Conquest Tantra ( বশীকরণ তন্ত্র)

Today, we have come up with a very powerful, very effective Conquest system, which is very convenient and easy for people who live in acute village sites. Anyone who uses this method can find a lost lover or loved one.

EQUIPMENT:

  1. A frog (male or female)
  2. A little bit of vermilion
  3. Punch juice

Day: Saturday or Tuesday
Time: Before sunrise
Direction: The face of the wanted person’s house.
Mantra: Not acceptable

Behind: Before work, with honor, take the permission of the guru, or else everything can be fruitless.

Rules: At first rainy season come home on a rainy day and bring a frog to find nearby. It is said that the common frog, is found in the pond that a little bigger frog is available,

The main problem is to recognize the male/female frog, That is, if you are a man and want to convey a girl, you must definitely take a female frog, so if you are a girl and want to convey a male, then you must provide a male Frog. Below there is a simple rule of crossing the border, as well as the simplest method of providing five-folds. The rules of the other work are the same.

For example, you will get a frog on Saturday or Tuesday, then it will be kept alive in a safe place, for the next job. Then you will have to provide your body pancake, like 1) tears, 2) nose water. 3) mouth saliva or sputum, 4) In case of uncontested women, louse or urine can be used, 5) Blood of your body. All these things have to be taken together in a small quantity or glass containers.Just like all 1 is enough to blast. So sit in a lonely house during the evening, Sit in front of the frog ‍and think of your wishing person and tell him three times before the frog face “I am so crazy for such and so (the name of my own name and my father’s name), the so-called (the name of the girl and her mother’s name) I love him, I want to get him”.
Now the mouth of the frog should be carefully screwed and poured into the fifth part in frog mouth and put a little vermilion on his head. And take him away and leave him in the house of your beloved, Of course, all work done that night, Wait a few days Your wishes will certainly be of interest to you & Contact you. There will be no exceptions.

How to recognize male and female frogs: Ways to feed male frogs: »There are two black-colored pockets on the lower jaw. »In the front of the jaw, the middle of the middle of the hand is yellow in color. »The curtains are usually small and the fingers are thick. »Wrist wrists are quite thick. »Born in bright breeding season. »When you push the back of the foot forward, you have to keep sound from the mouth. »In size is bigger and higher than weight. Wife to know the frog: »No sound pouch. »The color of the space between the two hands in the front of the jaw is bleak in all seasons. »The curtain looks bigger and the fingers are narrow. »Foot wrist is quite narrow. »Breast swelling in the breeding season. »When pressing on the back of the front leg can not make any noise, rather the stomach swells and leaves the ointment in some cases. »Small in size and weight is less.

Applying to Tratok in Enchantment (বশীকরণে ত্রাটকের প্রয়োগ)

বশীকরণে ত্রাটকের প্রয়োগঃ

বশীকরণের পূর্বে কতকগুলি বিষয়ে দৃষ্টি রাখিতে হইবে। যাহাকে বশে আনিতে হইবে, তাহার উপর সর্বদা সদ্ব্যবহার করিয়া সুমিষ্ট বাক্য প্রয়োগ ও সুবেশ দর্শন করাইতে হইবে, যাহাতে তাহার মন আকৃষ্ট হয়, সর্বদা এইরুপ ভাব দেখাইতে হয়। সুবিধা বুঝিয়া যাহাকে বশে আনিতে হইবে তাহাকে তাহার মনস্তুষ্টির জন্য ভাল ভাল বস্তু ও ভাল ভাল খাদ্য প্রদান করিতে হইবে। এই ভাবে কিছুদিন অতীত হইলে, মেস্‌মেরিজমে তাহাকে সম্পূর্ণ বশে আনিতে চেষ্টা করিবে। একবার দুইবার বশে না আসিলে বারংবার চেষ্টা করিয়া দেখা উচিত, এই প্রণালীওতে অনেকে এই রুপ হইয়া যায় বশীকারকে যে, সঙ্গে সঙ্গে যেখানে সেখানে গমন করিয়া থাকে।
প্রথমত, যাহাকে বশে আনিতে হইবে, সময় বুঝিয়া হঠাৎ তাহার অজ্ঞাতসারে তাহার চক্ষের উপর এমন প্রখর দৃষ্টি করিবে যে, আর সে দৃষ্টি ফিরাইয়া আনিতে না পারে, কিন্তু তাহার উপর প্রীতিপূর্ণ দৃষ্টিপাত করিবে। এই ভাবে ক্ষণকাল দৃষ্টির পর এই দৃষ্টি সত্বেই হস্ত দ্বারা নীচ দিকে বারংবার হস্ত সঞ্চালন করিয়া ক্ষণেক পরে তাহাকে তাহার সহিত যাইবার জন্য সঙ্কেত করিবে। এই রুপ করিলেই সে তাহার বশীভূত হইয়া তাহার সহিত গমন করিবে। এইভাবে স্ত্রী পুরুষ উভয়কেই বশীভূত করা যাইতে পারে।

Emergency Pursuit Rule (জরুরী সাধনা বিধি)

