Just change your fate by looking at the moon (চাঁদ দেখে ভাগ্য পরিবর্তন করুন)

চাঁদ দেখে কোন কাজটিতে আপনার মঙ্গলঃ

­­­­­­­­­­­­­­মহররম-মহররমের দিকে চাঁদ দেখে স্বর্ণ দেখা মঙ্গলজনক।
সফর-সফর মাসের প্রথম দিনে সফরের চাঁদ দেখে আয়না দেখা ভাল। এ চাঁদে নতুন গৃহ নির্মাণ করা ও বিয়ে শাদী হওয়া ভাল নয় বলে অনেকে মনে করে আসলে তা হলো মূর্খতা। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এ মাসে বিবাহ করেছেন।
রবিউল আউয়াল– এ মাসে প্রথম তারিখে চাঁদ দেখে দরুদ শরীফ পড়া অত্যান্ত সওয়াবের কাজ ও পার্থিব মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী হওয়া বা কোন শুভ কাজ শুরু করা খুব ভাল।
রবিউস সানী– এ মাসে প্রথম চাঁদ দেখে ছালগ দেখা মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী বা অন্য কোন শুভ কাজ শুরু করা খুব ভাল।
জমাদিউল-আউয়াল-এ মাসের চাঁদ প্রথম দেখে চাঁদী বা রুপা দেখা অত্যন্ত মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে হওয়া অশুভ কিন্তু নতুন ঘর তৈরি করা মঙ্গলজনক।
জমাদিউলস সানি-প্রথম দিনে এ চাঁদ প্রথম দেখা মাত্র পিতা-মাতা, উস্তাদ প্রভৃতির কদমবুছি করা অত্যন্ত মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী বা যে কোন নতুন শুভ কাজ করা ভাল।
রজব-প্রথম দিনে রজবের চাঁদ দেখলে কোরআন শরীফ চুম্বন করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ ও মঙ্গলজনক। এ চাঁদে বিয়ে শাদী যে কোন নতুন শুভ কাজ করা অতি উত্তম।
শাবান-প্রথম তারিখে শাবানের চাঁদ দেখা অত্যন্ত মঙ্গলজনক। এ চাঁদে নতুন ঘর তৈরি আরম্ভ করা ভাল এবং অন্য যে কোন শুভ কাজ করা ভাল।
রমজান-রমজান মাসের প্রথম তারিখে চাঁদ দেখার পর তলোয়ার হাতে নিয়ে দেখা মঙ্গলজনক। এ চাঁদে নতুন ঘর তৈরি করা উচিত নয়, কিন্তু বিয়ে শাদী করা খুব মঙ্গলজনক।
শাওয়াল-শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখে নতুন চাঁদ দেখার পরে সবুজ কাপড় দেখা ভাল। এ চাঁদে বিয়ে শাদী করা, নতুন ঘর তৈরি করা ও অন্য কোন শুভ কাজ আরম্ভ করা মঙ্গলজনক।
জিলকদ-জিলকদের নতুন চাঁদ দেখার পর ছোট শিশু ছেলেমেয়েদের কোলে নিয়ে চাঁদ দেখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এ মাসে বিয়ে শাদী, নতুন ঘর তৈরি করা বা কোন নতুন কাজ আরম্ভ করা যায়।
জিলহজ্ব– জিলহজ্ব মাসের নতুন চাঁদ দেখা মাত্র তলবিয়া পাঠ করা ও অন্যান্য লোককে ডেকে চাঁদ উঠার সংবাদ জানানো অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এ চাঁদে যে কোন নতুন ও শুভ কাজ করা মঙ্গলজনক

European trataka to solve the problem (সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় তদবীর)

সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় তদবীরঃ-

আজ আমরা আপনাদের সাথে ত্রাটক সাধনার একটি ছোট্ট প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের যে কোন সমস্যা সমাধানে ও চাহিদা পূরণের কথা আলোচনা করবো। আপনারা যারা ত্রাটক সাধনা করেন নি তারাও এই নিয়ম অনুসরন করে নিজের ইচ্ছে পুর্তি করতে পারেন। প্রথমত আপনি যদি আপনার সাংসারিক জীবনে কোন বিষয় নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকেন, সমস্যায় জর্জরীত থাকেন, ঋনগ্রস্ত থাকেন তবে এই প্রক্রিয়ায় আপনার সমস্যার অনেকাংশে দুর করতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তার বিবরণ নিচে বর্ননা করা হলোঃ-
প্রথমত আপনার জন্ম কোষ্টির শুভ দিন দেখেনিন, সেদিন ভোরে বা খুব সকালে উঠে একটি সাদা কাগজে কালো কালিতে আপনার যাবতিয় সমস্যাগুলো লিখে ফেলুন, একটি নকশা বিহীন স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পরিষ্কার টিউবয়েলের পানি নিন। এবার এটি আপনার বসার টেবিলের উপর রেখে তার উপর কাগজটি রেখে দিন। হালকা কিছু চাপ দিতে পারেন যাতে কাগজটি উড়ে পরে না যায়। এবার সারাদিন আপনি প্রতিটি কাজে প্রতিটি সময় ভাবতে থাকুন কল্পনা করতে থাকুন আপনার সকল সমস্যা দুর হয়ে আপনার সুখের সময় চলছে। ঠিক দুপুর সময় যখন সুর্য আপনার মাথার ঠিক উপরে অবস্থান করবে, তখন গ্লাস সহ কাগজটি নিয়ে কোনো খোলা নির্জন স্থানে এসে সরলাশনে বসুন, চোখ বন্ধ করে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলোকে ভাবুন, মাথায় নিয়ে আসুন( যারা ত্রাটক সাধনা করেছেন তারা সমস্যাগুলোকে একত্রিত করে ত্রাটক মুডে তা গ্লাসে নিয়ে আসুন), এবার কল্পনা করুন আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো মাথায় একত্রিত হয়ে জটলা পাকাচ্ছে, এই জটলাকে ধিরে ধিরে নিচে আপনার বাম হাতে নিয়ে আসুন, কল্পনা করুন, অনুভব করুন, চোখ বন্ধ করে উপলব্ধি করুন, এবার সেই সমস্যাগুলো যখন আপনার বাম হাত বেয়ে নিচে নামতে নামতে আপনার বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলিতে চলে আসবে সে সময় খুব সর্ন্তপনে ডান হাতে একটি দড়ি নিয়ে বাম হাতের কব্জার কাছে পেচিয়ে বেধে ফেলুন। সমস্ত কাজটি করতে হবে চোখ বন্ধ করেই, কারন যদি আপনি ত্রাটক সাধক না হয়ে থাকেন তবে আপনার চোখ খুললেই যা ভাবছিলেন তা নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বাধা হয়ে গেলে আপনি চোখ খুলুন একটি ইনজেকশনের ছোট্ট সুচ নিয়ে আপনার যে আঙ্গুলিতে সমস্যাগুলোকে এনে জমা করেছেন সেই আঙ্গুলের ডগা ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করুন এবং তা গ্লাসের মধ্যে ফেলুন।(ত্রাটক সাধক গনের ফুটো করে রক্ত বের করতে হবে না, পানিতে সমস্যাগুলো ফেলে দিলেই হবে)। যখন রক্ত বন্ধ হয়ে আর বের হবে না। পূনরায় সেই কাগজটি তাতে ঢেকে দিয়ে নিজের ঘরে এনে টেবিলের উপর রাখুন। এবার ঠিক সন্ধ্যার সময় অর্থাৎ সুর্য ডোবার সময় আপনার বাড়ীর পশ্চিম শেষ মাথায় গ্লাস ও কাগজটি হাতে করে নিয়ে যান, সেখানে কাগজটি অন্য কোথাও রেখে গ্লাসটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করুন ভাবুন আপনার সকল সমস্যাগুলো গ্লাসে রয়েছে এবার সেগুলো আপনি আপনার জীবন হতে ফেলে দিচ্ছেন। এবং ভাবতে ভাবতে সকল পানি পশ্চিম দিকেই ঢেলে দিন, চোখ খুলুন, গ্লাস রেখে কাগজটি হাতে নিন, যা যা লিখেছেন তা পূনরায় একবার চোখ বুলান, মনে মনে বলুন পরবর্তীতে আর আপনি কখনো এসব লিখতে চান না, আপনার সমস্যার সমাধান আজ এই মুহুর্ত হতেই হয়ে যাবে। বলে কাগজটিকে ছিরে এতো ছোট করুন যার পর আর আপনি ছোট করতে পারবেন না। এবার কাগজগুলোও সেখানে উড়িয়ে দিন এবং গ্লাসটি নিয়ে চলে আসুন, পিছনে ফিরে তাকাবেন না।। ঠিক তিন দিন পর আপনাকে এই কাজটি করতে আবার কাগজে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো লিখতে হবে, তবে এদিন আর সকল সমস্যা আপনার থাকবে না, অবশ্যই আপনার তালিকায় অনেক সমস্যা বাদ পরবে, এদিন একই কাজ করতে হবে শুধু গ্লাসে রক্ত দিতে হবে না। এভাবে করতে থাকলে যত বড় সমস্যাতেই থাকুন না কেন তা ২১ দিনেই শেষ হয়ে যাবে।

The world-famous tantra receiving money (অর্থ প্রাপ্তির জগদ্বিখ্যাত তন্ত্র )

মনোবাসনা পূর্ণ ও অর্থ প্রাপ্তির বিশ্বের স্রেষ্ঠ তদবীরঃ

আমরা সর্বসাধরনের জন্য এমন একটি তদবীর পোষ্ট করছি যা একই সাথে দুস্থ মানুষদের যেমন উপকারে ব্যবহৃত হবে তেমনি অসংখ্য আর্থিক সঙ্কটে থাকা বিপদাপন্ন মানুষ হয়তো তার বিপদ হতে মুক্তি পাবে। এই তন্ত্রটি আমাদের ওয়েবের উপঢৌকন হিসেবে প্রেরন করেছেন মঙ্গোলিয়ার গুরু সিওয়াইম খান, আপনি খুব সহজেই নিজের আর্থিক সঙ্কট দুর করতে এই তদবীর ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি ওয়েষ্ট্রান তদবীর যা আমাদের চিরায়িত এশিয়ান তদবীরের মত নয়। আপনাকে প্রথমত কয়েকটি জিনিস জোগার করতে হবে। নিচে তার তালিকা ও নিয়ম বর্নিত হলো। এখানে আমাদের এই ওয়েবে শুধুমাত্র এই তদবীরটি সকলের করে উপকৃত হওয়ার জন্য সার্বিক অনুমতি দেওয়া হলো, তবে আপনি উপকৃত হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানে তার জন্য প্রতিষ্ঠানের অনুদানে কিছু প্রেরনের জন্য অনুরোধ রইলো। এতে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।
তদবীর ইকুইপমেন্ট তালিকাঃ
১) হলুদ, সাদা, গোলাপী (পিঙ্ক) কালারের তিনটি মাঝারি সাইজের মোমবাতী।
২) জেসমিন আতর (চামেলী ফুলের ঘ্রান থাকবে)
৩) এক টুকরা সাদা কাপড় ( ২x২’) দুই স্কয়ার ফিট।
৪) কিছু ঘর সুগন্ধ করার জন্য গোলাপ জ্বল, আগর বাতী, কর্পূর।
৫) একটি পবিত্র সাদা কাগজ।
৬) একটি নীল কালিতে লেখার কলম।

মন্ত্রঃ ”I am rich, I am masterful, I am wise, I am honored

The moon is as bright as the light shines everywhere

Give me the same way, make the wealthy rich as the sea,

Fill me with respect before you die”

