে হবে চোখ বন্ধ করেই, কারন যদি আপনি ত্রাটক সাধক না হয়ে থাকেন তবে আপনার চোখ খুললেই যা ভাবছিলেন তা নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বাধা হয়ে গেলে আপনি চোখ খুলুন একটি ইনজেকশনের ছোট্ট সুচ নিয়ে আপনার যে আঙ্গুলিতে সমস্যাগুলোকে এনে জমা করেছেন সেই আঙ্গুলের ডগা ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করুন এবং তা গ্লাসের মধ্যে ফেলুন।(ত্রাটক সাধক গনের ফুটো করে রক্ত বের করতে হবে না, পানিতে সমস্যাগুলো ফেলে দিলেই হবে)। যখন রক্ত বন্ধ হয়ে আর বের হবে না। পূনরায় সেই কাগজটি তাতে ঢেকে দিয়ে নিজের ঘরে এনে টেবিলের উপর রাখুন। এবার ঠিক সন্ধ্যার সময় অর্থাৎ সুর্য ডোবার সময় আপনার বাড়ীর পশ্চিম শেষ মাথায় গ্লাস ও কাগজটি হাতে করে নিয়ে যান, সেখানে কাগজটি অন্য কোথাও রেখে গ্লাসটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করুন ভাবুন আপনার সকল সমস্যাগুলো গ্লাসে রয়েছে এবার সেগুলো আপনি আপনার জীবন হতে ফেলে দিচ্ছেন। এবং ভাবতে ভাবতে সকল পানি পশ্চিম দিকেই ঢেলে দিন, চোখ খুলুন, গ্লাস রেখে কাগজটি হাতে নিন, যা যা লিখেছেন তা পূনরায় একবার চোখ বুলান, মনে মনে বলুন পরবর্তীতে আর আপনি কখনো এসব লিখতে চান না, আপনার সমস্যার সমাধান আজ এই মুহুর্ত হতেই হয়ে যাবে। বলে কাগজটিকে ছিরে এতো ছোট করুন যার পর আর আপনি ছোট করতে পারবেন না। এবার কাগজগুলোও সেখানে উড়িয়ে দিন এবং গ্লাসটি নিয়ে চলে আসুন, পিছনে ফিরে তাকাবেন না।। ঠিক তিন দিন পর আপনাকে এই কাজটি করতে আবার কাগজে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো লিখতে হবে, তবে এদিন আর সকল সমস্যা আপনার থাকবে না, অবশ্যই আপনার তালিকায় অনেক সমস্যা বাদ পরবে, এদিন একই কাজ করতে হবে শুধু গ্লাসে রক্ত দিতে হবে না। এভাবে করতে থাকলে যত বড় সমস্যাতেই থাকুন না কেন তা ২১ দিনেই শেষ হয়ে যাবে।

Super way to get Money, wealth and riches and Released To be Poverty

Many people do not see the face of one’s money while pursuing whole life- Many people do not get the place to spend money- Some people are getting enough money to provide one-to-one feed- I am going to talk about the sadness that I have taken today from Muslim Tantric science which is well-known and powerful.The words of all mullahs do not fit here- Because many moles say that the creator does not feed if the action is not done. I will tell you through this practice you will be able to own a lot of money. After the pursuit, without any source, without any source, the meaning of the meaning (maybe the Creator) will come in front of you. And it’s so true and proves that I do not think it’s necessary to give “%”. I have done this practice myself and got instant results in my hand. But one must remember that every pursuit is the hardship that is born in Egypt. But it is so confidential that nobody does it. But if you are ready to bear any hardship in the absence of money. If money is needed by you most, but of course you can do this.

Pursuit:

You do not have to do anything Four rakath’s prayers should be performed only in hardship. And in every rakath, Sura Fateha (specially arranged verses) will wear 1000 (one thousand) times. However, the prayer will be reduced to one leg.The matter is quite difficult.  I, myself, once prayed in life, after a great danger. But nowadays, fear of suffering, and did not dare to pray. But you will get the results immediately. You have to earn two rakath’s prayers A person will appear before you, Do not be afraid to see him. (Even though you do not believe in the present modern era, you are truthful) before the next two rakaht’s are offered to you, that person will leave you with the demands of your needs. But you must fulfill your prayers. Only then can you get the money .
Special Note: Get in touch with Admin, to get the specially ordered Sura Fateha.