জরুরী আধ্যাত্মিক সাধনা বিধিঃ

বর্তমান সময়ে সাধনা করতে আগ্রহী ব্যক্তির সমাজে অভাব নেই, শোনা যায় অনেকেই বিভিন্ন শক্তি সাধনা করতে চাইছে, অনেকেই আবার বাজারের বিভিন্ন চটি বই পড়ে চটকদার মশলাদার গল্পকাহিনী পড়ে অনুপ্রানিত হয়ে সাধনা করতে যায়, ফলাফল যা হবার তাই, বৃথাই সময় শ্রম অর্থৎ নষ্ট, পরবর্তীতে বলে বেড়ায় এসকল সাধনা কোন কাজের না এসব হয় না। আমরা সকল সময়েই বলে আসছি প্রতিটি প্রাচীন প্রসিদ্ধ সাধনা যা আমরা শুনে থাকি তার অধিকাংশ দ্বারাই বর্তমান সময়ের মানুষও সফল হতে, সেটি হতে উপকৃত হতে পারে। তবে এটির মূল শর্ত হচ্ছে অবশ্যই আপনার মস্তকোপরি আপনার গুরুজীর স্নেহশীল হস্তের ছায়া থাকতেই হবে। আপনার যদি গুরু অর্থাৎ সিড়ি না থাকে তবে আপনি যতিই চেষ্টা চরিত্র করুন না কেন কোন সাধনাই আপনাকে দিয়ে সম্ভব হবে না। এটাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা। গুরুমুখি বিদ্যায় গুরু পরম পূজ্য। গুরু ভজন বিনা সিদ্ধি লাভ হয় না।
আমরা সাধনায় আগ্রহী ব্যক্তিদের কিছু নিয়মাবলি বিধি নিশেধ এখানে উল্লেখ্য করছি যা আপনি আপনার গুরুজীর নিকট হয়তো জিজ্ঞাসা করতে কুন্ঠিত হতে পারেন। এই বিষয়গুলো আপনার হৃদয়ে আত্মস্থ করে রাখতে হবে। আমাদের পরিশ্রমে যদি আপনি উপকৃত হতে পারেন তবেই আমরাও স্বার্থক হবো।
মনে রাখতে হবে পাঠক সবাই হতে পারে তবে তবে সাধক হওয়া যার তার কর্ম নয়। সাধনা করতে হলে আপনার হৃদয় কঠোর, দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি সম্পন্য, অত্যন্ত জেদি প্রকৃতির হলেই কেবল সাধনায় সফল হতে পারবেন। অল্প স্বল্প জ্ঞানি সাধক বা গুরুহীন সাধক সাধনা করতে গিয়ে নিজের বা সমাজের শুভ বা মঙ্গল করা তো দুর নিজের জীবন সংশয় করে ফেলে। আপনার যদি একজন সৎগুরু থাকে তবেই আমাদের সাধনা বিধী ও উল্লেখিত যে সকল সাধনা রয়েছে তার মাঝে যেটিতে আগ্রহ সেটি করতে পারেন। যদি আপনি গুরু নির্বাচনে ব্যর্থ হন তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে আমারে প্রসদ্ধ গুরুর স্বার্নিদ্ধেও সাধনা সম্পন্য করতে পারেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানের আওতায় যে কোন সাধনা করার সব চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে যে আপনি যে পর্যন্ত আপনার আকাঙ্খীত সাধনাটিতে সফল না হচ্ছেন সে পর্যন্ত আমাদের গুরু গণ আপনাকে ধরনের সহযোগিতা করবে। নিয়মাবলীঃ
১) সাধনার প্রথম কথাই হল ব্রহ্মচর্য পালন। সাধক পুরুষ হোক বা স্ত্রী তাকে ব্রহ্মচর্য পালন করতেই হবে। নতুবা সাধনায় সিদ্ধিলাভ অসম্ভব।
২) সাধক কোন স্ত্রী র্স্পশ্য করতে পারবে না। যদি সাধকের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা, ভগ্নি বা যেই হোক না কেন।
৩) কোন স্ত্রীর হাতের জল বা খাবার সাধক খাবে না। তার হাত দিয়ে কোন কাপড়ও কাঁচাবে না। সাধককে নিজের খাবার নিজেকে বানাতে হবে। নিজের কাপড় নিজেকে কাঁচতে হবে এবং ভুমি সয্যায় শয়ন করতে হবে।
৪)সাত্ত্বিক আহার করতে হবে। নিজ মন ও শরীরকে পবিত্র রাখতে হবে।
৫) সাধনা স্থলেই মাটিতে শয়ন করতে হবে।
৬)দেবী, দেবতা বা নির্দিষ্ট শক্তির সাধনা করার সময় তাঁর আসন সাধকের আসন থেকে উচুঁতে থাকবে।
৭) সাধনাস্থল যথা- নির্জন ঘর, শ্মশানভুমি, নদীতীর, চৌরাস্তা বা কোন গাছের ছায়ায় করতে যেখানে বাইরের জগতের গোলমাল প্রবেশ না করে।
৮) সাধনাস্থল যদি নির্জন ঘর হয় তবে তার রং গাঢ় নীল হবে। কম পক্ষে ঐ ঘরের পর্দার রং নীল হওয়া চাই।
৯) সাধক তার নিজের চোখে গাঢ় নীল রঙ্গের কাপড় বেঁধে রাখবে। এর ফলে শান্তি মিলবে।
১০) সাধনার পূর্বে মিষ্টি প্রসাদ, এলাচ ইত্যাদি নিজের কাছে রাখতে হবে। কারন আরাধ্যা দেবী/দেবতা/শক্তি এসে তার প্রসাদ চাইতে পারে। প্রসাদ দিতে দেরী হলে সাধকের প্রানহানীও হতে পারে। প্রসাদ দেবার আগে সাধক উক্ত শক্তিকে তিনটি প্রশ্ন করবে সাধক প্রশ্নের উত্তর নেওয়ার পর শক্তিকে প্রসাদ দিবে।
১১) ইনশেকশানের সুঁচ সাধক তার কাছে রাখবে। কারণ আরাধ্য দেবতা। শক্তি সাধকের রক্তও চাইতে পারে। যেমন কালী-মহাকালী। তিনি এসে বলতে পারেন যে আমার খুপড়িটা তোমার রক্ত দিয়ে ভরে দাও। তখন সাধক তাকে তিনটি প্রশ্ন করে তাঁর জবাব নিবে এবং নিজের কনিষ্ঠা আঙ্গুলীর ডগা সুঁচদিয়ে ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করে খুপড়িতে রেখে কিছুটা দেবীর জিভে লাগিয়ে দিতে হবে।
১২) যে তিনটি প্রশ্ন দেবীকে করবেন ও প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই নিবেন।
ক) যখনই আমি আপনাকে ডাকব,  আপনাকে আসতে হবে।
খ) যেখানে পাঠাব সেখানেই যেতে হবে।
গ) যে কাজের কথা বলব তা করে দিতে হবে।
১৩) নিজের আসন ও নিজেকে সুরক্ষা করতে অবশ্যই সুরক্ষামন্ত্র পড়ে নিতে হবে।

যে কোন সাধনার পূর্বে উপরক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তবে আশা করা যায় আপনার সাধনায় অনাকাঙ্খীত সমস্যায় পরে বিব্রত ও নিজের ক্ষতি হতে মুক্ত থাকতে পারবেন।
আধ্যাত্মিক সাধনাার সকল আলোচনা পড়ুন…

মন্ত্রপূত সুরমা দ্বারা বশীকরণ

সর্ব বশীকরণ সুরমা প্রয়োগঃ

ইসলামি বশীকরণ তন্ত্রে “বশীকরণ সুরমা একটি মহত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে এই সুরমা বশীকরণের জন্য ব্রহ্মাস্ত্র। এটা কখনো নিষ্ফল হয়নি এবং হবেও না। এই সুরমার প্রয়োগ করে হাজার হাজার হতাশ প্রেমিক বা প্রেমিকা নবজীবন লাভ করেছে ও প্রেমে সফলতা পেয়েছে।
আপনিও যদি প্রেমে ব্যর্থ হয়ে থাকেন তবে বশীকরণের এই ব্রহ্মাস্ত্রকে ব্যবহার করে দেখতে পারেন। বশীকরণ সুরমা বনোনোর নিয়ম নিচে দেওয়া হলো। প্রথমে আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার দ্বারা ব্যবহৃত এক টুকরা কাপড়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এবার কালো সুরমা নিয়ে ঐ কাপড়ে জড়িয়ে নিতে হবে। এবার করবী ফুল নিয়ে হামান দিস্তায় কুটে তার সাথে সুরমা দিয়ে একটা গোলা তৈরী করতে হবে। এই গোলাটা রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। এবার দশ সের ঘুঁটে নিয়ে জ্বালিয়ে ঐ আগুনে ওটা পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে ঐ গোলাটা বের করে নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে ঐ গোলাটাকে খলনোড়াতে পিষে একটি অভমন্ত্রিত সুরমা তৈরী করে নিতে হবে। এই ভাবে “বশীকরণ সুরমা” তৈরী হবে। সকালে স্নান করে দুই চোখেই কাঠির সাহায্যে সুরমা লাগিয়ে আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার কাছে যাবেন। সে স্বয়ং সম্মোহিত হবে। মনে রাখতে হবে যে সুরমা লাগিয়ে প্রেমিক বা প্রেমিকার ঘরে যাবার সময় পথে কারও দিকে তাকাবেন না বা কাহারো সাথে কথা বলবেন না। যদি কারো দিকে তাকান তবে সে সম্মোহিত হয়ে আপনার পিছনে ধাওয়া করবে।
(কেন, কখন, কাকে, কোথায় ও কিভাবে করবেন?)