বিধিঃ সর্বপ্রথম আপনাকে চন্দ্রমাসের পূর্নিমা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এবং এরপর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী নবচন্দ্র পর্যন্ত। আপনার কাজটি শুরু করতে হবে যে কোন পূর্নিমার রাত্রে কোন উচু স্থানে পূর্বদিকে মুখ করে বসে উপরক্ত মন্ত্রটি চন্দ্রের দিকে তাকিয়ে ৫০৭ বার পড়তে হবে। এবার পরবর্তী নব চন্দ্রের শুরুর দিন সন্ধ্যায় চন্দ্র দেখে একটি নির্জন ঘরে আসন পেতে বসবেন। সামনে তিনটি মোমবাতী দিয়াশালাই দ্বরা জ্বালাবেন এবং নিজের দের হতে দু হাত সামনে ত্রিকোন ভাবে রাখবেন। তার পর একটি সাদা পবিত্র কাগজে নীল কালিতে উপরোক্ত মন্ত্রটি লিখে তার নিচে আপনার পূর্ণ নামটি লিখবেন। এবার সাদা কাপড়টি সামনে বিছিয়ে তার উপর কাগজটি রাখবেন। এবার মোমবাতির দিকে দৃষ্টি নির্দিষ্ট করে ধ্যনের মত আপনার যত অর্থ ঋন বা প্রয়োজন তার কল্পনা করতে করতে মন্ত্রটি জপ করতে থাকুন। ১০১ বার মন্ত্রটি জপ করে কাগজের উপর একটি ফু দিবেন এবং কাগজটি সহ কাপড়টি আপনার চোখে বাধবেন এবং আপনার অর্থ পেয়েছেন বা কেউ আপনাকে আপনার চাহিদার অর্থ দিয়ে যাচ্ছে সেটি কল্পনা করুন, খুব মনযোগের সাথে কল্পনা করুন অন্তত্য ৩০ মিনিট এরপর কাজটি শেষ করুন। রাত্রে ঘুমানোর সময় কাগজ ও কাপড়টি চোখে বেধে ঘুমাবেন। এভাবে প্রতিদিন কাজটি করতে হবে পরবর্তী পূর্নিমা পর্যন্ত এর মধ্যেই আপনার ঋন পরিশোধ হবে আপনার চাহিদা পূর্ণ হবে।

সকল তান্ত্রিক আলোচনা গুলো পড়ুনঃ

Emergency Pursuit Rule (জরুরী সাধনা বিধি)

