Just change your fate by looking at the moon (চাঁদ দেখে ভাগ্য পরিবর্তন করুন)

চাঁদ দেখে কোন কাজটিতে আপনার মঙ্গলঃ

­­­­­­­­­­­­­­মহররম-মহররমের দিকে চাঁদ দেখে স্বর্ণ দেখা মঙ্গলজনক।
সফর-সফর মাসের প্রথম দিনে সফরের চাঁদ দেখে আয়না দেখা ভাল। এ চাঁদে নতুন গৃহ নির্মাণ করা ও বিয়ে শাদী হওয়া ভাল নয় বলে অনেকে মনে করে আসলে তা হলো মূর্খতা। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এ মাসে বিবাহ করেছেন।
রবিউল আউয়াল– এ মাসে প্রথম তারিখে চাঁদ দেখে দরুদ শরীফ পড়া অত্যান্ত সওয়াবের কাজ ও পার্থিব মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী হওয়া বা কোন শুভ কাজ শুরু করা খুব ভাল।
রবিউস সানী– এ মাসে প্রথম চাঁদ দেখে ছালগ দেখা মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী বা অন্য কোন শুভ কাজ শুরু করা খুব ভাল।
জমাদিউল-আউয়াল-এ মাসের চাঁদ প্রথম দেখে চাঁদী বা রুপা দেখা অত্যন্ত মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে হওয়া অশুভ কিন্তু নতুন ঘর তৈরি করা মঙ্গলজনক।
জমাদিউলস সানি-প্রথম দিনে এ চাঁদ প্রথম দেখা মাত্র পিতা-মাতা, উস্তাদ প্রভৃতির কদমবুছি করা অত্যন্ত মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী বা যে কোন নতুন শুভ কাজ করা ভাল।
রজব-প্রথম দিনে রজবের চাঁদ দেখলে কোরআন শরীফ চুম্বন করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ ও মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী যে কোন নতুন শুভ কাজ করা অতি উত্তম।
শাবান-প্রথম তারিখে শাবানের চাঁদ দেখা অত্যন্ত মঙ্গলজনক। এ চাঁদে নতুন ঘর তৈরি আরম্ভ করা ভাল এবং অন্য যে কোন শুভ কাজ করা ভাল।
রমজান-রমজান মাসের প্রথম তারিখে চাঁদ দেখার পর তলোয়ার হাতে নিয়ে দেখা মঙ্গলজনক। এ চাঁদে নতুন ঘর তৈরি করা উচিত নয়, কিন্তু বিয়ে শাদী করা খুব মঙ্গলজনক।
শাওয়াল-শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখে নতুন চাঁদ দেখার পরে সবুজ কাপড় দেখা ভাল। এ চাঁদে বিয়ে শাদী করা, নতুন ঘর তৈরি করা ও অন্য কোন শুভ কাজ আরম্ভ করা মঙ্গলজনক।
জিলকদ-জিলকদের নতুন চাঁদ দেখার পর ছোট শিশু ছেলেমেয়েদের কোলে নিয়ে চাঁদ দেখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এ মাসে বিয়ে শাদী, নতুন ঘর তৈরি করা বা কোন নতুন কাজ আরম্ভ করা যায়।
জিলহজ্ব– জিলহজ্ব মাসের নতুন চাঁদ দেখা মাত্র তলবিয়া পাঠ করা ও অন্যান্য লোককে ডেকে চাঁদ উঠার সংবাদ জানানো অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এ চাঁদে যে কোন নতুন ও শুভ কাজ করা মঙ্গলজনক

The new foundations of Trataka are uncoverd(ত্রাটক সাধনার নবদিগন্ত উন্মোচন)

ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”

শুভ ভ্যলেনটাইনস ডে, বিশ্বের সকল হৃদয়বান মানুষদের জন্য আমাদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইলো। আজ আমরা এমন একটি বিষয় আলোচনা করবো, যা আমাদের নিকট সম্প্রতি ত্রাটক গুরুগণ প্রেরন করেছেন সর্বসাধারনের অবগতীর জন্য। আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক সাধনা সর্ম্পক্যে সাম্ম্যক অবগত হয়েছি এর দ্বারা সম্ভব্য কাজ সম্প্যর্কে জেনেছি। আজকের নতুন বিষয়টি হচ্ছে ত্রাটক সাধনায় রশ্মির ব্যবহার, সর্ম্পক্যে, আমরা জানি পৃথিবীতে প্রাকৃতিক শক্তির মধ্যে যদি সর্ববৃহৎ শক্তি আখ্যা দেওয়া হয় তবে তা সুর্যকেই দিতে হবে। দির্ঘ্যদিন যাবৎ সূর্যের অপরিমিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এর দ্বারা বিভিন্ন ভাবে আমরা উপকৃত হতে পারি কি না তা ভেবে দেখা হচ্ছিল। যেমন আমরা জানি সুর্যের আলোক ও তাপ শক্তিকে বিজ্ঞানিগণ নানারুপে ধারন করে তা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনের নানা কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার এও জানি এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের এমন কিছু গ্রহের প্রানী রয়েছে যাদের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসেবে শুধু সুর্য্য কিরণ প্রয়োজন পরে। ঠিক যেমনটি আমরা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য পানিয় দ্রব্য খেয়ে থাকি। ন্যাশনাল জীওগ্রাফির বদৌলতে আমরা অনেকেই জানি আধুনিক ভারত বর্ষেও জৈনিক সাধু ব্যক্তি দির্ঘ্য কয়েক বছর যাবৎ শুধু মাত্র সুর্য্য কিরণ শরীরে শোষণ করে অন্য কোন প্রকার খাদ্য দ্রব্য না খেয়েই বেচে রয়েছে। আমরা এ বিষয়টি বহুবার আলোচনায় এনেছি যে এমন কিছু সম্ভব কি না যা দ্বারা ত্রাটকে সূর্য শক্তিকে ব্যবহার করা যায়। দির্ঘ্য গবেষনা ও চর্চার পর্যবেক্ষনের ফলে সম্প্রতি আমাদের গুরুগণ এই বিষয়টি জানিয়েছে যে একটি মানুষ যদি ত্রাটক সাধনার স্বাভাবিক প্র্যাকটিস বাদ দিয়ে শুধু ত্রাটকের সূর্য্য সাধন করে তবেই সে তার অতিত ভবিষ্যৎ শত্রু মিত্র জীবনের সকল প্রকার ভালো মন্দ সহসাই নিজেই নিয়ন্ত্রত করতে সক্ষম হবে। এর সময় ও পরিশ্রমও তুলনা মূলক কম তবে কিছুটা কষ্ট সাধ্য অবশ্যই। আমাদের গুরুগণের অনুমতি ও পরামর্শ্য ছিলো এর কিছু নিয়মাবলী আপনাদের সামনে উন্মচন করা হোক এতে আমাদের বিগত স্টুডেন্ট ও যারা আমাদের নিকট হতে দুরে রয়েছে তারাও হয়তো ত্রাটকের এই সুর্য্য সাধনা প্র্যাকটিস করে উপকৃত হতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশের মত একটি নকল প্রবন দেশে এই কাজটি করা হতে আমরা বাধ্য হয়েই ক্ষান্ত হলাম কারন আমরা জানি যেমন ত্রাটক সাধনার স্রষ্টা আমাদের প্রতিষ্ঠান হয়েও আজ হাজার হাজার ভুয়ো ফেইক তান্ত্রিক সাইটে লেখা দেখা যায় ত্রাটক সাধনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সেখানে আমরা এই বিষয়টিও পোষ্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই তা হাজার হাজার কপি হয়ে যাবে।। তবে যে সকল শুভানুধ্যায়ী ভাই বোনেরা ইতি পূর্বে ত্রাটক সাধনা গ্রহন করেছেন এবং যারা করতে ইচ্ছুক তেনাদের জন্য বলা হচ্ছে আপনারা অবশ্যই ইমেইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন তাহলেই আমরা ত্রাটক সাধনায় সংযুক্ত হওয়া এই নতুন সুর্য্য সাধনার বিধি নিয়ম আপনাদের মেইল করে প্রেরন করে দিবো। সকলেই ভালো থাকবেন।