অর্থ, সম্পদ ও ধনদৌলত পাওয়ার সহজ উপায় এবং দারিদ্রতা হতে মুক্তি

অনেকে সারাট জীবন সাধনা করেও একটি টাকার মুখ দেখে না- আবার অনেকে টাকা খরচ করার জায়গা পায় না- কেউ কেউ একমুঠো অন্ন জোগার করার অর্থ জোগার করতে হিমসিম খাচ্ছে- আমি আজকে যে সাধনার কথা বলতে যাচ্ছি তা মুসলিম তন্ত্রশাস্ত্র থেকে নেয়া এবং এতোটাই পাওয়ারফুল যে মোল্লাদের কথা এখানে খাটে না- কারন অনেক মোল্লাই বলে থাকে যে কর্ম না করলে বিধাতাও খোরাক দেয় না। আমি আপনাকে বলবো এই সাধনার দ্বারা আপনি নিমিষেই অনেক অর্থের মালিক হতে পারবেন। সাধনার পর নয় সাধনা চলাকালেই কোন উৎস ছাড়াই সয়ং অর্থ (হয়তো স্রষ্টা) এসে আপনার সামনে এসে উপস্থিত হবে। এবং এটা এতোটাই সত্য এবং প্রমানিত যে এর কোন  “%” দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছি না। আমি নিজে এই সাধনা করেছি এবং হাতে নাতে তাৎক্ষনিক ফল পেয়েছি। তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে প্রতিটি সাধনাই হচ্ছে কষ্ট সাধ্য এই সাধনার জন্ম হয়েছে সেই সুদুর মীশরে এবং বর্তমানে অনেকে তবে এটা এতোটাই গোপনীয় যে কেউ এটা প্রকাশ তেমন করে না।। তবে আপনি যদি অর্থ অভাবে যে কোন কষ্ট সহ্য করতে প্রস্তুত হন। যদি অর্থই আপনার সবচাইতে প্রয়োজনীয় হয়ে দারায় তবে অবশ্যই আপনি আমার এই সাধনা করতে পারেন।

সাধনা ঃ

আপনাকে কিছুই করতে হবে না শুধু কষ্ট করে চার রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে। এবং প্রতি রাকাতে সুরা ফাতেহা (বিশেষ ভাবে সাজানো আয়াত) পরতে হবে 1000 (এক হাজার) বার। তবে সেই নামাজ পড়তে হবে এক পায়ে দারিয়ে। বিষয়টা বেশ কঠিন আমি নিজেও আমার জীবনে একবার মাত্র বিপদে পড়ে আদায় করেছি কিন্তু আজ অব্দি কষ্টের সিমা মেপে আর পড়তে সাহস করিনি। তবে ফল পাবেন আপনি সংগে সংগেই। আপনার দু রাকাত নামাজ আদায় হতেই আপনার সামনে এসে হাজির হবে কোন ব্যক্তি তাকে দেখে ভয় পাবেন না। (যদিও বর্তমান আধুনিক যুগে বিশ্বাষ হবে না আপনার তবে ধ্রব সত্য) আপনার পরবর্তি দু রাকাত নামাজ আদায় হওয়ার আগেই সেই ব্যাক্তি আপনাকে আপনার চাহিদা মত অর্থ আপনার জায়নামাযে রেখে চলে যাবে তবে আপনাকে নামাজ পরিপূর্ণ করতে হবে।। তবেই আপনি অর্থ নিতে পারবেন।।
বিঃদ্রঃ বিশেষ ভাবে সাজানো সুরা ফাতেহা পেতে এডমিনের সংগে যোগাযোগ করুন তার অনুমতি নিন।।

“Trataka is the Great option for going to spiritual world”