Magical ring for girl impress (আংটি দিয়ে বশীকরণ প্রয়োগ)

 আংটি দিয়ে বশীকরণ প্রয়োগঃ

যদি কারও সাথে আপনার অত্যাধিক প্রেম হয় এবং আপনি প্রেমাস্পদকে সত্যিকারের ভালোবাসেন ও চান কিন্তু আপনার প্রেমিকা আপনাকে পাত্তা দিচ্ছে না। এমন হয় তবে চিন্তার কোনও কারন নেই এই ধরনের ব্যক্তির জন্য ইসলামী বশীকরণ তন্ত্রে এমনই এক বশীকরণ আংটি বানাবার পদ্ধতি আছে যাকে এই বশীকরণ আংটি দিবেন সেই আপনাকে পাগলের মত ভালোবাসতে শুরু করবে।
এই বশীকরণ আংটিকে বিধিপূর্বক বানিয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রয়োগ করলে প্রেমে আপনার সফলতা নিশ্চিত। এর প্রয়োগ আপনি শুধু তার ভালোবাসা পাবেন তাই নয় সে চিরকাল আপনার অনুগত থাকবে। দেখা যাক এ আংটি কিভাবে বানাবেন।
আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার অনামিকার মাপ আন্দাজ মত নিতে হবে। এবার শুদ্ধ রুপার আংটি তৈরী করতে হবে। এই আংটির সামনের দিকে মোমের সাথে সিন্দুর মিশিয়ে তার একটা গুলি তৈরী করে লাগিয়ে দিতে হবে। এবার ঐ আংটিতে রোজ ৪০ বার করে ২১ দিন “কুলহু আল্লাহু আহাদ” অর্থাৎ সুরা ইখলাস এবং আয়াতুল কুরসী পড়ে আংটিকে অভিমন্ত্রিত করতে হবে। ২১ দিন বাদে এই অভিমন্ত্রিত আংটিটি কোনও ভাবে চেষ্টা করে উক্ত প্রেমিক বা প্রেমিকার আঙ্গুলে পরাতে পারলে সে বশীভুত হবে। এই চমৎকার বশীকরণ আংটির প্রভাবে আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা আপনার বশীভুত হবে ও আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাবে। এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর ও প্রভাবশালী বশীকরণ।

(কেন, কখন, কাকে, কোথায় ও কিভাবে করবেন?)

Magical aroma for love (সুগন্ধী বশীকরণ)

বশীকরণ সুগন্ধী প্রয়োগঃ

কাউকে বশীকরণের জন্য বশীকরণ গন্ধও প্রাচীন কাল হতেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আমরা জানী সুগন্ধ এমনিতেই অন্যকে আকৃষ্ট করে, বিজ্ঞান বলে পুরুষের শরীরের এক ধরনের গন্ধই বিপরীত লিঙ্গকে আকৃষ্ট করার জন্য বিশেষ ভাবে দায়ি, তবে এক জনের গন্ধ সকলকেই আকৃষ্ট করবে এমন কিন্তু নয়। আমরা আজ যে বশীকরণ গন্ধ তৈরীর কথা বলছি সেটি একই সংগে এক ধরণের সুগন্ধ সেই সাথে আপনার নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে আকৃষ্ট করার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবে। এটি তৈরীর প্রকৃয়া নিম্নরুপ-
বশীকরণ গন্ধ বাবার জন্য চামেলি, গোলাপ, মোগরা ইত্যাদি যে কোনও সুগন্ধি ফুলের গন্ধ ব্যবহার করা যায়। এরপর সুরা মুজাম্মিল ১১ বার জোরে তেলাওয়াত করবে, এবার ১১ বার যে কোনও দরুদ শরীফ জোরে পাঠ করবে এবং সেই সুগন্ধিতে ফুঁ দিবে। এই ভাবেই প্রেমের জন্য সুগন্ধি তৈরী হবে, এবার এই গন্ধ শরীরে মেখে বা অন্য কিছুতে করে যাকে শুকতে দিবে সেই বশিভুত হবে।
(কেন, কখন, কাকে, কোথায় ও কিভাবে করবেন?)

Attraction with Kajal (কাজল দিয়ে বশীকরণ)

পুরুষ বশীকরণে কাজলের প্রয়োগঃ

ভালোবাসা কাজল বা বশীকরণের কাজল মূলত কাউকে বশীকরণের জন্যই ব্যবহৃত হয়। এই কাজল সাধারণ না এটি অতি বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী হয়। এই কাজলকে শুধুমাত্র বশীকণে বা সম্মোহনের জন্যই ব্যবহার করা হয়। সামান্য কারণের জন্য এর প্রয়োগ করা নিষেধ। এটি বানাবার নিয়মাবলী আমরা আপনাদের জানাবো। তবে একটি কথা মাথায় রাখা জরুরী যে গুরু ছাড়া এ সকল কাজ করে তেমন কোন ফল আশা করা অনর্থক।
সর্বপ্রথম কোন জায়গা থেকে খুঁজে এমন একটি বিড়াল আনতে হবে যার সারা দেহ কালো লোমে ঢাকা। এরুপ বিড়াল পেলে তার গোঁফ কেটে নিজের কাছে রাখতে হবে। এবার এই চুলগুলি তুলো সহ পাকিয়ে পলিতা তৈরী করে তা ঘি এর প্রদীপে দিতে হবে। মধ্যরাতের পরে ঐ প্রদীপকে একটি নিরিবিলি ঘরে নিয়ে গিয়ে নিজ প্রেমিক বা প্রেমিকার ঘরের দিকে মুখ করে প্রদীপটা রাখতে হবে এবং প্রদীপের পলিতায় আগুন দিতে হবে। এই প্রদীপের উপর কোনও বড় বা কাঁচ রেখে কাজল তৈরী করতে হবে। যতক্ষণ প্রদীপ জ্বলবে ততক্ষণ নিচের মন্ত্রটি জপ করতে থাকবে।
মন্ত্রঃ “কালী কালী মহাকালী, কালী চলে আঁধীরাত, কালী বসে আঁধীরাত, কালী লাবে মহাকালী উসে মেরী মুহব্বত মেঁ দীবানা বানায়ে।”
এই বিধিমেনে কাজলটি তৈরী করে নিজের চোখে লাগিয়ে আপনি যাকে ভালোবাসেন তার নিকট গেলে সে আপনাকে দেখলেই আপনার প্রতি তার ভালোবাসা সৃষ্টি হবে।
(কেন, কখন, কাকে, কোথায় ও কিভাবে করবেন?)

বশীকরণ কি? কেন, কখন, কাকে, কোথায় ও কিভাবে করবেন?

বশীকরণ কি? কেন, কখন, কাকে, কোথায় ও কিভাবে করবেন?