ত্রাটক সাধনার সকল আলোচনা গুলো পড়ুন…

Yakshini pursuit (যক্ষিনী সাধনা)

যক্ষিনী সাধনা করার সহজ উপায়ঃ

আমরা দির্ঘ্যদিনের অভিজ্ঞতায় জেনেছি যে কোন উদ্দেশ্য পূরনের ক্ষেত্রে তান্ত্রিক শক্তি সাধনাগুলোর তুলনা হয় না। আমাদের নিকট অনেকেই নানা রকম সাধনার বিষয় প্রশ্ন করে থাকে এ সাধনায় কি ফল ও সাধনায় কি ফল ইত্যাদি নানা কথা। আমরা সেটা বলেও থাকি কিন্তু আপনাদের সকলের জ্ঞ্যতার্থে একটি কথা বলে রাখছি আর তা হলো সকল শক্তি সাধনাই যেহেতু নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য আর সাধনার ফলাফল লাভের পর সেই শক্তি একান্তই আপনার হয়ে যায় সেহুতু আপনি আপনার ইচ্ছানুসারে আপনার প্রয়োজনের কথা তাকে বলতে পারেন বা তাকে দিয়ে করাতে পারেন, শুধু মনে রাখতে হবে সে আপনার ভৃত নয় তাকে আপনি আদবের সহিদ যা বলবেন সে তার সাধ্যানুযায়ী সেটাই করে দিবে। আপনার এমন কোন মনের আকাঙ্খা থাকতে পারে না যা সে আপনাকে করে দিবে না। তবে যদি আপনার আকাঙ্খা প্রকৃতি বিরুদ্ধ হয়, ন্যায় সঙ্গত না হয় তবে ইতিহাস শাক্ষি লক্ষ লক্ষ সাধক তার শক্তির হাতেই প্রান বিসর্জন দিয়েছে। সুতারাং আপনাকে আপনার সকল চাওয়া ও লোভ হতে সংযম পালন করেই ইচ্ছেপুরুন করতে হবে। আমরা আজ এখানে প্রচলীত একটি ছোট্ট সহজ সাধনার নিয়ম প্রদান করছি, আপনি আপনার গুরুর নিকট হতে এর আদি অন্ত জেনে অনায়েসেই তা করতে পারেন। নিজের জীবনকে সুখময় করতে পারেন।

মন্ত্রঃ ওঁ হ্রীং নখকেশী কনকবতী স্বাহা।।

বিধিঃ যক্ষ গৃহে গমন পূর্বক নগ্ন অবস্থায় একবিংশতী দিন যাবৎ উল্লিখিত মন্ত্রটি একাগ্রচিত্তে জপ করিলে, মন্ত্র সিদ্ধ হইবার পর দেবী অর্ধরাত্রে সাধকের সম্মুখে উপস্থিত হইয়া বাঞ্চিত দ্রব্যাদি প্রদান করিবে।

 

The world-famous tantra receiving money (অর্থ প্রাপ্তির জগদ্বিখ্যাত তন্ত্র )

মনোবাসনা পূর্ণ ও অর্থ প্রাপ্তির বিশ্বের স্রেষ্ঠ তদবীরঃ

আমরা সর্বসাধরনের জন্য এমন একটি তদবীর পোষ্ট করছি যা একই সাথে দুস্থ মানুষদের যেমন উপকারে ব্যবহৃত হবে তেমনি অসংখ্য আর্থিক সঙ্কটে থাকা বিপদাপন্ন মানুষ হয়তো তার বিপদ হতে মুক্তি পাবে। এই তন্ত্রটি আমাদের ওয়েবের উপঢৌকন হিসেবে প্রেরন করেছেন মঙ্গোলিয়ার গুরু সিওয়াইম খান, আপনি খুব সহজেই নিজের আর্থিক সঙ্কট দুর করতে এই তদবীর ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি ওয়েষ্ট্রান তদবীর যা আমাদের চিরায়িত এশিয়ান তদবীরের মত নয়। আপনাকে প্রথমত কয়েকটি জিনিস জোগার করতে হবে। নিচে তার তালিকা ও নিয়ম বর্নিত হলো। এখানে আমাদের এই ওয়েবে শুধুমাত্র এই তদবীরটি সকলের করে উপকৃত হওয়ার জন্য সার্বিক অনুমতি দেওয়া হলো, তবে আপনি উপকৃত হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানে তার জন্য প্রতিষ্ঠানের অনুদানে কিছু প্রেরনের জন্য অনুরোধ রইলো। এতে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।
তদবীর ইকুইপমেন্ট তালিকাঃ
১) হলুদ, সাদা, গোলাপী (পিঙ্ক) কালারের তিনটি মাঝারি সাইজের মোমবাতী।
২) জেসমিন আতর (চামেলী ফুলের ঘ্রান থাকবে)
৩) এক টুকরা সাদা কাপড় ( ২x২’) দুই স্কয়ার ফিট।
৪) কিছু ঘর সুগন্ধ করার জন্য গোলাপ জ্বল, আগর বাতী, কর্পূর।
৫) একটি পবিত্র সাদা কাগজ।
৬) একটি নীল কালিতে লেখার কলম।