(ত্রাটক’ই সবচেয়ে বড় উপায় আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশের জন্য)

Today is going to be observed in a variety of English, Bengali blog or Facebook page “Trataka” relating to the various posts have been several false explanation. Everyone should be aware of an issue, The best information about your child will be with you, not to anyone outside. Just as “Trataka” in pursuit of the name of our institution, therefore, subject to various side of copy and paste, or something bizarre promotes Great science Whoever tries to undermine the reputation of the thieves avoid liability. We Tantra, mantra, Dua, amulets, Conquest, life-threatening, attractions, Nutrition, ban vidya, separation of the various issues with the service have been the last 7 years, and the new extremely Tantrik Baba, a saint, saints, etc., of recent times extensive going to said. Most of the fake. We have warned you many times on the subject. Tantra Sadhana, Vidya Tantra, mantra science, Power in pursuit of these things any invention is not, or not in the video he saw on Facebook mantra he read, and you’re good to celebrities, long-lasting times before our ancestors in this world, wandering, and hard work, sacrifices, pains as a result of a rules and regulations have collected, enough for each of the Tantric way with these remedies, believe, patience, self-restraint of devotion Like a blooming flower mixture will provide conclusive results. Otherwise all would labor in vain. And why some of our guru, their experience, hard work, Trataka intellectual achievements made by adjusting some rules and regulations. Which is purely confidential and secure. So far, so far, we have provided as many as those who are in pursuit of an important title for trataka did not matter. Because when they Practice necessarily used their interest in things to focus on when it is supposed to. It’s true that in any other saint, a Trataka Tantra, mantra, pursuit, amulet, charm, presence, invoice, etc. need to do after the meeting. Trataka pursuit Basically, such a power worship where his todbiya eye to expose the opportunity, and we are also well known in his todbiya eye unveiled to his own Self power developed to its at Self power use of force to know that he is very respond will become . However, it should be here to remember or manipulation is not a game, The public will be presented in front of the stage show or not to show his power. It’s Self power.

“Trataka is the Great option for going to spiritual world”

(ত্রাটক’ই সবচেয়ে বড় উপায় আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশের জন্য)