জরুরী আধ্যাত্মিক সাধনা বিধিঃ

বর্তমান সময়ে সাধনা করতে আগ্রহী ব্যক্তির সমাজে অভাব নেই, শোনা যায় অনেকেই বিভিন্ন শক্তি সাধনা করতে চাইছে, অনেকেই আবার বাজারের বিভিন্ন চটি বই পড়ে চটকদার মশলাদার গল্পকাহিনী পড়ে অনুপ্রানিত হয়ে সাধনা করতে যায়, ফলাফল যা হবার তাই, বৃথাই সময় শ্রম অর্থৎ নষ্ট, পরবর্তীতে বলে বেড়ায় এসকল সাধনা কোন কাজের না এসব হয় না। আমরা সকল সময়েই বলে আসছি প্রতিটি প্রাচীন প্রসিদ্ধ সাধনা যা আমরা শুনে থাকি তার অধিকাংশ দ্বারাই বর্তমান সময়ের মানুষও সফল হতে, সেটি হতে উপকৃত হতে পারে। তবে এটির মূল শর্ত হচ্ছে অবশ্যই আপনার মস্তকোপরি আপনার গুরুজীর স্নেহশীল হস্তের ছায়া থাকতেই হবে। আপনার যদি গুরু অর্থাৎ সিড়ি না থাকে তবে আপনি যতিই চেষ্টা চরিত্র করুন না কেন কোন সাধনাই আপনাকে দিয়ে সম্ভব হবে না। এটাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা। গুরুমুখি বিদ্যায় গুরু পরম পূজ্য। গুরু ভজন বিনা সিদ্ধি লাভ হয় না।
আমরা সাধনায় আগ্রহী ব্যক্তিদের কিছু নিয়মাবলি বিধি নিশেধ এখানে উল্লেখ্য করছি যা আপনি আপনার গুরুজীর নিকট হয়তো জিজ্ঞাসা করতে কুন্ঠিত হতে পারেন। এই বিষয়গুলো আপনার হৃদয়ে আত্মস্থ করে রাখতে হবে। আমাদের পরিশ্রমে যদি আপনি উপকৃত হতে পারেন তবেই আমরাও স্বার্থক হবো।
মনে রাখতে হবে পাঠক সবাই হতে পারে তবে তবে সাধক হওয়া যার তার কর্ম নয়। সাধনা করতে হলে আপনার হৃদয় কঠোর, দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি সম্পন্য, অত্যন্ত জেদি প্রকৃতির হলেই কেবল সাধনায় সফল হতে পারবেন। অল্প স্বল্প জ্ঞানি সাধক বা গুরুহীন সাধক সাধনা করতে গিয়ে নিজের বা সমাজের শুভ বা মঙ্গল করা তো দুর নিজের জীবন সংশয় করে ফেলে। আপনার যদি একজন সৎগুরু থাকে তবেই আমাদের সাধনা বিধী ও উল্লেখিত যে সকল সাধনা রয়েছে তার মাঝে যেটিতে আগ্রহ সেটি করতে পারেন। যদি আপনি গুরু নির্বাচনে ব্যর্থ হন তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে আমারে প্রসদ্ধ গুরুর স্বার্নিদ্ধেও সাধনা সম্পন্য করতে পারেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানের আওতায় যে কোন সাধনা করার সব চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে যে আপনি যে পর্যন্ত আপনার আকাঙ্খীত সাধনাটিতে সফল না হচ্ছেন সে পর্যন্ত আমাদের গুরু গণ আপনাকে ধরনের সহযোগিতা করবে। নিয়মাবলীঃ
১) সাধনার প্রথম কথাই হল ব্রহ্মচর্য পালন। সাধক পুরুষ হোক বা স্ত্রী তাকে ব্রহ্মচর্য পালন করতেই হবে। নতুবা সাধনায় সিদ্ধিলাভ অসম্ভব।
২) সাধক কোন স্ত্রী র্স্পশ্য করতে পারবে না। যদি সাধকের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা, ভগ্নি বা যেই হোক না কেন।
৩) কোন স্ত্রীর হাতের জল বা খাবার সাধক খাবে না। তার হাত দিয়ে কোন কাপড়ও কাঁচাবে না। সাধককে নিজের খাবার নিজেকে বানাতে হবে। নিজের কাপড় নিজেকে কাঁচতে হবে এবং ভুমি সয্যায় শয়ন করতে হবে।
৪)সাত্ত্বিক আহার করতে হবে। নিজ মন ও শরীরকে পবিত্র রাখতে হবে।
৫) সাধনা স্থলেই মাটিতে শয়ন করতে হবে।
৬)দেবী, দেবতা বা নির্দিষ্ট শক্তির সাধনা করার সময় তাঁর আসন সাধকের আসন থেকে উচুঁতে থাকবে।
৭) সাধনাস্থল যথা- নির্জন ঘর, শ্মশানভুমি, নদীতীর, চৌরাস্তা বা কোন গাছের ছায়ায় করতে যেখানে বাইরের জগতের গোলমাল প্রবেশ না করে।
৮) সাধনাস্থল যদি নির্জন ঘর হয় তবে তার রং গাঢ় নীল হবে। কম পক্ষে ঐ ঘরের পর্দার রং নীল হওয়া চাই।
৯) সাধক তার নিজের চোখে গাঢ় নীল রঙ্গের কাপড় বেঁধে রাখবে। এর ফলে শান্তি মিলবে।
১০) সাধনার পূর্বে মিষ্টি প্রসাদ, এলাচ ইত্যাদি নিজের কাছে রাখতে হবে। কারন আরাধ্যা দেবী/দেবতা/শক্তি এসে তার প্রসাদ চাইতে পারে। প্রসাদ দিতে দেরী হলে সাধকের প্রানহানীও হতে পারে। প্রসাদ দেবার আগে সাধক উক্ত শক্তিকে তিনটি প্রশ্ন করবে সাধক প্রশ্নের উত্তর নেওয়ার পর শক্তিকে প্রসাদ দিবে।
১১) ইনশেকশানের সুঁচ সাধক তার কাছে রাখবে। কারণ আরাধ্য দেবতা। শক্তি সাধকের রক্তও চাইতে পারে। যেমন কালী-মহাকালী। তিনি এসে বলতে পারেন যে আমার খুপড়িটা তোমার রক্ত দিয়ে ভরে দাও। তখন সাধক তাকে তিনটি প্রশ্ন করে তাঁর জবাব নিবে এবং নিজের কনিষ্ঠা আঙ্গুলীর ডগা সুঁচদিয়ে ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করে খুপড়িতে রেখে কিছুটা দেবীর জিভে লাগিয়ে দিতে হবে।
১২) যে তিনটি প্রশ্ন দেবীকে করবেন ও প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই নিবেন।
ক) যখনই আমি আপনাকে ডাকব,  আপনাকে আসতে হবে।
খ) যেখানে পাঠাব সেখানেই যেতে হবে।
গ) যে কাজের কথা বলব তা করে দিতে হবে।
১৩) নিজের আসন ও নিজেকে সুরক্ষা করতে অবশ্যই সুরক্ষামন্ত্র পড়ে নিতে হবে।

যে কোন সাধনার পূর্বে উপরক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তবে আশা করা যায় আপনার সাধনায় অনাকাঙ্খীত সমস্যায় পরে বিব্রত ও নিজের ক্ষতি হতে মুক্ত থাকতে পারবেন।
আধ্যাত্মিক সাধনাার সকল আলোচনা পড়ুন…

Jinn Pursuit (জ্বীন সাধনা)

জ্বীন সাধনা এবং ধন সম্পদ লাভের উত্তম উপায়ঃ

আজ আমরা যে সাধনা বিষয় আলোচনা করতে যাচ্ছি, এশিয়া তথা সারা মুসলিম জাহানের মুসলমানদের একমাত্র আকাঙ্খার সাধনা জ্বীন সাধনা নিয়ে। আমরা এ বিষয় কিঞ্চিৎ আলোচনা করা ও এরপর সাধনার বিধি প্রদান করার ইচ্ছে পোষন করছি।
আমাদের সমাজে লোক মুখে ও বিভিন্ন ভন্ড প্রতারক তথাকথিত জ্বীন সাধকদের দ্বারা ছড়ানো গুজব গুলোর পর্দা উত্তোলন করবো। যেনে রাখুন আমাদের দেশের তথা এশিয়া মহাদেশের গ্রাম গঞ্জে বা শহরাঞ্চলে অনেক জ্বীন বাবা, জ্বীন হুজুরদের সাক্ষাৎ পাই যারা নাকি জ্বীন চালান দিয়ে নানা বিধ কর্ম করে থাকে, জ্বীন দ্বারা হারানো মানুষকে খুজে দেয়, হারানো বস্তুকে খুজে দেয়। প্রেমিক প্রেমীকার মিলন ঘটায়, একজন সাধক অন্য কোন ব্যক্তিকে জ্বীন উপঢৌকন হিসেবে বা অর্থের বিনীময় দিয়ে থাকে। অনেকে জ্বীন দ্বারা কবিরাজী করে থাকে কার কি রোগ কার কি সমস্যা রোগী দেখেই বলে দেয়। আসলে এ সকল কিছুই সম্পূর্ণ ফেইক, ভুয়া, ভন্ডামী। তাহলে প্রশ্ন জাগতে পারে জ্বীন দিয়ে আপনি কি করবেন, বা জ্বীন সাধক রা জ্বীন দিয়ে কি করে। প্রথমত আপনাদের এ বিষয় অজ্ঞতার কারনেই তথাকথিত জ্বীন হুজুর বাবারা আপনাদের স্বরলতার সুযোগ নিয়ে এমন প্রতারনা করছে। বস্তুত কোন জ্বীন সাধক যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে এই বিষয়টি জানায় যে সে জ্বীন সাধক, বা তার সাহার্যাথ্যে কোন জ্বীন রয়েছে তবে সেই সময় হতেই সে এই শক্তি হতে হতাষ হবে অর্থাৎ তার জ্বীন তার সঙ্গ পরিত্যাগ করবে। আর কখনো সে জ্বীন দ্বারা নিজের বা অন্যের উপকার করতে পারবে না।