মন্ত্রঃ ”I am rich, I am masterful, I am wise, I am honored

The moon is as bright as the light shines everywhere

Give me the same way, make the wealthy rich as the sea,

Fill me with respect before you die”

বিধিঃ সর্বপ্রথম আপনাকে চন্দ্রমাসের পূর্নিমা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এবং এরপর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী নবচন্দ্র পর্যন্ত। আপনার কাজটি শুরু করতে হবে যে কোন পূর্নিমার রাত্রে কোন উচু স্থানে পূর্বদিকে মুখ করে বসে উপরক্ত মন্ত্রটি চন্দ্রের দিকে তাকিয়ে ৫০৭ বার পড়তে হবে। এবার পরবর্তী নব চন্দ্রের শুরুর দিন সন্ধ্যায় চন্দ্র দেখে একটি নির্জন ঘরে আসন পেতে বসবেন। সামনে তিনটি মোমবাতী দিয়াশালাই দ্বরা জ্বালাবেন এবং নিজের দের হতে দু হাত সামনে ত্রিকোন ভাবে রাখবেন। তার পর একটি সাদা পবিত্র কাগজে নীল কালিতে উপরোক্ত মন্ত্রটি লিখে তার নিচে আপনার পূর্ণ নামটি লিখবেন। এবার সাদা কাপড়টি সামনে বিছিয়ে তার উপর কাগজটি রাখবেন। এবার মোমবাতির দিকে দৃষ্টি নির্দিষ্ট করে ধ্যনের মত আপনার যত অর্থ ঋন বা প্রয়োজন তার কল্পনা করতে করতে মন্ত্রটি জপ করতে থাকুন। ১০১ বার মন্ত্রটি জপ করে কাগজের উপর একটি ফু দিবেন এবং কাগজটি সহ কাপড়টি আপনার চোখে বাধবেন এবং আপনার অর্থ পেয়েছেন বা কেউ আপনাকে আপনার চাহিদার অর্থ দিয়ে যাচ্ছে সেটি কল্পনা করুন, খুব মনযোগের সাথে কল্পনা করুন অন্তত্য ৩০ মিনিট এরপর কাজটি শেষ করুন। রাত্রে ঘুমানোর সময় কাগজ ও কাপড়টি চোখে বেধে ঘুমাবেন। এভাবে প্রতিদিন কাজটি করতে হবে পরবর্তী পূর্নিমা পর্যন্ত এর মধ্যেই আপনার ঋন পরিশোধ হবে আপনার চাহিদা পূর্ণ হবে।

সকল তান্ত্রিক আলোচনা গুলো পড়ুনঃ

Emergency Pursuit Rule (জরুরী সাধনা বিধি)