আমাদের আজকের বিষয়টি তান্ত্রিকতার সবথেকে জনপ্রিয়, অত্যাধিক ব্যবহৃত, বিশ্বের সকল স্থানের সকল সময়ের শ্রেষ্ট চাহিদা সম্পন্য তদবীর বা তন্ত্র যার নাম বাংলায় “বশীকরণ/বশিকরন”। আজ আমরা জানবো বশীকরণ কি ? কেন, কাকে, কখন, কিভাবে বশীকরণ করা যায় বা করবো। এবং এ বিষয়ের উপর সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় পর্যায়ক্রমে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
বশীকরন-একটি তান্ত্রিক বা আধ্যাত্মিক প্রকৃয়া যা দ্বারা একজন মানুষের স্বাভাবিক বিরুপ মনকে মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, দোওয়া, তাবিজ, টোনা, টোটকা ইত্যাদি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের প্রতি আকৃষ্ট বা আয়ত্বে আনা যায়। মনে রাখতে হবে- মানুষের মন কোন যন্ত্র চলিত ইঞ্জিন নয়, যে এর কোন একটি পার্টস পরিবর্তন করে দিলেন আর সাথে সাথে আপনার পিছু ধাওয়া করলো। তবে হ্যা এটিও সত্য যে বর্তমান হিপনোটাইজ, মেসমেরিজম, ত্রাটক ইত্যাদির দ্বারা সাময়ীক ভাবে একজন মানুষের সম্পূর্ণ জ্ঞান, বোধ, বুদ্ধি হরন করে তাকে দিয়ে তাৎক্ষণিক কোন কার্য সম্পাদন করানো যায়। (এ বিষয় বিস্তারিত প্রশিক্ষণ ও আলোচনা আমাদের অন্য একটি অধ্যায়ে করা হয়েছে) তবে সেটি বশীকরণ নয়। বশীকরণ করতে অবশ্যই সময়ের প্রয়োজন সময় লাগবেই, কারন এটি তো অন্য কিছু নয়, মানুষ্য মন, যে মনের জন্যই আজ সে আঠারো হাজার মাখলুখের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার, এটিকে পরিবর্তন হতে কিছু সময় নেওয়াটাই স্বাভাবিক, না নেওয়াটা ভন্ডামী। তদবীরের প্রখরতার উপর নির্ভর করে ৭-১৮০ দিন কিংবা তার বেশি সময়ও লাগতে দেখা গেছে। একটি মানুষকে বশীকরণ করার তদবীর যদি আপনি একজন সৎ তান্ত্রিক দ্বারা করিয়ে থাকেন তবে আজ বা কাল বা একটি সময় সেই ব্যক্তি বশীকরণ হবেই হবে, এটি নিশ্চিত ধ্রব সত্য-কারন বিজ্ঞান বলে প্রতিটি কাজের একটি ফলাফল থাকতেই হবে, সেটা যেমন’ই হোক।
কেন একজনকে বশীকরণ করবো বা করা হয়, এর প্রয়োজনীয়তা কি? মানুষ সামাজিক জীব, সমাজে বাস করতে তাকে সকলের সাথে মিশতে হয়, প্রয়োজনের তাগিদেই অন্যের সাথে সখ্যতা তৈরী করতে হয়। আবার হৃদয় ঘটিত ব্যপার তো রয়েছেই। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, মানুষের নিজ স্বার্থের প্রয়োজনে যখন একজন মানুষকে অনেক বেশি প্রয়োজন পরে আর সেই ব্যক্তিটি তার আহ্বানে সারা না দেয় তখনি বশীকরণ করার চিন্তা বা প্রয়োজনীয়তা দেখা যায়। শুধু তাই নয়, স্বামী স্ত্রীর সর্ম্পক্যের মাঝেও তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশের কারনে বা মন মালিন্যের কারনে বিভেদ সৃষ্টি হয়। আপনি বিবাহিত অথচ অন্য আরেকটি মেয়েকে বা অন্যের স্ত্রীকে হটাৎ পছন্দ হয়ে গেলো, আপনার স্বামী হয়তো আপনার শারীরিক, মানুষিক বৈষয়িক কোন চাহিদা মেটাতে অপারগ এমতাবস্থায় আপনি অন্যের প্রতি আকর্ষিত হয়ে পরলেন এমনি হাজারো পরকীয়া ঠেকাতে, পরকীয়া করতে। আপনার সন্তান আপনার অবাধ্য, আপনার পিতা/মাতা আপনার অন্য কোন ভাই/বোন/ বোন জামাইয়ের প্রতি আসক্ত আপনাকে পাত্ত্বা দেয় না। আপনার ভাই বোনের সাথে আপনার মিল হচ্ছে না। আপনি হটাৎ কোথাও বেড়াতে গিয়ে কোন রূপসী যুবতী/যুবকের প্রতি আসক্ত, হতে পারে সে নেহায়েৎ গরিব ঘরের যে কারনে আপনার সাথে সর্ম্পক্য করার সাহস পাচ্ছে না। এমনও হয় সে উচ্চ বংশের আপনাকে পাত্তা দিচ্ছে না। সে অন্য পুরুষ বা মেয়েতে আসক্ত, তবুও আপনি তাকে পেতে চাইছেন। আপনার অফিসে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আপনার বস আপনার  প্রতি সহানুভুতিশীল নয়, অন্যের প্রমোশন হচ্ছে আপনার হচ্ছে না, আপনার সহকর্মী যে আপনার ফেভারে থাকলে আপনার সুবিধা হতো কিন্তু সে আপনার প্রতি বিরুপ। আপনি রাজনীতি করেন কিন্তু আপনার প্রতি আপনার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের তেমন একটা সু নজর নেই, আপনি আপনার যোগ্য স্থান পাচ্ছেন না। আপনি কোন মেয়ে বা ছেলে কে জান প্রাণ দিয়ে চাইছেন কিন্তু তাকে কোন ভাবেই বোঝাতে বা বলতে পারছেন না। আপনি এমন একজনকে পছন্দ করেন যে কি না সর্ম্পকে আপনার সামজস্যপূর্ন নয়, যে সর্ম্পক্যটি অসামাজীক, তবুও আপনি চাইছেন, সে আপনার ধর্মের বা গোত্রের না, যা সমাজ বিরোধী যে কারনে বিপরীত ব্যক্তিটি আপনার আহ্বানে সারা দিচ্ছে না, আপনি যাকে চাইছেন সে আপনার বয়েসে অনেক বড়, ছোট, গরিব, বড়লোক, ভিন্ন ধর্মের, দেখতে সুন্দর, কুৎসিত, সামাজীক স্ট্যাটাস অনেক উঁচু, নিচু ইত্যাদি হাজারো ভিন্নতার কারনে বিপরিত ব্যক্তিটি আপনার প্রতি বিরুপ, বিতৃষ্ণ, সাড়া দিচ্ছে না সে সকল ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ বশীকরণ। এর মাধ্যমে নিজের ইচ্ছের সাথে তার ইচ্ছের সংমিশ্রন ঘটানো হয়, বা ঘটাতে বাধ্য করা হয়। এই বশীকরণ যে সকল সময় মঙ্গলের জন্যই করা হয়ে থাকে তা কিন্তু নয় অনেক সময় দেখা যায় নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য, অসৎ উদ্দেশ্য চারিতার্থ করার জন্য, অসামাজিক কার্যকলাপের জন্যেও কিছু অসাধু ব্যক্তি করে থাকে। যা সকল সময় সমাজের জন্য হিতকর নাও হতে পারে, আবার কোন ক্ষেত্রে একজনের জীবন বাচানোর তাগিদেও বশীকরণ জরুরী হয়ে পরে। যাই হোক এ সকল ক্ষেত্রেই আমরা বশীকরণের প্রয়োগ দেখতে পাই।