(অধ্যাত্মিক সাধনার সকল আলোচনা পড়ুন।)

জ্বীন একটি শক্তি যা মানুষ তার পরিশ্রম তথা সাধনা দ্বারা তাকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করে এবং তাকে তার প্রয়োজনে ডাকার শক্তি অর্জন করে। এখানে আমাদের জানা উচিৎ সকল সময় সে আমাদের চাইতে অধিক ক্ষমতাবান, আর যে জিনিস কে দেখা যায় না সে এমনিতেই ক্ষমতাবান। আর নিজের চাইতে ক্ষমতাশালী কাউকে দিয়ে অন্যের কাজ করানো বা দাসবৎ ব্যবহার করার কথা বা ইচ্ছে দুটোই গন্ড মুর্খদের হতে পারে, জ্ঞানির হবে না। জ্বীন সাধনা দ্বারা আপনি নিজের স্বার্থ হাছিল করতে পারেন, নিজের উপকার করতে পারেন। নিজ আর্থিক অনটন, কোন ব্যক্তিকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা, কোন গুপ্তধনের খোজ করা, আধ্যাত্বিক বিষয় জানা এক কথায় আপনার প্রয়োজনে তাকে নির্দিধায় কাজ করাতে পারেন। তবে কখনই আপনি তাকে অন্যের কাজ করাতে ব্যবহার করাতে পারবেন না। আর সাধারন একটি বিষয় বুঝতে পারে না অনেকেই সে যদি কাউকে অর্থ সম্পদ দেওয়ার ইচ্ছে করে তা অনায়েসেই দিতে পারে যা তার দ্বারা সম্ভব, কেন সে তা না করে তাকে দিয়ে কবিরাজি করাবে ভাবুন। আসলে এটি একটি পুরোদস্তুর ভন্ডামী। আবারো বলছি বিশ্বে জ্বীন সাধক রয়েছে অগনিত তবে তা আপনার জানা ব্যক্তিগুলো কখনই নয়, যারা সমাজে প্রতিষ্ঠিত, সফল তেনাদের মধ্যেই রয়েছে অনেকে যাদের দেখে হয়তো আপনি ভাবতেও পারবেন না তিনি জ্বীন সাধক। আমরা এ বিষয় আমাদের অন্য পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আজ এই সাধনা করার কয়েকটি প্রচলিত নিয়মের মধ্যে একটি সহজ নিয়ম আপনাদের সামনে উপস্থিত করছি। মনে রাখতে হবে, জ্বীন সাধনা অবশ্যই একটি কঠিন সাধনা, এর চাইতেও বড় বিষয় হচ্ছে সম্পূর্ণ বিধি বিধান মেনে তাকে সারা জীবন নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা, কারন এই উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্য শক্তি আপনার একটু আচার বিধি পালনে সমস্যা হলেই আপনাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে বা আপনার সমুহ ক্ষতিও করতে পারে। জ্বীন সাধকের অনেক সাধক সুধু বিধি বিধান না মেনে সাধনা করতে গিয়েই মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছে। আপনি যদি একজন সিদ্ধ পুরুষের স্বার্নিদ্ধে এই সাধনা করেন তবে অনায়েসেই সাধনায় সফল হয়ে সারাটি জীবন, ভৌতিক-পার্থিব সকল ইচ্ছের পূর্নতা ও সুখ বয়ে আনতে পারবেন।
জ্বীন সাধনার দোওয়াঃ  বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আ’যামতু আ’লাকুম ইয়া মা’শারাল্ জিন্নি ওয়াল ইনসি রবতান রবতান, মাহলান মাহলান, নাশরান নাশরান, মাহশারান মাহশারান, বিহাক্কি সুলাইমানা পয়গামবারাইনি দাউদা আ’লাইহমাস সালামা হাজির শাও, হাজির শাও, হাজির শাও।
নিয়মঃ জ্বীন হাজির করতে অবশ্যই চন্দ্রমাসের প্রথম শুভদিন দেখে শুরু করতে হবে, অবশ্যই যদি চন্দ্রমাসের শুরুর দিনটি বৃহষ্পতিবার হয় তবে সেটি সবচাইতে ভালো দিন। সাধনার জন্য একটি নির্জন পাক পবিত্র ঘর নির্বাচন করতে হবে। ঘরটি উত্তর মুখি বা পূর্বমুখি হলে ভালো, পর্যাপ্ত আলো বাতাস ঘরে আসা যাওয়া করতে পারে এমন হলেই শ্রেয়। ঘর সকল সময় সুগন্ধি যুক্ত রাখতে হবে। এমন স্থানে ঘর নিতে হবে যেনো সেখানে অন্যমানুষদের কোলহ আওয়াজ শব্দ মুক্ত থাকে। গুরুর নির্দেশনা অনুযায়ী একটি শুভ মুর্হুত দেখে উপরক্ত দোওয়াটি মুখস্ত করতে হবে সেই সাথে নিচের দেওয়া নকশাটি গোলাপ জ্বল, মেশক, কস্তুরী সহযোগে কোন নতুন সাদা কাপড়ের টুকরায় লিখিতে হইবে।অন্তত্য ১৪ টি নকশা কোন শুভ মুহুর্তে লিখে সঙ্গে রাখিবে। নিজের শরীরে সকল সময় সুগন্ধি ব্যবহার করিবে। সেলাই বিহীন নতুন সাদা বা এক রঙ্গা পশমী কাপড় পোষাক হিসেবে ব্যবহার করিবে, মাথায় পাগড়ী বা বড় টুপি ব্যবহার করিবে, নিজ আসন অবশ্যই পশ্চিম মুখি করবে। একটি পাট বা পশমী বা চামরার তৈরী আসন ব্যবহার করবে, দোওয়া জপ করার জন্য মুক্তার তৈরী তসবি বা কাঠের তসবী ব্যবহার করিবে। এবার চন্দ্রমাসের প্রথম বৃহষ্পতিবার অর্ধরাত্রিতে নিজ আসনে পশ্চিমমুখে বসে, সামনে তিনটি মোমবাতি জ্বালাইবে কোন সুগন্ধি তৈল, প্রদিপ ও দিয়াশালাই সঙ্গে রাখিবে। গুরু প্রদত্ত নির্ধারিত দরুদ ১১ বার পাঠ করে উপরক্ত দোওয়াটি এগারশত বার পাঠ করিবে এবং পরবর্তীতে পূনরায় দরুদ ১১ বার পাঠ করিবে। এবার সেই স্থানে বসেই উপরক্ত নকশাটির একটি সলিতা বানাইয়া সেই মাটির প্রদিপে তৈল দিয়ে জ্বালাইয়া দিবে। প্রদিপ জ্বলিতে থাকিবে, সেই স্থানের পার্শ্বেই মাটিতে বিছানা করিয়া কাহারো সাথে কথা না বলিয়া দরুদ পড়িতে পড়িতে শুইয়া পড়িবে। এভাবে একাধারে এই সাধনা চলিতে থাকিবে। ‍যেদিন তুমি নিজের শরীরে ভার অনুভব করিবে, বা হটাৎ মোমবাতি নিভিয়া যাইবে বা সামনে কেউ উপস্থিত হইবে। তাহাকে দেখিয়া ভিত না হইয়া তাকে স্ব-সন্মানে সালাম প্রদান করিবে, তার নাম জিজ্ঞাসা করিবে। তাকে তোমার সাথে থাকিয়া তোমার প্রতিটি কাজে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানাইবে। তাকে পরবর্তীতে ডাকিবার জন্য বিধি জানিয়া লইবে। এবং তার দিকে কিছু কস্তুরী আতর বা গোলাপ জ্বল ছিটাইয়া তাকে বিদায় জানাইবে। এরপর হইতে নিজের প্রয়োজনে তাকে স্বরন করা মাত্র তার ‍উপস্থিতী অনুভব করিবে।