জরুরী আধ্যাত্মিক সাধনা বিধিঃ

বর্তমান সময়ে সাধনা করতে আগ্রহী ব্যক্তির সমাজে অভাব নেই, শোনা যায় অনেকেই বিভিন্ন শক্তি সাধনা করতে চাইছে, অনেকেই আবার বাজারের বিভিন্ন চটি বই পড়ে চটকদার মশলাদার গল্পকাহিনী পড়ে অনুপ্রানিত হয়ে সাধনা করতে যায়, ফলাফল যা হবার তাই, বৃথাই সময় শ্রম অর্থৎ নষ্ট, পরবর্তীতে বলে বেড়ায় এসকল সাধনা কোন কাজের না এসব হয় না। আমরা সকল সময়েই বলে আসছি প্রতিটি প্রাচীন প্রসিদ্ধ সাধনা যা আমরা শুনে থাকি তার অধিকাংশ দ্বারাই বর্তমান সময়ের মানুষও সফল হতে, সেটি হতে উপকৃত হতে পারে। তবে এটির মূল শর্ত হচ্ছে অবশ্যই আপনার মস্তকোপরি আপনার গুরুজীর স্নেহশীল হস্তের ছায়া থাকতেই হবে। আপনার যদি গুরু অর্থাৎ সিড়ি না থাকে তবে আপনি যতিই চেষ্টা চরিত্র করুন না কেন কোন সাধনাই আপনাকে দিয়ে সম্ভব হবে না। এটাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা। গুরুমুখি বিদ্যায় গুরু পরম পূজ্য। গুরু ভজন বিনা সিদ্ধি লাভ হয় না।
আমরা সাধনায় আগ্রহী ব্যক্তিদের কিছু নিয়মাবলি বিধি নিশেধ এখানে উল্লেখ্য করছি যা আপনি আপনার গুরুজীর নিকট হয়তো জিজ্ঞাসা করতে কুন্ঠিত হতে পারেন। এই বিষয়গুলো আপনার হৃদয়ে আত্মস্থ করে রাখতে হবে। আমাদের পরিশ্রমে যদি আপনি উপকৃত হতে পারেন তবেই আমরাও স্বার্থক হবো।
মনে রাখতে হবে পাঠক সবাই হতে পারে তবে তবে সাধক হওয়া যার তার কর্ম নয়। সাধনা করতে হলে আপনার হৃদয় কঠোর, দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি সম্পন্য, অত্যন্ত জেদি প্রকৃতির হলেই কেবল সাধনায় সফল হতে পারবেন। অল্প স্বল্প জ্ঞানি সাধক বা গুরুহীন সাধক সাধনা করতে গিয়ে নিজের বা সমাজের শুভ বা মঙ্গল করা তো দুর নিজের জীবন সংশয় করে ফেলে। আপনার যদি একজন সৎগুরু থাকে তবেই আমাদের সাধনা বিধী ও উল্লেখিত যে সকল সাধনা রয়েছে তার মাঝে যেটিতে আগ্রহ সেটি করতে পারেন। যদি আপনি গুরু নির্বাচনে ব্যর্থ হন তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে আমারে প্রসদ্ধ গুরুর স্বার্নিদ্ধেও সাধনা সম্পন্য করতে পারেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানের আওতায় যে কোন সাধনা করার সব চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে যে আপনি যে পর্যন্ত আপনার আকাঙ্খীত সাধনাটিতে সফল না হচ্ছেন সে পর্যন্ত আমাদের গুরু গণ আপনাকে ধরনের সহযোগিতা করবে। নিয়মাবলীঃ
১) সাধনার প্রথম কথাই হল ব্রহ্মচর্য পালন। সাধক পুরুষ হোক বা স্ত্রী তাকে ব্রহ্মচর্য পালন করতেই হবে। নতুবা সাধনায় সিদ্ধিলাভ অসম্ভব।
২) সাধক কোন স্ত্রী র্স্পশ্য করতে পারবে না। যদি সাধকের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা, ভগ্নি বা যেই হোক না কেন।
৩) কোন স্ত্রীর হাতের জল বা খাবার সাধক খাবে না। তার হাত দিয়ে কোন কাপড়ও কাঁচাবে না। সাধককে নিজের খাবার নিজেকে বানাতে হবে। নিজের কাপড় নিজেকে কাঁচতে হবে এবং ভুমি সয্যায় শয়ন করতে হবে।
৪)সাত্ত্বিক আহার করতে হবে। নিজ মন ও শরীরকে পবিত্র রাখতে হবে।
৫) সাধনা স্থলেই মাটিতে শয়ন করতে হবে।
৬)দেবী, দেবতা বা নির্দিষ্ট শক্তির সাধনা করার সময় তাঁর আসন সাধকের আসন থেকে উচুঁতে থাকবে।
৭) সাধনাস্থল যথা- নির্জন ঘর, শ্মশানভুমি, নদীতীর, চৌরাস্তা বা কোন গাছের ছায়ায় করতে যেখানে বাইরের জগতের গোলমাল প্রবেশ না করে।
৮) সাধনাস্থল যদি নির্জন ঘর হয় তবে তার রং গাঢ় নীল হবে। কম পক্ষে ঐ ঘরের পর্দার রং নীল হওয়া চাই।
৯) সাধক তার নিজের চোখে গাঢ় নীল রঙ্গের কাপড় বেঁধে রাখবে। এর ফলে শান্তি মিলবে।
১০) সাধনার পূর্বে মিষ্টি প্রসাদ, এলাচ ইত্যাদি নিজের কাছে রাখতে হবে। কারন আরাধ্যা দেবী/দেবতা/শক্তি এসে তার প্রসাদ চাইতে পারে। প্রসাদ দিতে দেরী হলে সাধকের প্রানহানীও হতে পারে। প্রসাদ দেবার আগে সাধক উক্ত শক্তিকে তিনটি প্রশ্ন করবে সাধক প্রশ্নের উত্তর নেওয়ার পর শক্তিকে প্রসাদ দিবে।
১১) ইনশেকশানের সুঁচ সাধক তার কাছে রাখবে। কারণ আরাধ্য দেবতা। শক্তি সাধকের রক্তও চাইতে পারে। যেমন কালী-মহাকালী। তিনি এসে বলতে পারেন যে আমার খুপড়িটা তোমার রক্ত দিয়ে ভরে দাও। তখন সাধক তাকে তিনটি প্রশ্ন করে তাঁর জবাব নিবে এবং নিজের কনিষ্ঠা আঙ্গুলীর ডগা সুঁচদিয়ে ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করে খুপড়িতে রেখে কিছুটা দেবীর জিভে লাগিয়ে দিতে হবে।
১২) যে তিনটি প্রশ্ন দেবীকে করবেন ও প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই নিবেন।
ক) যখনই আমি আপনাকে ডাকব,  আপনাকে আসতে হবে।
খ) যেখানে পাঠাব সেখানেই যেতে হবে।
গ) যে কাজের কথা বলব তা করে দিতে হবে।
১৩) নিজের আসন ও নিজেকে সুরক্ষা করতে অবশ্যই সুরক্ষামন্ত্র পড়ে নিতে হবে।

যে কোন সাধনার পূর্বে উপরক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তবে আশা করা যায় আপনার সাধনায় অনাকাঙ্খীত সমস্যায় পরে বিব্রত ও নিজের ক্ষতি হতে মুক্ত থাকতে পারবেন।
আধ্যাত্মিক সাধনাার সকল আলোচনা পড়ুন…

Willful Pursuit (মোহম্মদা বীর সাধনা)

Willful Pursuit (মোহম্মদা বীর সাধনা)

ইচ্ছাপূর্ণ সাধনাঃ

এটি অত্যন্ত সরল, নির্ভুল মুসলমানী সাধনা। এটি সফল হলে মোহম্মদা-বীর প্রকট হয়ে সাধকের সব ইচ্ছাপূরণ করে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মুসলমানী দেবতা। এ পীর পয়গম্বরের মতো শক্তিশালী, সরল ও দয়ালু। এই দেবতা মাত্র ২১ দিনের সাধনাতেই প্রকট হন এর সাধনা পদ্ধতি অত্যন্ত সরল।
সাধনা বিধিঃ যে কোন শুক্রবার রাতে স্বচ্ছ বস্ত্র পরে ধুতি ও মাথায় জালিদার টুপী পরে সাধক হাঁটু গেড়ে বসে লোবানের ধূপ দিয়ে পূজা আরম্ভ করবে। এইভাবে ২১ মন্ত্র ও ২১ লোবানের ধূপের আহুতি দিয়ে প্রতিদিন এরুপ করবে। ২১ দিন সাধনা করলে মোহম্মদা-বীর সাধকের সামনে এসে তার মনোবাসনা পূর্ণ করে। এই ক্ষেত্রে সাধককে ব্রক্ষচর্য্য পালন করতে হবে। যন্ত্রটি নিম্নরুপঃ-
মন্ত্রঃ-“বিস্মিল্লা রহিমানির্রহীম পাঁচ ঘুংঘরা কোট জঞ্জীর জিস পর খেলে মোহম্মদা বীর, সওয়া মন কা তীর জিস পর খেততা আয়ে মোহম্মদা বীর-হাত পৈর কী খাবে পীর সুখী নদী বহাবে নীর নীলা ঘোড়া নীলী জীন জিস পর চড়ে মুহম্মদা বীর, সওয়া সের কাপীসা খায় অঙ্কী কী খবর লগায়ে মার-মার করতা আয়ে বাঁধ-বাঁধ করতা আয়ে, ডাকিনী কো বাঁধ কুরা-বাবড়ী সেলাবো সোতী কোলাবো, পীসতী কো লাবো, পকাতী কো লাবো, জলদী জাবো হজরত ইমাম হুসৈন কী জাংঘ সে নিকাল কর লাবো, বীবী ফাতমা কে দামন যে খোল কর লাবো নহী তো মাতা কা চুথা দুধ হরাম করে।”

(সাধনা করার সময় তৈল প্রদীপ সব সময় জ্বলবে যাতে মুহম্মদা বীরের আসতে সুবিধা হয়।)