এখানে আমরা জানলাম কেন এবং কাকে বশীকরণ করার প্রয়োজন হয় এবার আলোচনা করবো কখন কি ভাবে করা হয় বা হবে। অনাদীকাল হতেই এই কাজটি সমাজের তান্ত্রিক, ফকির, বেদে, পীর, ওঝা, হুজুর, মাওলানা, আধ্যাত্মিক সিদ্ধ পুরুষ এই সকল সম্প্রদায়ের লোকেরাই করে থাকে। কারন এই কাজগুলো আমরা সাধারন মানুষ জানলেও তা করে তেমন ফল পাওয়া যায় না। এই কাজগুলোতে সাধারনত গ্রামীন সমাজ টোনা, টোটকা, জড়ি, বুটি, তাবিজ, কবজ ইত্যাদি ব্যবহার করে আসছে।
আমাদের সর্বসাধারনের আজ এটি জানা অত্যান্ত জরুরী যে কি কি দ্বারা বশীকরণ করা হয়ে থাকে- বর্তমান সময়েও দেখা গেছে তাবিজ, কবজ, যন্ত্র সাধারন ভাবে গাছের উপর টাঙ্গিয়ে, গাছের গোড়ায় পুঁতে, কিছু খাওয়ানো, শরীরে র্স্পশ্য করে, পায়ের নিচে, বিছানায় মাথার নিচে রেখে, ঘরে রেখে, বাড়ীতে কোথাও টাঙ্গিয়ে, নিজের সাথে গলায় বা হাতে ব্যবহার করে, শ্মশানে/কবরস্থানে, বহমান নদীতে, জঙ্গলে পুঁতে, বিভিন্ন প্রাণীর অংশ বিশেষ ব্যবহার করে, শরীরের ব্যবহৃত কাপড়, চুল, নখ, গাত্র ময়লা ইত্যাদি সংগ্রহ করে, ছবি, নাম, জন্ম তারিখ, পিতা মাতার নাম দিয়ে। চোখে চোখ রেখে তাকিয়ে থেকে, কথার মাধ্যমে তান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিপরীত লিঙ্গকে বশীকরণ করা হয়, আর সাধারন ভাবে কোনও ব্যক্তি তার রুপ, গুন, অর্থ সম্পদ ইত্যাদি দিয়েও অন্যকে প্রভাবিত করে থাকে। কিন্তু বর্তমান সময়ে একটি প্রতারক ভন্ড তান্ত্রিক সম্প্রদায় সর্বসাধারনের মাঝে একটি কথা বেশ জোড়ালো ভাবেই ছড়িয়েছে যে নানা রকম আসন, চালান দ্বারা, জ্বীন, পরী, কালী সাধনা দ্বারা অন্যকে বশীকরণ করে দেয়। মনে রাখবেন এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভুয়া একটি কথা, সাধারনের মস্তিষ্কে এটি বর্তমানে একটি ভাইরাসের মতই ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এ ভাবে অন্যকে বশীকরণ করা যায় বা হয়।
দেখুন এই সাধনাগুলো (জ্বীন, পরী, কালী বা এ ধরনের শক্তি সাধনা) মূলত যারা বা যেনারা করে থাকে তা একান্তই ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য নিয়ে। কখনই এ সকল শক্তি সাধক ব্যক্তি আপনাকে এই শক্তির দ্বারা আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে বশীকরন করানো কাজ করবে না বা করানো সম্ভব নয়। কারন যে শক্তি আপনার নিয়ন্ত্রনাধিন নয়, যে শক্তি সাধন করতে আপনাকে সময় শ্রম অর্থ ব্যয় করে তার অনুগ্রহ লাভ করতে হয়, সেই শক্তিকে কোন ভাবে কি ভৃত্যের কাজ করানো সম্ভব??? হ্যা এ কথা সত্য যে আপনি যদি এমন কোন শক্তির সাধনা করেন, যদি আপনি এ শক্তির নিয়ন্ত্রক হয়ে থাকেন তবে তার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রয়োজনানুসারে কোন স্বার্থ হাসিল, সম্পদ লাভ, কাউকে পছন্দ করলে তাকে নিয়ন্ত্রন করা ইত্যাদি করলেও করতে পারেন। কিন্তু তাকে আপনি কোন ভাবেই দাস বানাতে পারবেন না। অথচ আমাদের সমাজে এক শ্রেনীর অসাধু তান্ত্রিক নামধারী সর্বসাধারনের আবেগ অনুভুতী নিয়ে প্রতারনার ফাদ পেতে এটি বোঝায় যে তার নিকট জ্বীন, পরী, কালী ইত্যাদি রয়েছে এবং সে এই শক্তির দ্বারা নিমিশেই (কয়েক ঘন্টা বা কয়েকদিনেই আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার বশে এনে দিবে)। একটি কথা মনে রাখবেন বর্তমান যুগে যে সকল তান্ত্রিকতা করা হয় বিশেষ করে তাবিজ, কবচ/কবজ, যন্ত্র ইত্যাদি করতেও একজন মানুষকে যতটুকু ন্যায়, নিতিবান, সৎ সিদ্ধ পুরুষ হতে হয়, আত্মিক সংগতি, আধ্যাত্মিকতার প্রয়োজন পড়ে বর্তমান সমাজে তার বড়ই অভাব। আমাদের গবেষনায় ও বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে বড় বড় সাইন বোর্ড ধারী অসংখ্য তান্ত্রিক নামধারী ব্যক্তি যারা বোম্বায়, দিল্লী, মাদ্রাজ, কলকাতা, ঢাকা, চট্টগ্রামের মত বড় বড় শহরে স্থাপনা গেড়ে বসে রয়েছে তেনাদের ৯৮% তান্ত্রিক’ই ফেইক। অনলাইন জগতে ইদানিং কালে অসংখ্য তান্ত্রিক সোস্যাল মিডিয়ায়, ওয়েব সাইড দিয়ে বসে রয়েছে যাদের মধ্যে অষ্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের ২-১ টি ছাড়া সকল সাইড ভুয়া ও ফেইক, যার অধিকাংশ সাইড অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক কিছু ছেলেদের দ্বারা কপি পেষ্ট তৈরী নতুবা প্রতারনার ফাঁদ। এ বিষয় কোন সাহায্য নিতে বা তদবীর করানোর পূর্বে অবশ্যই সাইডগুলোর জন্ম হিষ্ট্রি দেখে তদবীর নেওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো। নতুবা আপনার মূল্যবান সময়, শ্রম, অর্থ, চোখের জ্ল সকল কিছুই বৃথাই নষ্ট হবে।
সাধারন ভাবে দেখা গেছে বর্তমান যুগে পানি পড়া, মিষ্টি পড়া, ধূলা পড়া, পান পড়া, ফুল পড়া ইত্যাদি সহ যে কোন ধরনের তাবিজ, কবজ, গাছে টাঙ্গিয়ে, শ্মশানে বা কবরে পুতে, নদীতে ফেলে তার ফল পেয়েছে এমন মানুষ খুজে পাওয়া আর ডায়নোসর খুজে পাওয়া সমান। তবে এখনো যে এ সকল তদবীর হয় না সেটি বলা হচ্ছে না, বর্তমান সময়ে আমরা যদি মিডিয়ায় নজর রাখি তবে হয়তো আমরা দেখবো অনেক অনেক তান্ত্রিকতা সচল রয়েছে তবে তার প্রয়োগ বিধি পরিবর্তীত হয়েছে। ইউটিউব ভিডিওতে, এ্যন্ড্রোয়েড এ্যপে এমন হাজারো বশীকরণ তদবীরের দেখা মেলে কিন্তু বাস্তবিকে এ সকল কিছুই ভূয়া বা ফেইক, এগুলো দেখে বা এর পিছনে সময় শ্রম অর্থ নষ্ট করা সম্পূর্ণই বৃথা।