٧٨٦

۸

١١

١٤

١

١٣

٢

٧

١٢

٣

١٦

٩

٦

١٠

٥

٤

١٥

আধ্যাত্মিক সাধনার সকল আলোচনা সমূহ দেখতে এখানে ক্লিক করুনঃ-

Willful Pursuit (মোহম্মদা বীর সাধনা)

Willful Pursuit (মোহম্মদা বীর সাধনা)

ইচ্ছাপূর্ণ সাধনাঃ

এটি অত্যন্ত সরল, নির্ভুল মুসলমানী সাধনা। এটি সফল হলে মোহম্মদা-বীর প্রকট হয়ে সাধকের সব ইচ্ছাপূরণ করে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মুসলমানী দেবতা। এ পীর পয়গম্বরের মতো শক্তিশালী, সরল ও দয়ালু। এই দেবতা মাত্র ২১ দিনের সাধনাতেই প্রকট হন এর সাধনা পদ্ধতি অত্যন্ত সরল।
সাধনা বিধিঃ যে কোন শুক্রবার রাতে স্বচ্ছ বস্ত্র পরে ধুতি ও মাথায় জালিদার টুপী পরে সাধক হাঁটু গেড়ে বসে লোবানের ধূপ দিয়ে পূজা আরম্ভ করবে। এইভাবে ২১ মন্ত্র ও ২১ লোবানের ধূপের আহুতি দিয়ে প্রতিদিন এরুপ করবে। ২১ দিন সাধনা করলে মোহম্মদা-বীর সাধকের সামনে এসে তার মনোবাসনা পূর্ণ করে। এই ক্ষেত্রে সাধককে ব্রক্ষচর্য্য পালন করতে হবে। যন্ত্রটি নিম্নরুপঃ-
মন্ত্রঃ-“বিস্মিল্লা রহিমানির্রহীম পাঁচ ঘুংঘরা কোট জঞ্জীর জিস পর খেলে মোহম্মদা বীর, সওয়া মন কা তীর জিস পর খেততা আয়ে মোহম্মদা বীর-হাত পৈর কী খাবে পীর সুখী নদী বহাবে নীর নীলা ঘোড়া নীলী জীন জিস পর চড়ে মুহম্মদা বীর, সওয়া সের কাপীসা খায় অঙ্কী কী খবর লগায়ে মার-মার করতা আয়ে বাঁধ-বাঁধ করতা আয়ে, ডাকিনী কো বাঁধ কুরা-বাবড়ী সেলাবো সোতী কোলাবো, পীসতী কো লাবো, পকাতী কো লাবো, জলদী জাবো হজরত ইমাম হুসৈন কী জাংঘ সে নিকাল কর লাবো, বীবী ফাতমা কে দামন যে খোল কর লাবো নহী তো মাতা কা চুথা দুধ হরাম করে।”