আমরা ইদানিং লক্ষ করছি, বাংলা বা ইংরেজিতে বিভিন্ন ব্লগ সাইট বা ফেসবুক পেইজে, ত্রাটক সর্ম্পকিত বিভিন্ন পোষ্ট সেই সাথে বিভিন্ন ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। একটি বিষয় সকলেরই জানা থাকা উচিৎ, আর সেটি হচ্ছে আপনার সন্তানের সর্ম্পক্যে সবচাইতে ভালো তথ্য আপনার নিকট’ই থাকবে, বাইরের কাহারো নিকট নয়। ঠিক তেমনি ত্রাটক সাধনা এবং এই নামটির জন্ম আমাদের প্রতিষ্ঠান বিধায় বিভিন্ন সাইডে এর বিষয় কপি পেস্ট করে বা উদ্ভট কিছু প্রচার করে যদি কেউ এই মহাবিদ্যার সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করে তবে তার দায়ভার কে নিবে? আমরা তন্ত্র, মন্ত্র, দোওয়া, তাবিজ, বশীকরণ, মারন, আর্কষণ, পুষ্টিকর্ম, বানবিদ্যা, বিচ্ছেদ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সেবা দিয়ে আসছি আজ বিগত ৭ বছর যাবৎ, আর নব্য ভুইফোর তান্ত্রিক বাবা, পীর, সাধক ইত্যাদির জন্ম ইদানিং কালে ব্যপক হারে বেরেই চলেছে। যার অধিকাংশই ভুয়া। আমরা আপনাদের বার বার এ বিষয় সর্তক্য করেছি। তন্ত্র সাধনা, তন্ত্র বিদ্যা, মন্ত্র বিদ্যা, শক্তি সাধনা, এ সকল কিছু কোনো মনগড়া বিষয় নয় বা এমন নয় যে আপনি ভিডিও দেখলেন ফেসবুকে মন্ত্র জপ করলেন পড়লেন, করলেন আর আপনার কাজ হাসিল হয়ে গেলো, অনাদি কাল হতেই আমাদের পূর্বপূরুষগণ এই জগতে বিচরণ করছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম, ত্যাগ, তিতিক্ষার ফলে এক একটি বিধি বিধান সংগ্রহ করেছেন, প্রতিটি কাজের জন্য যথেষ্ট নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে প্রতিবিধান করলে সেই সাথে আপনার বিশ্বাষ, ধৈর্য্য, সংযম একনিষ্ঠতার একন্ত সংমিশ্রনেই তার একটি প্রস্ফুটিত ফুলের ন্যায় ফল প্রদান করবে। নতুবা সমস্ত শ্রম হবে বৃথা। আর সে কারনেই আমাদের কতিপয় গুরুগণ তাদের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম, মেধা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন ত্রাটক সাধনার কিছু সময় উপযোগি বিধি বিধান। যা একান্তই গোপনীয় ও সুরক্ষিত। আমরা এ যাবৎ পর্যন্ত যতজন শিশ্যকে ত্রাটক সাধনা প্রদান করেছি তারাও কেই সম্পূর্ণ বিষয় পায়নি। কারন তারা তাদের প্রয়োজনানুপাতে প্র্যাকটিস করে যখন উদ্দেশ্য সাধন হলেই নিজ স্বার্থে ব্যবহৃত বিষয়গুলোতেই মনোনিবেশ করে থাকে। এ কথাটি সত্য একজন ত্রাটক সাধকের কখনো অন্য কোনো তন্ত্র, মন্ত্র, সাধনা, তাবিজ, কবজ, হাজিরি, চালান, বৈঠক ইত্যাদি দেওয়ার প্রয়োজন পরে না। ত্রাটক সাধনা মুলত এমনই এক শক্তির আরাধনা যেখানে ব্যক্তি তার তৃত্বীয় নেত্র উন্মোচনের সুযোগ পায়, আর আমরা এটিও ভালো ভাবেই জানি ব্যক্তি যদি তার তৃত্বীয় নেত্র উন্মচন করতে পারে, তার স্বীয় আত্বশক্তি বিকাশিত করতে পারে, তার আত্বলৈাকিক শক্তির ব্যবহার জানতে পারে তবে সে অতি মানবে পরিনত হবে। তবে এখানে স্বরন রাখতে হবে ইহা কোনো ম্যজিক বা হাতের কৌশলের খেলা নয়, যা সর্বসাধারনের সামনে ‍উপস্থাপন করবেন বা স্টেজ শো করে এর ক্ষমতার প্রদর্শনী করবেন। ইহা নিজস্ব আত্বশক্তি।

“Tratok Is The Great Option Of Success In Life”

By standing At 20th   century science has invent a great and totally scientific method on tratok, jean and other miracles power for those people who belief on miracles with giving a excellent gladful l offer  that is also challenging till this time .Here we teach those person  who are mentally healed and curious  about any one out of  three term that’s are “trataka, pursuit off jean, pursuit of pori “  with a exclusive offer to pay the amount after finishing the full course and also after fulfill your satisfactions. great saints of whole world is our inspiration of this challenging post . we know that after publishing our this spiritual side on internet wall many fake ID , false page ,android apps , fake blog side cheating with many innocent people by giving them fake trust and they falling in the trap as a result they becoming proletariat .and those fake source are strongly  amplified around our trustful agency .
But if you will trust on us you have no chance to teach because of this exclusive offer off post payment .it means you will pay your course fee after completing the course and after showing you that result. And this is the world first challenging offer to you that are raising your hidden ghostlier power and increase you’re the weird power. We will fulfill your thirst of ghostlier term of this jean, pari and trataka world. We teach our learner very carefully and with promise to prepare himself for any kind of success
Heretofore we show that any power, pursuit , one’s self-improvement, better life self-respect, physical satisfaction, family problem solve, mental improvement, allure, destroy enemy, etc  and many other problem can be solve by this powerful miracle . No one can transfer this power to other, cannot give proxy of it there every men have to give his own pursuit. Many unconscious person thought or says sometime that jean is sale or flavored things but it is a great silliness the greatest hagiolatry says and some scientific documentaries shows that jean pari is actually like roaming thing around us in short it is nothing but like alience .That sometime telecasts in national geography channel  , and history TV channel. Without delay our incoming generation will develop so easy term of pursuit. We get to know from many other students of this stage the feelings, type, capacity, thoughts everything is different from one another. This spirit, courage and curiosity of whole world of those students are giving inspiration to publish our todays challenging post. We are trying to keep our apprentice free from all type of tolerance and helping to keep their mind fresh so that they can fully concentrate on any kind of pursuit. We hope that all curious person of our society won’t be cheated anyhow.