তাহলে কি ভাবে আপনি কাউকে বশীকরণ করবেন ? প্রথমত আপনাকে একটি কথাই পুনরায় বলবো আর তা হচ্ছে আপনার উর্বর মস্তিষ্ক্য ব্যবহার করুন, নিজের চিন্তার উন্নতি ঘটান, দৃষ্টি শক্তির প্রসার ঘটান তবে হয়তো এ সকলের মধ্যে সত্যিকারের তান্ত্রিকদের খোজ আপনি পেয়ে যাবেন। যার দ্বারা আপনার মনোরথ পূর্ণ হবে। যে আপনার মনের মানুষটিকে আপনার মনের সাথে মিলিয়ে দিবে। কখনই এই একটি বিষয় তারাহুড়ো করবেন না। মনে রাখা জরুরী তান্ত্রিক বিদ্যা বা কাজ গুরুমুখি, গোপন বিদ্যা। বিধায় আপনি কোন তান্ত্রিকের নিকট যাচ্ছেন আপনার বাবা, মাকে, বন্ধু বান্ধব বা আত্মিয় পরিজনকে সাথে নিয়ে তাদের বলে যাচ্ছেন তো আপনার কাজটি হবে না। হওয়ার সম্ভবনা নেই, আধ্যাত্মিক কাজ বিশেষ করে বশীকরণের ক্ষেত্রে আপনি যাকে বশীকরণ করছেন অদুর ভবিষ্যতে তাকেও আপনি এ ব্যপারে বলতে পারবেন না। এই কাজগুলো একাই করতে হয়। যদি স্রষ্টাকে বিশ্বাস করেন তবে একটি বিষয় উপলব্ধি আছে নিশ্চয়, কাউকে বলে যদি আপনি স্রষ্টার নিকট কিছু চান তবে তা কখনই পূরণ হবে না, আপনাকে তার কাছে চাইতে হবে গোপনে, সকলের অগচরে, একান্তই নিজেস্ব ভাবে অন্তরের সমস্ত আকুতি দিয়ে। তান্ত্রিক কাজ করানোর পূর্বে যার নিকট কাজটি করাচ্ছেন তার উপর আপনার পূর্ণ বিশ্বাস আস্থা থাকাটাও অত্যন্ত জরুরী। কেননা বিশ্বাসের নুণ্যতম ঘাটতিও আপনাকে সফল হওয়া হতে পিছিয়ে দেবে।
বর্তমান সময়ে কিছু আধুনিক রীতিতে তান্ত্রিক নিয়ম প্রয়োগ হচ্ছে, যার সাথে রয়েছে হিপনোটাইজম বা ত্রাটকের কিছু অংশ্য, এতে দূরে থেকে কিংবা কাছে থেকে যে কোনও ভাবেই বিপরীত লিঙ্গকে খুব সহজেই কনভেন্স করা যাচ্ছে। তবে আপনার এও যানা উচিৎ সকলের ক্ষেত্রেই সকল প্রয়োগ সমান নয়, বিশেষ করে আপনি যাকে বশীকরণ বা কনভেন্স করবেন সে কোন শ্রেনীর ব্যক্তি বা নারী সেটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারন কখনই একটি সাধারন অল্পশিক্ষিত, সকলের সাথে সমান ভাবে মেশা নারীকে বশীকরন করা আর একটি শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত ঘরের নারীকে বশীকরণ করা এক কথা বা একই কাজ নয়, একজন সাধারন পুরুষকে বশীকরণ করতে যে শক্তি সময় শ্রম ব্যয় হয় একজন জনপ্রতিনিধিকে বশীকরণ করতে তার চাইতে অনেক বেশি সময় শ্রম শক্তির ব্যয় হবে, আর এটাই স্বাভাবিক। পূর্বের ন্যায় বর্তমান সময়ে ১০-২০ টাকা হাদিয়ায় হুজুরদের তাবিজে কাউকে বশ করা সম্ভব হয় না। কেউ করেও দিবে না। এ বিষয়গুলো মানতে হবে। আপনি যাকে আপনার জীবনের চাইতে বেশি চাইছেন তার ভালোবাসার নিকট অবশ্যই আপনার অর্থ ও শ্রম মুখ্য হওয়া উচিৎ হবে বলেও আমরা মনে করি না। একজন রাজনীতিবীদ নির্বাচনে জয়লাভ হতে জনগন ও জনপ্রতিনিধিদের কনভেন্স করার প্রয়োজন পরে এমন স্থানে যদি সে মনে করে একটি মাজারে ১০০-২০০ টাকা হাদিয়া দিয়ে একটি তেলেসমে কারামতি মিশরীয় বশীকরণ কবজ বা আজমির/ফুরফুরা শরীফের নামী কোন তাবিজ হাতে পড়লেই কুল্লু খালাসুন তবে তাকে বুদ্ধিমান বলা উচিৎ হবে না।
আমরা সর্বসাধরণের উদ্দেশ্যে বলবো বশীকরণ কখনই সকলের জন্যই একই রিতি নয়, প্রয়োজনের তাগিদে একজনকে বা একের অধিকজনকে একই সংগে বশীকরণ করার প্রয়োজন পরতে পারে, সকল ক্ষেত্রেই একই তন্ত্র বা বিধি কার্যকারি নয়, একজন পুরুষ ও একজন নারীকে বশীকরণের তদবীর কখনই একই নয়। একই সংঙ্গে ঘুরে বেরানো দুই বান্ধবিকে কনভেন্স করতে একই তদবীর কাজ হবে এমন সম্ভবনা শুন্য। বশীকরণ বিদ্যা মিথ্যা নয়, নতুবা আপনার আমার পূর্বপুরুষগণ সকলেই মিথ্যা প্রমানিত হবে। তবে পূর্বে যা যত সহজ ছিলো এখন তত সহজ নয়, পূর্বে যা যে ভাবে মিলতো এখন তা সেভাবে মিলে না, এ সকল কিছু আপনাকে মানতে হবে জানতে হবে।  আপনারা যারা আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল নন, তেনারা আমাদের ওয়েবে প্রদত্ত স্বয়ংসিদ্ধ কিছু টোটকা রয়েছে সেগুলো সঠিক নিয়মে করে দেখতে পারেন প্রয়োজনে আমাদের সাহায্য নিয়ে করতে পারেন, কারন আপনি যখন নিজের কাজ নিজে করবেন সেখানে থাকবে আপনার গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ, যার জন্য করছেন তাকে পাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছে, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, বিণয় বিধায় কাজটি হলেও হতে পারে এবং হওয়ার সম্ভবনাই ৯০%, যেনারা সময়, শ্রম,  প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট কালেক্ট করতে অপারগ, ধর্মিয় আচার বিধি নিশেধ থেকে সর্বদা দুরে রয়েছেন তারা নিজেরা করে তেমন ফল পবেন না। বিধায় আমাদের স্বরনাপন্ন হতে পারেন নতুবা অবশ্যই ভালো ভাবে দেখে শুনে কোন সৎ যোগ্য তান্ত্রিকের নিকট গিয়ে মনের আকুতি জানাবেন, তার যথাযথ সন্মানী প্রদান করবেন, তাহলে সে চাহে তো আপনার কাজটি অনায়েসে করে দিবে। আমরা চাইনা কেউ সারাটি জীবন তার প্রিয় হারানো বেদনা বুকে বয়ে নিয়ে বেড়াক, বা কোনও প্রতারকের ক্ষপ্পরে পরে সর্বশান্ত হয়ে আজীবন তান্ত্রিকতা ভুয়া, ভন্ডামী এসব কাজ হয় না, সব তান্ত্রিক ফেইক এসব বলে বেরাক। আমরা এ কারনে আপনাদের সাধ্য ও আকাঙ্খার বিচারে প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ফ্রিতেও কাজ করে দিতে প্রস্তুত তবে মনের আগ্রহ বা সন্দেহ মেটাতে কাজ করতে প্রস্তুত নই।
আপনারা আমাদের এই বশীকরণ বিষয়ক পোষ্টটিতে কিঞ্চিৎ উপকৃত হলে আমাদের শ্রম সার্থক হবে বলে মনে করছি। সকলের মঙ্গল কামনা রইলো।