Angels Pursuit (মোয়াক্কেল সাধনা)

Angels Pursuit মোয়াক্কেল সাধনাঃ

নিচের সাধনাটি যেমন সহজ সরল তেমনি এর ফলাফল ও আশ্চার্য্য এবং অবধারিত। আমলকারীকে কয়েকটি বিষয় বিশেষ ভাবে লক্ষ রাখিতে হইবে। সর্বদা নিজেকে পাক সাফ রাখিতে হইবে। আমলের স্থানটিকে পবিত্র রাখিতে হইবে। নির্দিষ্ট কার্য্য আরম্ভ করিয়া কার্য্য কালে কাহারও সাথে কোন প্রকার বাক্যালাপ করিতে পারিবে না। আমল বুধবার দিবাগত বৃহস্পতিবার রাত্রে আরম্ভ করিয়া পরের সপ্তাহ পর্যন্ত অর্থাৎ আবার বুধবার দিবাগত বৃহষ্পতিবার রাত্রে শেষ করিবে। আমলের এই পনের দিন মাছ-মাংস আহার না করিয়ে নিরামিশ খাদ্য ভোজন করিবে। নিম্নোক্তরুপে সুরা ইখলাস পাঠ করিবে।
সুরাঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, ক্বুলহু আল্লাহু আহাদ। আজিব ইয়া জিব্রাইলু আল্লাহুচ্ছামাদ। আজিব ইয়া ইস্রাফিলু। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। আজিব ইয়া আজ্রাইলু। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কু’ফুয়ান আহাদ। আজিব ইয়া………
বৃহষ্পতিবার রাত্রে আরম্ভ করিয়া ইহা চৌদ্দ রাত্রি পর্যন্ত প্রত্যহ ছয় হাজার বার করিয়া পড়িতে হইবে এবং পনের তারিখ অর্থাৎ বৃহষ্পতিবার রাত্রে ষোল হাজার বার পড়িয়া মোট এক লক্ষ বার খতম করিবে। ঐ রাত্রে লোবান, কর্পূর ইত্যাদি জ্বালাইবে এবং অন্যান্য খুশবু ব্যবহার করিবে। উহার পর শুক্রবার রাত্রে দুই হাজার বার শুধু সুরা ইখলাস পাঠ করিয়া ইস্তেগফার পড়িতে থাকিবে। রাত্রি যখন প্রায় ভোর হইয়া আসিবে তখন একবার নিম্নের দোওয়াটি পাঠ করিবে। ***“রাহমাতুন আলাইকুম আইয়্যুহাল খুদ্দাম হাজিহীচ্ছুরাতুশ শারীফাুত আইয়্যাজিবুলী ওয়া ইন তানুনী বেহাক্কি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি মা তাফছুদুনা ইল্লা মাছার তুমুল আজাবতা লাদাওয়ানী ওয়াল আফামাহা লা’তায়াতী মাছিররাউ ওয়া আহ্দাহু ওয়া আতিও বেহাক্কি ক্বাউলিহী তায়ালা আদ্‌উনী আসতাজিবলাকুম ইন্নাল্লাজীনা তাছায়ালুনা আন ইবাদাতি ছাইয়াদ খুলুনা জাহান্নামা ওয়া আখারিনা।” *** (অবশ্যই সাধনা শুরুর পূর্বে এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করে সাধনা প্রদান কারী মুফতির নিকট হতে সম্পূর্ণ দোওয়াটি পূনরায় সঠিক উচ্চারণে গ্রহনের অনুরোধ রইলো।)
এই দোওয়াটি পাঠের পরে তিনজন মোয়াক্কেল উপস্থি হইয়া বলিবে “আচ্ছালামু আলাইকুম ইয়া আবাদাচ্ছালেহ ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু” আমরা এই সুরার খুদ্দাম আপনি কি চাহিতেছেন? তখন তাহাদের নিকট আনুগত্য, তা’জীম এবং বাধ্যতার কথা প্রস্তাব করিলে তাহারা ঐ সব স্বীকারপূর্বক বলিবে- আপনাকে আমাদের কিছু শর্ত স্বীকার করিতে হইবে, নচেৎ আপনার উদ্দেশ্য সফল হইবে না।
শর্তসমুহ এই যে, আজ হইতে যাবতীয় অন্যায় কাজ হইতে বিরত হইতে হইবে, মিথ্যা পরিত্যাগ করিতে হইবে, প্রত্যেক বৃহষ্পতিবার রোজা রাখিতে হইবে, এবং প্রত্যেক জুময়ার রাত্রে একশত একবার সুরা ইখলাস পড়িয়া তাহাদের জন্য সওয়াব বখশেশ করিবেন। আমল কারি আল্লাহকে সাক্ষী রাখিয়া এই সমস্ত কথাগুলি স্বীকার করিলে মোয়াক্কেলগণ তাহার সহিত করমর্দন করিয়া বলিবে, আপনি আজ হইতে আমাদের ভাই, আপনার যাবতীয় হাজত আমরা পুরা কারিয়া দিবো। একজন বালিবে যে, আমার নাম আবদুল ওয়াহেদ আপনি যখন সুরা ইখলাস আহাদ পর্যন্ত পড়িয়া  বলিবেন, ইয়া আবদাল ওয়াহেদ। আমি তখন’ই আপনার সামনে হাজির হইবো। আপনার প্রয়োজন হইলে আমি আপনাকে চক্ষের একটি পলকের মধ্যেই মক্কা শরীফ, মদিনা শরিফ জেয়ারত করিয়া আবার পূনরায় এখানে ফিরিয়া দিয়া যাইবো। দ্বিতীয়জন বলিবে আমার নাম আবদুচ্ছামাদ যখন আপনার কোন দরকার হইবে তখন এই সুরা সামাদ পর্যন্ত পড়িয়া জোড়ে বলিবেন ইয়া আবদাচ্ছামাদ। আমি তখনই উপস্থিত হইবো, আমার কার্য এই যে আপনার ইচ্ছেনুসারে আমি আপনাকে হালাল রুজি আনিয়া ‍দিবো, কখনও আপনার কোনরুপ আহারের অভাব পড়িবে না।  তৃতীয় মোয়াক্বেল বলিবেন, আমার নাম আবদুর রহমান। যখন আপনার কোন দরকার হইবে তখনি আপনি সুরা ইখলাস শেষ পর্যন্ত পড়িয়া ইয়া আবদার রহমান বালিয়া ডাক দিবেন। আমি চোখের পলকেই আপনার সামনে এসে উপস্থিত হইবো। আমার কার্য এই যে আমি আপনাকে বহুবিধ গুনজ্ঞান ও আশ্চর্য্য বিদ্যা শিখাইয়া দিব। ইহার পরে ঐ তিনজন আল্লাহর নামে সিজদাহ করিতে বলিলে আমলকারি আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদাহ করিবে। ওনারা বিদায় নিয়ে চলে যাবে। এরপর হতে আপনার আমল ও কামেলিয়াত দ্বারা জীবন যাপন শুরু করিতে হইবে।
Admin address…