বিশ্বের সকল বাংলা ভাষা ভাষী ভাই বোনদের

অকুন্ঠ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জ্ঞ্যপন করছি।

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এখন একটি বিষয় খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আর তা হলো মেডিটেশন বা ধ্যান, আমাদের বাংলাদেশেও এমন বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে মেডিটেশন বা ধ্যান, যোগ ব্যায়াম শেখানো হয়ে থাকে। বর্তমানে মিডিয়ার যুগে আমরা যদি একটু খানি চোখ কান খোলা রাখি তবে প্রায়শই চোখে পরবে বিশেষ করে ডিস্কোভারী বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফী চ্যানেলেও কিছু কিছু দেশের ধ্যান সাধনা বা সে দেশে যে নামেই বলা হোক না কেন-তা এতোটাই উন্নতি সাধন করেছে যে মানুষের পক্ষে অসম্ভব বলে হয়তো পৃথিবীতে কিছু আর থাকবে না। আমাদের দেশের বেশকিছু মেডিটেশন গুরুজনেরা যে সকল ধ্যান যোগ প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন তা আমাদের জন্য যথেষ্ট। একজন মানুষের তার নিজের চলমান জীবন মান উন্নয়ন করতে যা যা প্রয়োজন, তা খুব ভালো ভাবেই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি বিষয়- আর তা হলো আমরা যতটুকু যানি বা যানছি তা কি যথেষ্ট ? বা এর বাইরে কি কিছু নেই ? আসলেই কিছু নেই, এই বাংলাদেশের মানুষের প্রবৃত্তি যে পর্যায়ের তাতে এর বাইরে আর কিছু থাকতেও নেই। আমি কোন লেখক নই বা সুন্দর করে লেখায় অভ্যস্ত নই, তারপরেও যা মনে আসছে লিখে যাচ্ছি, আসলে মেডিটেশন বা ধ্যান যাহাই বলেন না কেন এটার গভিরতা এতোটাই যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না, প্রাচিন গ্রন্ধগুলোতে কিছু কিছু উদ্ধৃতি পাওয়া যায় যেমন হিন্দু শাস্ত্রে আছে যখন কোন কারনে দেবাদি দেব মহাদেব মহেশ্বর কোন সমস্যার সম্মুক্ষিন হতেন তখন তিনি তপস্যায় বসতেন অর্থাৎ ধ্যানে বসতেন। এখানে তিনি যদি ভগবান হয়ে থাকেন তবে তিনি কার তপস্যা বা ধ্যান করেন ? আমাদের সকলের প্রিয় রাসুল হযরতে নূর আহম্মদে মুস্তফা মুহাম্মদে মুস্তফা (সাঃ) তেনার জীবনি থেকেও একি কথা শোনা যায় তিনি হেরা গুহার পর্বতে গিয়ে ধ্যান করছিলেন, তো তিনি যদি ধ্যান করে সত্যের সন্ধান পান তবে কেন তার উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য ধ্যান করা সুন্নত বা ফরজ করে গেলেন না সেটা আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক্যে বোধগম্য নয়। আবার প্রাচীন অহিংস ধর্ম বুদ্ধ ধর্মের মুলেই রয়েছে ধ্যান যোগ, স্বয়ং বুদ্ধ দির্ঘ্যকাল ধ্যান সাধনার দ্বারা অমৃত সত্যের সন্ধান লাভ করেন এভাবে আমরা পৃথিবীর যত মহামানবের ইতিহাস পাব সেখানে কোন না কোন ভাবে এই ধ্যান আছেই এবং তা সবকিছুর মুলেই গেথে রয়েছে। আসলে আমরা আজ বাংলাদেশীরা মেডিটেশন বলে যা শিখছি সেটা ধ্যান নয় এটাকে একটি ধ্যনের একটি কনা বলা যেতে পারে, তবে হ্যা এই ধ্যানের মাধ্যমে বাস্তবিকই একজন অতি সাধারন মানুষ অনেক উচু স্তরে পৌঁছে যেতে পারে।। আমাদের এই সাইডটি মুলত এই ধ্যান প্রশিক্ষণ বিষয়ের উপর, তবে আমরা এখানে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট স্বনামধন্য গুরুগণ দ্বারা Spiritual, psychical, ghostly, hypnotism, mesmerism, telepathy, imagination ইত্যাদি সেই সাথে এশিয়া, আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন ‍Super Power এর কম্বিনেশনে সৃষ্ট একক সাধনা বিধি কম্পোজিশন করেছি। আমরা এটার নাম রেখেছি ত্রাটক মহাবিদ্দ্যা বা ত্রাটক সাধনা।