(সাধনা করার সময় তৈল প্রদীপ সব সময় জ্বলবে যাতে মুহম্মদা বীরের আসতে সুবিধা হয়।)

Pir-Heroes-Treasure Pursuit (পীর-বীর গহনা-সাধনা)

পীর-বীর গহনা-সাধনা (বলিষ্ঠদের সাধনা)

এই সাধনার দ্বারা সাধক সকল সময়ে তার একজন বিশ্বস্থ্য সহচর সাথে পাবে যার মাধ্যমে সাধক যে কোনও সমস্যা হতে নিরাপদ থাকতে পারবে, সাধারনত রাজনৈতীক হস্তিগণ এই সাধনার দ্বারা নিজের ও নিজ পরিবারের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে এ ছাড়াও এই সাধনার সাধক গন বিভিন্ন উপকার লাভ করতে পারে। এটি অনেক সহজ একটি সাধনা যা ১৪ দিনেই সম্পন্য হয়ে থাকে, সাধনা পদ্ধতী অনেক সহজ। শুধু একজন সৎগুরুর অনুমতি নিলেই অনায়েসে এই সাধনা করে যে কেউ সাধক হয়ে যেতে পারে।
সাধনা মন্ত্রঃ পীর-বির গহনা ধুং ধু করে সওয়া সের সওয়া তোলা খায়, অসসী কোস ধাবা করে সাতসৌ কুতল আগে চলেু সাতসৌ কুতল পীছে চলে ছপ্পন সে ছুরী চলে বাবন সে বীর চলে জিসমে গঢ় গজনী কা পুরী চলে ঔরোকী ধ্বজা উখাড়তা চলে অপনী ধ্বজা টেকতা চলে সোতে কো জগাতা চলে বৈঠে কো উঠাতা চলে হাথো মে হথকড়ী গেরে পৈরো মে বেড়ী গেরে হলাল মাহী। দিঠ করে মাহী পীঠ করে পহলবান নী কুং ইয়াদ করে ঠঃ ঠঃ ঠঃ(নিজ নাম উচ্চারন করতে হবে)।
বিঃদ্রঃ এই মন্ত্রটি জিনি সাধনা করবেন তার পূর্বে অবশ্যই পূনরায় এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করে উচ্চারন ও সংশধন করে নিবেন।
সাধনা বিধিঃ কোন গ্রহন কালে বা হোলির রাতে এই সাধনা শুরু করতে পারেন। প্রতিটি সাধনার ক্ষেত্রেই মনে রাখতে হবে কখনই সাধনার মাঝ পথে বিরতী দেওয়া চলবে না, বা কোন কারনে বাধ সাধলে অবশ্যই পূনরায় শুরু করতে হবে। সাধনার ক্ষেত্রে নির্জন স্থান প্রসস্থ অন্যথায় একক ঘর ব্যবহার করতে হবে, ঘরে যেনো কেউ প্রবেশ না করে, কুশ বা পাটের তৈরী মোটা চট বা কাপড়ের আসন বিছিয়ে বসবে, নিজের শরীরের কাপড় অবশ্যই স্বচ্ছ নতুন ও সেলাই বিহীন হতে হবে। নিজের সংগে চামেলী ফুলের মালা ও ফুল রাখতে হবে। সাধনার শুরু হতে শেষ অব্দি প্রদিপ জ্বালীয়ে রাখতে হবে, কখনই প্রদিপ নেভানো যাবে না, সে জন্য সাধনায় বসার পূর্বেই সেই মত প্রস্তুতী গ্রহন করবে। একবার মন্ত্র বলে, নিজের আসনের সামনে, প্রদীপের পাশে চামেলীর একটা ফুল রেখে পূজা করতে হবে। দীপকের শিখার কাছে হালুয়া ভোগ দিতে হবে। প্রতিদিন তিন মালা জপ করতে হবে। প্রতিবার মালা জপ করার পর হালুয়া ভোগ দিতে হবে এর পর মালাটাও প্রদীপের সামনে অন্য ফুলের পাশে রাখতে হবে। এই ভাবে লাগাতার “বির গহনা পীরের” সাধনা করে যেতে হবে। সাধনার শেষ দিনে অর্থাৎ চৌদ্দতম দিনে “পীর-বীর গহনা” সশরীরে প্রকট হবেন সাধকের সামনে। সাধক তখন নির্ভয়ে তাকে চামেলী ফুলের মালা পরিয়ে দেবে ও হাতে হালুয়া ভোগ দেবে। তখন থেকেই বির গহন -পীর সাধাকের সেবক রুপে কাজ করবে।

Angels Pursuit (মোয়াক্কেল সাধনা)