ত্রাটক সাধনায় আত্মচেতনার রহস্য

ত্রাটক সাধনায় আত্মচেতনার রহস্যঃ

আত্মচেতনা হল সেই শক্তি যা নিজে নিজেই কাজ করে চলে। একে ইংরেজীতে (Instinctive Mind) বলা হয়। এই আত্মচেতনা কোন কিছুর বিচার করে না বা সিদ্ধান্তও নেয় না। কিন্তু প্রথম থেকেই এটি সহজবু্দ্ধিতেকাজ করে যায়। কেউ অসুস্থ হলে এটি তাকে সুস্থ করার চেষ্টা করে। যদি আপনি ভীত হন ও হৃৎপিণ্ড দ্রুত লয়ে চলছে এমন হয় তবে এটি হৃৎপিণ্ডের গতিকে ধীর করবে। এটি সবসময় সাধককে ভালরাখার ও সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করে।
আত্মচেতনা সাধকের মানসিক শক্তির শ্রোত। যখন সাধকের কোন বিপদের আশঙ্কা আসে তখন সে তার আভাস পূর্ব থেকেই দিয়ে দেয়। কখনো কখনো আত্মচেতনা  শক্তি তার অতীন্দ্রিয় দৃষ্টির দ্বারা ভবিষ্যৎ- এর বিপদ সম্পর্কে, তা শারীরিক হোক বা মানসিক, সাধককে হুঁশিয়ার করে দেয়।
কোন কাজ করার আগে সেই কাজ সাধকের দ্বারা হবে কিনা সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হলে তখনই আত্মচেতনা শক্তি দ্বারা সে কাজ সহজেই সম্পন্ন করা যাবে। কিন্তু যদি সাধক উক্ত কাজ সম্পূর্ণ করতে পারার ব্যাপারে সন্দিহান হন তবে ঐ শক্তি কিন্তু কাজ করবে না।
যেকোন প্রকার কঠিন ও আশ্চর্য কাজ করার ক্ষমতা আমাদের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় আছে কিন্তু আমরা তাকে জাগাবার চেষ্টাই করি না। সম্মোহিত অবস্থায় কিন্তু
সম্মোহনকর্তা আমাদের সেই লুকানো শক্তিকে সজাগ করে অনেক আপাত কঠিন কাজ আমাদের কে দিয়ে করিয়ে নেন। সে কারণে আমাদের জানতে হবে যে সজ্ঞান অবস্থায় আমরা কি ভাবে আমাদের ঐ সুপ্ত শক্তিকে জাগিয়ে তাকে দিয়ে ইচ্ছানুসারে কাজ করাতে পারব।
সম্মোহিত অবস্থায় থাককালীন সমস্ত ইন্দ্রিয়ই অসাধারণ কাজ করে দেখাতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কোন অঙ্গের পীড়াও একদম ঠিক হয়ে যেতে পারে। এইভাবে দর্শনেন্দ্রিয়, স্বাদেন্দ্রিয়, ঘ্রাণেন্দ্রিয় শক্তি এত অধিক শক্তিশালী করা যায় যে- যে কোন প্রকার সুক্ষ্ম পার্থক্যও বুধতে অসুবিধা হয় না। এমন কি এর দ্বারা জলের পরিবর্তনও বুঝতে পারা যায়। অতীতের কোন স্মৃতি ও মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়। এতএব যে মানসিক শক্তি মানুষকে মানুষ্যোত্তর শক্তি প্রদান করে তা মানুষের মধ্যে পূর্ব থেকেই থাকে। কিন্তু মানুষের চেতন শক্তি/মন তা প্রয়োগ করতে বাধা দেয়।
একথা ঠিক নয় যে যেকোন অদ্ভুত বা চমৎকার কাজ শুধুমাত্র সম্মোহিত অবস্থাতে সফল হবে এমন কোন কথা নেই। জাগরিত অবস্থাতেও এমন করা সম্ভব। শুধুমাত্র বিশ্বাসের উপর ভর করে বহু রোগ দূর করা যায়। কোন বাড়ি বা হাসপাতালে আগুন লাগলে সেখানে বছর বছর ধরে পড়ে থাকে প্যারালাইসিস রোগী (চলৎশক্তিহীন) দৌড়ে বাইরে চলে আসে। এটি আত্মচেতনা জাগরিত হবার উদাহরণ মাত্র। মানুষ তার চেতন মনে দৈনিক জীবনের সমস্যার বিষয়ে আবশ্যক সতর্কতা বজায় রখে তবে এরও একটা সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু বিপদকালে সেই সীমাবদ্ধতার গণ্ডী আত্মচেতনার জাগণের সাথে সাথে সক্রিয় হয়ে অতিক্রম করে যায়। ফলে আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব কাজকে মানুষ সম্ভব করতে পারে। যে ব্যক্তির আত্মচেতনা জাগরিত হয়েছে সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সফলতা লাভ করে। কোন বিষয়ে যদি বিশেষ চেষ্টা নেওয়া যায় এবং তা যদি অত্যন্ত গভীর হয় তবে অবশ্যই সফলতা পাওয়া যায়। প্রত্যেক ব্যক্তির মনোবৈজ্ঞানিক ব্যবহার তার কোন কাজে সফলতা লাভের ক্ষমতার উপর বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। মানুষ তার ব্যক্তিত্বের বিকাশে যতই সচেষ্ট হবে ততই তার মানসিক ক্ষমতার বিকাশ ঘটবে।
অবচেতনমনে শুধুমাত্র ব্যক্তির জ্ঞান এবং অনুভব শক্তিই নেই, তাতে আছে চেতনমন দ্বারা সঞ্চিত বিশাল ভাণ্ডার। মানুষের অধিকারে যে জ্ঞান ও অনুভব শক্তি আছে তা তার চেতনমন দ্বারা অর্জিত। সম্মোহনের দ্বারাই এই ভাণ্ডারের বিষমতাকে দূর করা যায়।
মানুষ তার প্রতিভার দ্বারা অদ্ভুত মানসিক  কাজ করে দেখাতে পারে। তবে এজন্য তাকে মনোবৈজ্ঞানিক বন্ধন থেকে মুক্ত হতে হবে যা মানুষের আত্মচেতনাকে বেঁধে রাখে। যদি মানুষ তার লক্ষ্য নির্ধারিত করে নেয় তখন সে তার আত্মচেতনাকে ঠিক সেরুপই জাগরিত করে নিতে পারে যেমনটা সম্মোহিত অবস্থায় হয়। কারণ প্রতিটি ব্যক্তি সম্মোহিত অবস্থায় অবচেতনমনের দ্বারা যে সব কাজ করতে পারে তা সে জাগরিত অবস্থাতেও করতে পারে, সে ক্ষমতা ও তার মধ্যে আছে। যখন এই ক্ষমতা মানুষ পাবে তখন কোন কাজই তার কাছে অসম্ভব বলে মনে হবে না। যদি সে এই ব্যাপারে আংশিক সফলতাও পায় তবু তার স্থান সাধারণ মানুষের থেকে উঁচু স্থানে থাকবে। আত্মচেতনাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে মানুষ তার সাহায্যে অনেক অসম্ভব কাজকে সম্ভব করতে পারে। তবে তা তখনই সম্ভব হবে যখন মানুষ তার আত্মচেতনাশক্তিকে অবচেতন বা চেতন মনের অন্তনিহিত প্রভাব থেকে মুক্ত করতে পারবে।
পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে স্বাভাবিক ও সহজ ভাবে  নিজের আত্মচেতনা শক্তির সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য প্রতিদিন নিয়ম মতো চেষ্টা করতে হবে। যখনই তা সম্ভব হতে শুরু করবে তখনই সব দিয়ে আরো অধিক সফলতা মিলতে শুরু করবে। এই ভাবে আত্মচেতনার উপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ যত বাড়তে থাকবে ততই মানুষ  অসম্ভব কাজ অনায়াসে করতে পারবে।
যেমন অভ্যাস ও নিয়মিত শারীরিক দেহচর্চার দ্বারা মাংসপেশী সবল হয়  তেমনি মানুষের মানসিক শক্তির বিকাশও সম্ভব হয়। এর জন্য মানুষ তার প্রত্যেক ভাবনা ও ইচ্ছাকে নিজের অধীনে রাখবে এবং আত্মচেতনাশক্তি দ্বারা তা বাস্তবায়িত করবে। এর ফলে কোথাও কোন রুপ বাঁধার সম্মুখীন হতে হবে না। এই ভাবে মানুষ নিজের চারিপাশে অনুকূল পরিবেশের সৃষ্টি করতে পারে। আসলে আত্মচেতনা হলে সেই শক্তি যা মানবকে মহামানবে পরিণত করে দেয়।