এই ত্রাটকের রয়েছে দু-মুখি তলোয়ারের মতই কর্ম ক্ষমতা আর তাই যদি ত্রাটক শিক্ষণ এমন কোন ব্যক্তির হাতে গিয়ে পড়ে তবে হয় সে নিজে ধ্বংস হবে নতুবা সে সমাজ কে ধ্বংস করে ছেড়ে দিবে আর মূলত সেই কারনে বাংলাদেশের মেডিটেশনের শ্রদ্ধেয় গুরুজনেরা তাদের শিক্ষণে এমন একটি বাউন্ডারী প্রদান করে তালিম দিয়ে থাকেন যাতে করে সে শিষ্য কোনদিনও সেই বাউন্ডারী ভেদ করে বের হতে না পারে, এতে করে সবচাইতে বড় সুবিধা হলো সে যত খারাপ বা ভালো প্রকৃতির’ই হোক না কেন তাকে যেটা তালিম দেওয়া হয়েছে সে তার বাইরে শত চেষ্টাতেও যেতে পারবেনা। ফলে সে শুধু নিজের জন্য যতটুকু করার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়েছে ততটুকুই করতে পারবে। এটাই কি ভালো নয় ? অবশ্যই ভালো !!!

কিন্তু আমরা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগোতে কি কখনও পারবো? আমরা কি তাহলে মসজিদ মন্দিরে সেন্ডেল চুরির ভয়ে সেখানে যাওয়া বন্ধ করবো? নাকি স্যন্ডেল পায়ে দেওয়া’ই ছেড়ে দিবো? বলুন ?