Trataka (ত্রাটক)

“Trataka is the Great option for going to spiritual world”

(ত্রাটক’ই সবচেয়ে বড় উপায় আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশের জন্য)

Today is going to be observed in a variety of English, Bengali blog or Facebook page “Trataka” relating to the various posts have been several false explanation. Everyone should be aware of an issue, The best information about your child will be with you, not to anyone outside. Just as “Trataka” in pursuit of the name of our institution, therefore, subject to various side of copy and paste, or something bizarre promotes Great science Whoever tries to undermine the reputation of the thieves avoid liability. We Tantra, mantra, Dua, amulets, Conquest, life-threatening, attractions, Nutrition, ban vidya, separation of the various issues with the service have been the last 7 years, and the new extremely Tantrik Baba, a saint, saints, etc., of recent times extensive going to said. Most of the fake. We have warned you many times on the subject. Tantra Sadhana, Vidya Tantra, mantra science, Power in pursuit of these things any invention is not, or not in the video he saw on Facebook mantra he read, and you’re good to celebrities, long-lasting times before our ancestors in this world, wandering, and hard work, sacrifices, pains as a result of a rules and regulations have collected, enough for each of the Tantric way with these remedies, believe, patience, self-restraint of devotion Like a blooming flower mixture will provide conclusive results. Otherwise all would labor in vain. And why some of our guru, their experience, hard work, Trataka intellectual achievements made by adjusting some rules and regulations. Which is purely confidential and secure. So far, so far, we have provided as many as those who are in pursuit of an important title for trataka did not matter. Because when they Practice necessarily used their interest in things to focus on when it is supposed to. It’s true that in any other saint, a Trataka Tantra, mantra, pursuit, amulet, charm, presence, invoice, etc. need to do after the meeting. Trataka pursuit Basically, such a power worship where his todbiya eye to expose the opportunity, and we are also well known in his todbiya eye unveiled to his own Self power developed to its at Self power use of force to know that he is very respond will become . However, it should be here to remember or manipulation is not a game, The public will be presented in front of the stage show or not to show his power. It’s Self power.

“Trataka is the Great option for going to spiritual world”

(ত্রাটক’ই সবচেয়ে বড় উপায় আধ্যাত্মিক জগতে প্রবেশের জন্য)

আমরা ইদানিং লক্ষ করছি, বাংলা বা ইংরেজিতে বিভিন্ন ব্লগ সাইট বা ফেসবুক পেইজে, ত্রাটক সর্ম্পকিত বিভিন্ন পোষ্ট সেই সাথে বিভিন্ন ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। একটি বিষয় সকলেরই জানা থাকা উচিৎ, আর সেটি হচ্ছে আপনার সন্তানের সর্ম্পক্যে সবচাইতে ভালো তথ্য আপনার নিকট’ই থাকবে, বাইরের কাহারো নিকট নয়। ঠিক তেমনি ত্রাটক সাধনা এবং এই নামটির জন্ম আমাদের প্রতিষ্ঠান বিধায় বিভিন্ন সাইডে এর বিষয় কপি পেস্ট করে বা উদ্ভট কিছু প্রচার করে যদি কেউ এই মহাবিদ্যার সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করে তবে তার দায়ভার কে নিবে? আমরা তন্ত্র, মন্ত্র, দোওয়া, তাবিজ, বশীকরণ, মারন, আর্কষণ, পুষ্টিকর্ম, বানবিদ্যা, বিচ্ছেদ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সেবা দিয়ে আসছি আজ বিগত ৭ বছর যাবৎ, আর নব্য ভুইফোর তান্ত্রিক বাবা, পীর, সাধক ইত্যাদির জন্ম ইদানিং কালে ব্যপক হারে বেরেই চলেছে। যার অধিকাংশই ভুয়া। আমরা আপনাদের বার বার এ বিষয় সর্তক্য করেছি। তন্ত্র সাধনা, তন্ত্র বিদ্যা, মন্ত্র বিদ্যা, শক্তি সাধনা, এ সকল কিছু কোনো মনগড়া বিষয় নয় বা এমন নয় যে আপনি ভিডিও দেখলেন ফেসবুকে মন্ত্র জপ করলেন পড়লেন, করলেন আর আপনার কাজ হাসিল হয়ে গেলো, অনাদি কাল হতেই আমাদের পূর্বপূরুষগণ এই জগতে বিচরণ করছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম, ত্যাগ, তিতিক্ষার ফলে এক একটি বিধি বিধান সংগ্রহ করেছেন, প্রতিটি কাজের জন্য যথেষ্ট নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে প্রতিবিধান করলে সেই সাথে আপনার বিশ্বাষ, ধৈর্য্য, সংযম একনিষ্ঠতার একন্ত সংমিশ্রনেই তার একটি প্রস্ফুটিত ফুলের ন্যায় ফল প্রদান করবে। নতুবা সমস্ত শ্রম হবে বৃথা। আর সে কারনেই আমাদের কতিপয় গুরুগণ তাদের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম, মেধা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন ত্রাটক সাধনার কিছু সময় উপযোগি বিধি বিধান। যা একান্তই গোপনীয় ও সুরক্ষিত। আমরা এ যাবৎ পর্যন্ত যতজন শিশ্যকে ত্রাটক সাধনা প্রদান করেছি তারাও কেই সম্পূর্ণ বিষয় পায়নি। কারন তারা তাদের প্রয়োজনানুপাতে প্র্যাকটিস করে যখন উদ্দেশ্য সাধন হলেই নিজ স্বার্থে ব্যবহৃত বিষয়গুলোতেই মনোনিবেশ করে থাকে। এ কথাটি সত্য একজন ত্রাটক সাধকের কখনো অন্য কোনো তন্ত্র, মন্ত্র, সাধনা, তাবিজ, কবজ, হাজিরি, চালান, বৈঠক ইত্যাদি দেওয়ার প্রয়োজন পরে না। ত্রাটক সাধনা মুলত এমনই এক শক্তির আরাধনা যেখানে ব্যক্তি তার তৃত্বীয় নেত্র উন্মোচনের সুযোগ পায়, আর আমরা এটিও ভালো ভাবেই জানি ব্যক্তি যদি তার তৃত্বীয় নেত্র উন্মচন করতে পারে, তার স্বীয় আত্বশক্তি বিকাশিত করতে পারে, তার আত্বলৈাকিক শক্তির ব্যবহার জানতে পারে তবে সে অতি মানবে পরিনত হবে। তবে এখানে স্বরন রাখতে হবে ইহা কোনো ম্যজিক বা হাতের কৌশলের খেলা নয়, যা সর্বসাধারনের সামনে ‍উপস্থাপন করবেন বা স্টেজ শো করে এর ক্ষমতার প্রদর্শনী করবেন। ইহা নিজস্ব আত্বশক্তি।

Enchantment (বশীকরণ)

Enchantment (বশীকরণ)