Released To be Poverty (দারিদ্রতা হতে মুক্তি)

Super way to get Money, wealth and riches and Released To be Poverty

Many people do not see the face of one’s money while pursuing whole life- Many people do not get the place to spend money- Some people are getting enough money to provide one-to-one feed- I am going to talk about the sadness that I have taken today from Muslim Tantric science which is well-known and powerful.The words of all mullahs do not fit here- Because many moles say that the creator does not feed if the action is not done. I will tell you through this practice you will be able to own a lot of money. After the pursuit, without any source, without any source, the meaning of the meaning (maybe the Creator) will come in front of you. And it’s so true and proves that I do not think it’s necessary to give “%”. I have done this practice myself and got instant results in my hand. But one must remember that every pursuit is the hardship that is born in Egypt. But it is so confidential that nobody does it. But if you are ready to bear any hardship in the absence of money. If money is needed by you most, but of course you can do this.

Pursuit:

You do not have to do anything Four rakath’s prayers should be performed only in hardship. And in every rakath, Sura Fateha (specially arranged verses) will wear 1000 (one thousand) times. However, the prayer will be reduced to one leg.The matter is quite difficult.  I, myself, once prayed in life, after a great danger. But nowadays, fear of suffering, and did not dare to pray. But you will get the results immediately. You have to earn two rakath’s prayers A person will appear before you, Do not be afraid to see him. (Even though you do not believe in the present modern era, you are truthful) before the next two rakaht’s are offered to you, that person will leave you with the demands of your needs. But you must fulfill your prayers. Only then can you get the money .
Special Note: Get in touch with Admin, to get the specially ordered Sura Fateha.

অর্থ, সম্পদ ও ধনদৌলত পাওয়ার সহজ উপায় এবং দারিদ্রতা হতে মুক্তি

অনেকে সারাট জীবন সাধনা করেও একটি টাকার মুখ দেখে না- আবার অনেকে টাকা খরচ করার জায়গা পায় না- কেউ কেউ একমুঠো অন্ন জোগার করার অর্থ জোগার করতে হিমসিম খাচ্ছে- আমি আজকে যে সাধনার কথা বলতে যাচ্ছি তা মুসলিম তন্ত্রশাস্ত্র থেকে নেয়া এবং এতোটাই পাওয়ারফুল যে মোল্লাদের কথা এখানে খাটে না- কারন অনেক মোল্লাই বলে থাকে যে কর্ম না করলে বিধাতাও খোরাক দেয় না। আমি আপনাকে বলবো এই সাধনার দ্বারা আপনি নিমিষেই অনেক অর্থের মালিক হতে পারবেন। সাধনার পর নয় সাধনা চলাকালেই কোন উৎস ছাড়াই সয়ং অর্থ (হয়তো স্রষ্টা) এসে আপনার সামনে এসে উপস্থিত হবে। এবং এটা এতোটাই সত্য এবং প্রমানিত যে এর কোন  “%” দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছি না। আমি নিজে এই সাধনা করেছি এবং হাতে নাতে তাৎক্ষনিক ফল পেয়েছি। তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে প্রতিটি সাধনাই হচ্ছে কষ্ট সাধ্য এই সাধনার জন্ম হয়েছে সেই সুদুর মীশরে এবং বর্তমানে অনেকে তবে এটা এতোটাই গোপনীয় যে কেউ এটা প্রকাশ তেমন করে না।। তবে আপনি যদি অর্থ অভাবে যে কোন কষ্ট সহ্য করতে প্রস্তুত হন। যদি অর্থই আপনার সবচাইতে প্রয়োজনীয় হয়ে দারায় তবে অবশ্যই আপনি আমার এই সাধনা করতে পারেন।