ত্রাটক এমন এক সাধনা যা দ্বারা ব্যক্তি তার আত্ত্বশক্তিকে বিকাশিত করতে পারে, People may bring out his inner power to awaken her true ability. একজন মানুষ ত্রাটক শক্তি বিকাসিত করার ফলে তার জীবন যাত্রার মান যেমন পাল্টাতে পারে তেমনি তার অতিমানবীয় গুনাবলিও অর্জন করতে পারে, প্রতিটি মানুষের মাঝে আছে অবিনশ্বর অসীম ক্ষমতাধর আরও একটি মানুষ, যে নিজের সার্বিক সুরক্ষা সে নিজেই করতে পারে, নিজের বিচার, নিজের অর্জন নিজেই করতে পারে। যে স্রষ্টা বা প্রকৃতি এই অসামান্য জীব সৃষ্টি করেছে তাকে কল্পনা করার মত অচিন্তনীয় মেধা দিয়েছে সেই প্রকৃতি আরও কতই না ক্ষমতা তার ভিতর সাজিয়ে রেখেছে তা আমরা ততদিন না বুঝতে পারবো যতদিন এই পথে চলবো। আমরা আজ মোবাইল, রিমোট কন্ট্রোল, উড়জাহাজ, জল জাহাজ, বিদ্যুৎ, কতকিছুই না আবিষ্কার করেছি আর সেগুলো দেখে অবিভুত হয়ে যাচ্ছি কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছি কি, যে শক্তি আমাদের সৃষ্টি করেছে সেই মহামহিম স্রষ্টা আমাদের মাঝে কোন শক্তি প্রের্থিত করে পাঠিয়েছে? আমরা কি পারি না মোবাইল ছাড়া কারও সাথে কমিউনিকেশন করতে, রিমোট ছাড়া কোন ইলেক্ট্রিক যন্ত্র বা বস্তুর মুভমেন্ট করাতে, জাহাজ ছাড়া পানি বা বাতাসে ভাষতে, আগুনের মাঝে অবলিলায় ঢুকে যেতে, অন্ধকারের মাঝে কোন কিছু দেখতে ???

আসলেই কি সম্ভব নয় ? আসলেই কি আমরা পারিন না আমাদের সম্মুখ্যে আসা কোন শত্রুর মোকাবেলা করতে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করতে ? কেউ কি কখনও তা পারে নি ? নাকি আমরাই শুধু পারি না ? ? ?

ত্রাটক সাধনার শুরুতেই আমরা এমন কিছু করে দেখাব যা আপনি কখনও কল্পনাও করেন নি, কখনও ভাবেন ও নি। আমরা প্রত্যেকের মাঝেই লুকায়িত শক্তিকে, শুধু সাধনার মাধ্যমে খুজে আনবো। আপনারা অনেকেই লক্ষ করে থাকবেন আমাদের অবচেতন মন অনেক সময়’ই অনেক কিছু ব্যক্ত করে ফেলে যা আমরা কাকতালীয় ঘটনা ভেবে উড়িয়ে দেই কিন্তু আসলে কি তা কাকতালীয় ? যেমন অনেক সময় বাইরে থাকা কালিন মনে হয় আজ অফিসে বা বাসায় অমুক ব্যক্তি এসেছে বা অমুক কাজটি হয়ে গেছে-ঘটনার স্পটে গিয়ে দেখা গেল ঠিক’ই তাই। কিছু কিছু স্বপ্ন হুবহু প্রতিফলিত হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে প্রতিটি মানুষের দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড আগে সে বুঝতে পারে এবং কিছুটা সময়ও সে পায় সেটা থেকে বাচার, কিন্তু হতবিহ্বল ব্যক্তিরাই দুর্ঘটনার স্বিকার হয়।

আমরা জানবো কি ভাবে ঘটনা ঘটার আগেই তা জানতে হবে, কি ভাবে অন্যের অগচরে কোন প্রকার কমিউনিকেশন ছাড়াই কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা যাবে, কি ভাবে আমার ইচ্ছেমত আমি কারও মুভমেন্ট কন্ট্রোল করতে পারবো, কি ভাবে আমি কারও অজান্তেই তাকে বাধ্য করতে পারবো, কি ভাবে আমার সামনে আগত দুর্ঘটনার পূর্বেই আমি সর্তক্য হবো। এমনি শতশত বিষয় আমরা প্রশিক্ষণ দিব এবং আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব মানুষের মাঝে বিরাজমান আর একজন মানুষের সাথে। জিনি আপনার হয়ে আপনার সমস্ত কাজগুলো সুশৃঙ্খল ভাবে সমাপন করবে, আপনার অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে এক অনাবিল আনন্দময় জীবনে পরিনত করবে। আপনার হতাষাময় জীবনে বয়ে আনেবে সুখের হিমেল বাতাস। আপনি হবেন মানুষের মাঝে এক অনন্য মানুষ।। হয়তো মানুষ না হয়ে মহামানবে পরিনত হবেন।।>>

Continue reading