সর্বপ্রথম যেটি আমাদের সকলের জানা প্রয়োজন সেটি হচ্ছে বশীকরণ আসলে কি ? কেনই বা এই বশীকরণ আমাদের ব্যক্তি জীবনে বা সমাজ জীবনে প্রয়োজন পরে? আমরা হয়তো অনেকেই এই কথাটির সাথে পরিচিত, এক বাক্যে এটিও জানি কাউকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা বাধ্য করাকে বশীকরণ বলা হয়। সমাজে এই কথাটির উপর ভিত্তি করে এক শ্রেনীর অসাধু তান্ত্রিক আমাদের ভাবাবেগে আপ্লুত দুর্বল হৃদয়কে পুঞ্জি করে জঘন্য ব্যবসা করে যাচ্ছে, সর্বশান্ত করছে আমাদের অনেক কেই, ভেঙ্গে দিচ্ছে আমাদের বিশ্বাসের ঘর।
বশীকরণ- বশকরা, হিপনোটাইজ করা, বাধ্য করা, নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা, কাউকে নিজের প্রতি দুর্বল করাকেই বশীকরণ বলা হয়  এটি সত্য। তবে আমাদের বুঝতে হবে, আঠারো হাজার মাখলুকের মধ্যে আমরা শ্রেষ্টত্ব লাভ করেছি আমাদের একটি মন আছে বিবেগ আছে বুদ্ধি আছে সেই কারনেই। কোনো মানুষকে কোনো ভাবেই নিমিষেই নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য আমাদের সমাজে যে ঝার/ফুক, তাবিজ/কবজ, টোনা/টোটকা করা হয়ে থাকে তা দ্বারা সম্ভব নয়।
অনাদি কাল হতেই বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই কিছু প্রথা চলে আসছে জাদু, মন্ত্র, টোনা, টোটকা, তন্ত্র, তাবিজ, কবজ, পশ্চিমা দেশগুলোতে White magic, Black magic, witchcraft, যা বিভিন্ন শ্বশানে পূতেঁ দেওয়া, কবরে পূতেঁ দেওয়া, বড় গাছে টাঙ্গানো, নদীর পানিতে ভাষানো, চুলোর আগুনে জালানো, মাটি বা কাপড়ের পুতুল বানিয়ে তাতে কাঁটা বা সুচ বিদ্ধ করা, মেয়ে বা ছেলের মাথার চুল সংগ্রহ, মিন্সট্রিশনের সময় তার পরিধেয় কাপড় জোগার করে তাতে তাবিজ লিখা, পায়ের নিচের মাটি সংগ্রহ করার মত নানা রকম নিয়ম।
আমরা শিক্ষিত হয়েছি, কিন্তু সুশিক্ষিত হতে আজও পারলাম না, কারন আমরা আজও এই সকল পুরনো আমলের তথাকথিত তান্ত্রিকদের আচারে বিশ্বাস করে থাকি, যারা শতকরা ৯৫% ভুয়া ও ফেইক, কারন একটি সময় ছিলো যখন এ সকল কাজ হয়তো হয়েছিল,  কিন্তু বর্তমানে এ সবে কোনো কাজ বা তুক তাক হয় না সম্ভব’ই না। যারা এ সকল কাজ করে থাকে বিশেষ করে অন্যের দ্বারা করিয়ে থাকে তার ফল যে সম্পূর্ণই বিফল তা ১০০% সত্য।
কেনো বশীকরণের প্রয়োজন পরে- আসলে আমাদের স্বামী/স্ত্রীর সর্ম্পক্য, প্রেমীক প্রেমীকার সর্ম্পক্য, দুজন বন্ধুর সর্ম্পক্য, জগতে এ ধরনের যত একে অপরের সাথে  সুন্দর সুস্থ্য সর্ম্পক্য আছে তা যদি কোনো কারনে বিস্বাদে পরিনত হয়, ভেঙ্গে যায়, একে অপরের শত্রু হয়ে যায়, একজন অন্য জনার মুখ দেখতেও রুচি বোধ করে না, একজন অপর জনকে ধোকা দেয়, প্রতারনা করে তখন’ই আমাদের এক পক্ষের নিকট মনে হয় অপর জনকে বশীকরণ বা নিজের প্রতি আকৃষ্ট করতে। অনেক সময় এক তরফা ভালোবাসা দু তরফেই সৃষ্টি করার প্রয়োজনীয়তায় এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এবং এমন পরিস্থিতিতেই আমরা কেবল তান্ত্রিকদের দ্বারস্ত হয়ে থাকি।
দেখুন বর্তমানে পৃথিবীর সকল স্থানেই একটি বিজ্ঞান সম্মত উপায় রয়েছে একজন মানুষকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসার জন্য সেটি হচ্ছে হিপনোটাইজ। তান্ত্রিক ক্রিয়ায় যদি আপনি কাউকে বশীভুত করতে চান তবে অবশ্যই সেই ক্রিয়াটি আপনাকে নিজেকেই করতে হবে, তবে তা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ্য বিষয়, কোনো তান্ত্রিক, ওঝা, বা কামেল পীরও যদি বলে ৩ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা বা তিন দিনে একজন মানুষের বিরুপ মনকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করবে তবে সে একজন বড় মাপের জোচ্চর বই অন্য কিছু নয়। সাধারনত একজন মানুষকে বশে আনতে কয়েক মিনিট লাগে তবে সেটি দৃষ্টি বিনিময়ে, মনের আর্কষনে, একজন অপরজনকে পছন্দ করার কারনে, কারো কথায় বা আচরণে কনভেন্সের মাধ্যমে কিন্তু তথাকথিত জ্বিন চালান, বাটি চালান, আসন, ইত্যাদি ফেইক আইটেমে একজন তান্ত্রিক কখনই অন্য জনার মন কনভেন্স করে আপনার দিকে দিবে তা সম্ভব নয়।
আমরা প্রফেশনাল লাইফে দেখি অনেক সময় সাময়ীক দ্বন্দের কারনে দুজন মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির জন্য তারা দুরে সরে যায়, এতে একজন হয়তো কোনো পীর ফকির বা তান্ত্রিকের নিকট গিয়ে তাবিজ কবজ করে আসলো, একটি সময় বিপরীত লোকটি স্বাভাবিক ভাবেই তার ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসলো-বাস্ হয়ে গেলো সেই তান্ত্রিকের জয়ধ্বনী উচ্চারিত। আমরা কেনো বুঝিনা? এসব আপনার পার্টনারকে আপনার বিষয়টি বুঝিয়ে বলে দেখুন, তাকে কনভেন্স করার চেষ্টা করে দেখুন। যখন নেহায়েৎ’ই সে আপনার আয়ত্বে আসবে না তখন না হয় তান্ত্রিকের দ্বারস্ত হয়ে কিছু করার চেষ্টা করুন, কিন্তু মনে রাখবেন কোনো সৎগুরু বা তান্ত্রিক কখনই আপনাকে নির্দিষ্ট সময় দিবে না, সে তদবীর দিতে পারে, আপনাকে কাজ দিতে পারে, একটি সম্ভব্য সময় বেধে দিতে পারে এতোটুকুই। এর বেশি যিনি বলবে বিশেষ করে জীন চালান, ভুত চালান, আসন দেওয়া, কামরুপ কামাঙ্খার তাবিজ ইত্যাদি বাচাল কারি ১০০% ফেইক।
আমাদের নিকট আপনি যে ভাবে সেবা পাবেনঃ-
>> আমরা আপনাকে আপনার চাহিদানুসারে সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করবো, হিপনোটাইজ স্পেশালিষ্ট দ্বারা আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার মাধ্যমেই কনভেন্স করার চেষ্টা করবো, ত্রাটক সাধক দ্বারা তার মনের মাঝে সকল সময় আপনার চিন্তা উদয় হওয়ার আপনার ভাবাবেগে অবসন্ন হতে বাধ্য করবো। তার হৃদয়ে আপনার প্রতি আর্কষন বৃদ্ধি করার জন্য মেসমেরিজম থিউরি প্রয়োগ করবো। প্রয়োজনে আমাদের বিশিষ্ট তান্ত্রিকগনের দ্বারা তদবীর পরিচালনা করা হবে বা আপনাকেই তান্ত্রিকতার কাজ দিয়ে দেওয়া হবে যেনো খুব সহজেই আপনি আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার জীবনে ফিরে পেতে পারেন। আপনার সুখময় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।