সাধনা ঃ

আপনাকে কিছুই করতে হবে না শুধু কষ্ট করে চার রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে। এবং প্রতি রাকাতে সুরা ফাতেহা (বিশেষ ভাবে সাজানো আয়াত) পরতে হবে 1000 (এক হাজার) বার। তবে সেই নামাজ পড়তে হবে এক পায়ে দারিয়ে। বিষয়টা বেশ কঠিন আমি নিজেও আমার জীবনে একবার মাত্র বিপদে পড়ে আদায় করেছি কিন্তু আজ অব্দি কষ্টের সিমা মেপে আর পড়তে সাহস করিনি। তবে ফল পাবেন আপনি সংগে সংগেই। আপনার দু রাকাত নামাজ আদায় হতেই আপনার সামনে এসে হাজির হবে কোন ব্যক্তি তাকে দেখে ভয় পাবেন না। (যদিও বর্তমান আধুনিক যুগে বিশ্বাষ হবে না আপনার তবে ধ্রব সত্য) আপনার পরবর্তি দু রাকাত নামাজ আদায় হওয়ার আগেই সেই ব্যাক্তি আপনাকে আপনার চাহিদা মত অর্থ আপনার জায়নামাযে রেখে চলে যাবে তবে আপনাকে নামাজ পরিপূর্ণ করতে হবে।। তবেই আপনি অর্থ নিতে পারবেন।।
বিঃদ্রঃ বিশেষ ভাবে সাজানো সুরা ফাতেহা পেতে এডমিনের সংগে যোগাযোগ করুন তার অনুমতি নিন।।

How to feel ghost arrival (কি করে বুঝবেন অশরীরি উপস্থিতি)

কি করে বুঝবেন অশরীরি উপস্থিতি

আমার ব্যক্তিগত জিবনের বিভিন্ন অভিগ্যতা থেকে বহুবার এ সর্ম্পকিত একটি আলোচনা করার ‍চিন্তা মাথায় এসেছে। কিন্তু কখনই লিখা হয়ে উঠেনি, খানিকটা জেদের বসেই আজ আপনাদের সামনে অশরীরির উপস্থিতি সর্ম্পকে বাস্তবিক কিছু তথ্য তুলে ধরার জন্য লিখতে বসা। আমরা অনেকেই আমাদের নিজস্য কল্পনার দুনিয়ায় অশরীরি সর্ম্পকে এক্সপ্লেইন তৈরি করি। আমাদের অবচেতন মনে কিছুটা ভয়, শঙ্কা বা প্রশ্ন সকল সময়েই ঘুরপাক খায়। আমাদের মাঝে একশ্রেনীর ব্যক্তি আছে যারা নিজেদের বাস্তববাদি বলে পরিচয় দেয়, সে সকল লোকেরা অবশ্য অশরীরিকে একটি ফেইক বা কাল্পনিক গল্প মনে করে। এদের কথা বাদ দিলে, সংখ্যাগরিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আজকের এই আলোচনা।
আমরা  কোনো ব্যক্তিকে দেখে বা স্থানে গিয়ে কিভাবে বুঝবো অশরীরি উপস্থিতি?
একটি কথা আমরা জানি, কোন কবরস্থান বা শ্বশানে সাধারন ভাবে কোন আত্না বা প্রেত আত্মা স্থায়ী ভাবে থাকেনা। কিন্তু এটিও সত্য এসকল স্থানে দিন/মাস/বছরের কিছু নির্দিষ্ট সময় আত্মা বা প্রেত আত্মা এ সকল স্থানে বিচরন করে। এটি বোঝার সবচাইতে সহজ উপায় যদি কখন দেখেন, শ্বশান বা কবরস্থানের এলাকা প্রানী বা পশু-পাখি শূন্য হয়ে গেছে, আপনি নিজে সেখানে গিয়ে দাড়ালে শরীর ভার ভার বোধ হয় তবেই তাদের অবস্থান নিশ্চিত। তেমনি ভাবে যেকোন খালি বাড়ি অন্ধকার স্থান পরিত্যক্ত স্থান বড় পুরনো গাছের মূলে দাড়ালে কোন কারন ছাড়াই যদি আপনার শরীরের পরিবর্তন লক্ষ্য করেন, শরীরের লোম শিহরীত হয়, হঠাৎ ঠান্ডা বা গরম অনুভূত হয়, আচমকা কোন পাশ থেকে বাতাস শরীরে লাগে, তারা না খেয়ে কোন প্রানী যদি আপনাকে দেখে পালিয়ে যায়, বৈদ্যুতিক বাতি অকারনে জ্বলতে নিভতে থাকে, আপনার যদি মনে হয় কেউ আপনার একজন পিছনে রয়েছে বা কেউ আপনাকে লক্ষ্য করছে, কুকুর/শেয়াল/মুরোগ/কাক ইত্যাদি প্রানী হঠাৎ’ই ডাকতে থাকে, এক রঙ্গা (কালো বা লাল) কুকুর বিড়াল সামনে চলে আসে, চেয়ার বা খাটে বসা অবস্থায় ভূমিকম্প বা কম্পন অনুভব করলে, অন্যমনোষ্ক অবস্থায় কেউ আপনাকে ডাকছে মনে হলে, শরীরে কারো স্পর্শ অনুভব করলে, আয়না দেখে সরে যাওয়ার সময় অন্য কারো প্রতিচ্ছবির আভাস হলে, কোন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র আকষ্মিক ভূতুরে আচরন করলে,  কোন গাছের ডাল বা বাঁশ অপ্রাসঙ্গিকভাবে কোন দিকে হেলে থাকলে, এমনি আরও কিছু উপসর্গের মাঝে যেকোন একটি দুটি উপসর্গ দেখলেই বুঝতে হবে সেখানে অবশ্যই অশরীরি উপস্থিতি রয়েছে।
আজকে একটি মজার একটি কথা আপনাদের বলবো, কোন আত্মা বা প্রেত-আত্মা জ্বিন ভূত অর্থাৎ সকল প্রকার অশরীরির পক্ষ্যেই আপনার চুল পরিমান শারীরিক ক্ষতি করার ক্ষমতা নেই। তাদের সর্ব্বচ্য ক্ষমতা আপনার উপর ভর করে অন্যের ক্ষতি সাধন করা। সেটিও করে থাকে প্রতিশোধ পরায়ন অতৃপ্ত আত্মা। সুতারাং আমাদের কাহারই জ্বিন ভূত প্রেত আত্মা ইত্যাদিতে ভয় পাবার কিছু নেই। যদি না পরোক্ষ্যভাবে আমরা কারো মৃত্যুর জন্য দায়ী না হয়ে থাকি।