Angels Pursuit মোয়াক্কেল সাধনাঃ

নিচের সাধনাটি যেমন সহজ সরল তেমনি এর ফলাফল ও আশ্চার্য্য এবং অবধারিত। আমলকারীকে কয়েকটি বিষয় বিশেষ ভাবে লক্ষ রাখিতে হইবে। সর্বদা নিজেকে পাক সাফ রাখিতে হইবে। আমলের স্থানটিকে পবিত্র রাখিতে হইবে। নির্দিষ্ট কার্য্য আরম্ভ করিয়া কার্য্য কালে কাহারও সাথে কোন প্রকার বাক্যালাপ করিতে পারিবে না। আমল বুধবার দিবাগত বৃহস্পতিবার রাত্রে আরম্ভ করিয়া পরের সপ্তাহ পর্যন্ত অর্থাৎ আবার বুধবার দিবাগত বৃহষ্পতিবার রাত্রে শেষ করিবে। আমলের এই পনের দিন মাছ-মাংস আহার না করিয়ে নিরামিশ খাদ্য ভোজন করিবে। নিম্নোক্তরুপে সুরা ইখলাস পাঠ করিবে।
সুরাঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, ক্বুলহু আল্লাহু আহাদ। আজিব ইয়া জিব্রাইলু আল্লাহুচ্ছামাদ। আজিব ইয়া ইস্রাফিলু। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। আজিব ইয়া আজ্রাইলু। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কু’ফুয়ান আহাদ। আজিব ইয়া………
বৃহষ্পতিবার রাত্রে আরম্ভ করিয়া ইহা চৌদ্দ রাত্রি পর্যন্ত প্রত্যহ ছয় হাজার বার করিয়া পড়িতে হইবে এবং পনের তারিখ অর্থাৎ বৃহষ্পতিবার রাত্রে ষোল হাজার বার পড়িয়া মোট এক লক্ষ বার খতম করিবে। ঐ রাত্রে লোবান, কর্পূর ইত্যাদি জ্বালাইবে এবং অন্যান্য খুশবু ব্যবহার করিবে। উহার পর শুক্রবার রাত্রে দুই হাজার বার শুধু সুরা ইখলাস পাঠ করিয়া ইস্তেগফার পড়িতে থাকিবে। রাত্রি যখন প্রায় ভোর হইয়া আসিবে তখন একবার নিম্নের দোওয়াটি পাঠ করিবে। ***“রাহমাতুন আলাইকুম আইয়্যুহাল খুদ্দাম হাজিহীচ্ছুরাতুশ শারীফাুত আইয়্যাজিবুলী ওয়া ইন তানুনী বেহাক্কি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি মা তাফছুদুনা ইল্লা মাছার তুমুল আজাবতা লাদাওয়ানী ওয়াল আফামাহা লা’তায়াতী মাছিররাউ ওয়া আহ্দাহু ওয়া আতিও বেহাক্কি ক্বাউলিহী তায়ালা আদ্‌উনী আসতাজিবলাকুম ইন্নাল্লাজীনা তাছায়ালুনা আন ইবাদাতি ছাইয়াদ খুলুনা জাহান্নামা ওয়া আখারিনা।” *** (অবশ্যই সাধনা শুরুর পূর্বে এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করে সাধনা প্রদান কারী মুফতির নিকট হতে সম্পূর্ণ দোওয়াটি পূনরায় সঠিক উচ্চারণে গ্রহনের অনুরোধ রইলো।)
এই দোওয়াটি পাঠের পরে তিনজন মোয়াক্কেল উপস্থি হইয়া বলিবে “আচ্ছালামু আলাইকুম ইয়া আবাদাচ্ছালেহ ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু” আমরা এই সুরার খুদ্দাম আপনি কি চাহিতেছেন? তখন তাহাদের নিকট আনুগত্য, তা’জীম এবং বাধ্যতার কথা প্রস্তাব করিলে তাহারা ঐ সব স্বীকারপূর্বক বলিবে- আপনাকে আমাদের কিছু শর্ত স্বীকার করিতে হইবে, নচেৎ আপনার উদ্দেশ্য সফল হইবে না।
শর্তসমুহ এই যে, আজ হইতে যাবতীয় অন্যায় কাজ হইতে বিরত হইতে হইবে, মিথ্যা পরিত্যাগ করিতে হইবে, প্রত্যেক বৃহষ্পতিবার রোজা রাখিতে হইবে, এবং প্রত্যেক জুময়ার রাত্রে একশত একবার সুরা ইখলাস পড়িয়া তাহাদের জন্য সওয়াব বখশেশ করিবেন। আমল কারি আল্লাহকে সাক্ষী রাখিয়া এই সমস্ত কথাগুলি স্বীকার করিলে মোয়াক্কেলগণ তাহার সহিত করমর্দন করিয়া বলিবে, আপনি আজ হইতে আমাদের ভাই, আপনার যাবতীয় হাজত আমরা পুরা কারিয়া দিবো। একজন বালিবে যে, আমার নাম আবদুল ওয়াহেদ আপনি যখন সুরা ইখলাস আহাদ পর্যন্ত পড়িয়া  বলিবেন, ইয়া আবদাল ওয়াহেদ। আমি তখন’ই আপনার সামনে হাজির হইবো। আপনার প্রয়োজন হইলে আমি আপনাকে চক্ষের একটি পলকের মধ্যেই মক্কা শরীফ, মদিনা শরিফ জেয়ারত করিয়া আবার পূনরায় এখানে ফিরিয়া দিয়া যাইবো। দ্বিতীয়জন বলিবে আমার নাম আবদুচ্ছামাদ যখন আপনার কোন দরকার হইবে তখন এই সুরা সামাদ পর্যন্ত পড়িয়া জোড়ে বলিবেন ইয়া আবদাচ্ছামাদ। আমি তখনই উপস্থিত হইবো, আমার কার্য এই যে আপনার ইচ্ছেনুসারে আমি আপনাকে হালাল রুজি আনিয়া ‍দিবো, কখনও আপনার কোনরুপ আহারের অভাব পড়িবে না।  তৃতীয় মোয়াক্বেল বলিবেন, আমার নাম আবদুর রহমান। যখন আপনার কোন দরকার হইবে তখনি আপনি সুরা ইখলাস শেষ পর্যন্ত পড়িয়া ইয়া আবদার রহমান বালিয়া ডাক দিবেন। আমি চোখের পলকেই আপনার সামনে এসে উপস্থিত হইবো। আমার কার্য এই যে আমি আপনাকে বহুবিধ গুনজ্ঞান ও আশ্চর্য্য বিদ্যা শিখাইয়া দিব। ইহার পরে ঐ তিনজন আল্লাহর নামে সিজদাহ করিতে বলিলে আমলকারি আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদাহ করিবে। ওনারা বিদায় নিয়ে চলে যাবে। এরপর হতে আপনার আমল ও কামেলিয়াত দ্বারা জীবন যাপন শুরু করিতে হইবে।
Admin address…