The way to gain the grace of God (স্রষ্টার কৃপা লাভের উপায়)

কি ভাবে আমাদের প্রার্থনা কবুল হবে-

প্রার্থনা কবুলের হাজারও শর্ত আমরা জানি। ইতিমধ্যে এধরনের প্রশ্ন অনলাইন মিডিয়ায় এসেছে বিভিন্ন ধর্মীয় গুরু মহাগুরু পাদ্রি মুফতী কর্তৃক এর সমাধান উত্তর আমরা দেখেছি বা শুনেছি। কিন্তু সেসব কিছু মানার পরেও আমাদের প্রার্থনা কবুল হচ্ছেনা। কিন্তু কেন কবুল হয়না আমি যাকে ভালোবাসি, কায়মনে যার দাসত্ত করি সে কেনো আমাকে ভালোবাসবেনা, আমার প্রার্থনা শ্রবন করবেনা, তার কৃপাদৃষ্টি ফেলবেনা। আমি যাকে ভালোবাসবো সেও আমকে ভালোবাসবে তবেই হবে ভালোবাসা নতুবা সেটা ভালোবাসা না সেটা কোন প্রেম না। স্রষ্টার সাথে যে প্রেম সে প্রেম একতরফা হবে কেন।আজ আমরা জানবো স্রষ্টার সাথে সত্যিকার অর্থে হৃদয়ের অন্তস্থল হতে কিভাবে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করা যায়।

আমরা জানি বিভিন্ন ধর্মমত অনুসারে আমরা একএক ধর্মের লোক স্রষ্টাকে একএক নামে ডাকি।কিন্তু প্রাকৃতপক্ষ্যে সবাই আমরা এক স্রষ্টার কাছেই আরাধনা করি।সে বিষয়ের উপরেই আজকের আলোচনা। এবার হতে আপনারা কেউ স্রষ্টার কাছে কোন প্রার্থনা জানিয়ে বা আরাধনা পেশ করে নিরাশ হবেন না। আজ থেকে প্রতিটি প্রার্থনা অবশ্যই কবুল হবে। স্রষ্টার সাথে আমাদের যে সম্পর্ক্য হবে সেটা হবে ভালোবাসার, শ্রদ্ধার, আত্বিক, খাদহীন, আর স্রষ্টাও তার সৃষ্টিকে অবশ্যই ভালোবাসবে এবং সে ভালোবাসাটা হবে নিগুড় ভালোবাসা। তো প্রথমেই আমাদের জানা উচিৎ কিভাবে আরাধনা করলে সৃষ্টি কর্তা কখনই আমাদের বিমুখ করবে না। এ জন্য আমদের কিছু সর্ত মানতে হবে।সর্তগুলো হচ্ছেঃ ধর্মমত অনুসারে আমরা জানি শরীর পাক, হৃদয় পাক, অন্তরের বিশ্বাষ অবশ্যই জরুরী। তবে এখানে আমি একটা কথা বলতে চাই, সেটি হচ্ছে শরীর পাক- এ বিষয়টি জরুরী নয়। কারন বান্দা যেকোন মুহুর্তেই স্রষ্টাকে ডাকতে পারে। আমার কোলের সন্তান যদি কাদা মাটি বা নোংরা কিছু শরিরে মেখে আমার দিকে ছুটে আসে তাহলে কি আমি তাকে কোলে নিবো না নাকি লাথি মেরে তাকে ফেলে দিবো? সেটা কখনই হয়না। এতএব স্রষ্টাকে আমি যখনই ডাকি যে অবস্থাতেই ডাকি না কেন তিনি আমার ডাকে সাড়া দিবেই। তবে এখানে কিছু শর্ত আছে, যা আমাদের মানতে হবে আমি যদি স্রষ্টার কথা মানি স্রষ্টাও আমার কথা মানবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সর্তগুলো কি ?
সর্তঃ-
>> প্রথম সর্ত হচ্ছে হারাম খাওয়া যাবে না-

বর্তমান সময়ে আমরা দেখি “সুদ আর ঘুষ” এই দুইটা জিনিস এমন এক পর্যায়ে চলে এসেছে। যা আমাদের চলমান জীবনের সঙ্গি হয়ে গেছে। বর্তমান সমাজে আমরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এই জঘন্য গরহিত কাজটিকে হালাল করার চ্ষ্টো করি, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যেটা হারাম সেটা হারামেই। আমরা যদি টয়লেটের পায়খানা সুন্দর করে একটা প্লেটে সাজিয়ে তার উপর কেকের পেষ্ট লাগিয়ে কোন ব্যক্তির নিকট উপস্থাপন করি তাহলে কি সে টা কোন মান সম্মত খাবার হবে? ঠিক তেমনি ভাবে ধর্মের নামে ব্যাংক খুলে সেখানে হালাল টাকা রাখি আর আমরা সুদের পরিবর্তে নাম দিয়েছি মুয়াজ্জাল, মুরাবাহ, ইসতিসনা, মুদারাবা, মুশারাকা ইত্যাদি যার গভিরে দেখলেই বোধগম্য হয় উপরে এক ভিতরে এক। তা হালাল বলে চালিয়ে দেই। কিন্তু আমরা জানি সুদ সুদেই এটা খাওয়া ব্যবহার চলবে না।বর্তমান সময়ে একটা প্রথা বহুল প্রচলিত আছে সমিতি বা ইন্জিও। এগুলো থেকে আমরা টাকা নিয়ে থাকি বিনিময়ে আমাদের সুদ দিতে হয়।যেহুতু সব খানেই আমরা দেখেছি যে, সুদ দেওয়া বা সুদ খাওয়া দুটোয় সমান তাহলে এগুলো কখনই চলবে না।
পৃথিবীতে এমন কোন ধর্ম নেই যেখানে বলা আছে সুদ ও ঘুস খাওয়া বা দেওয়া যাবে। যেহুতু এটি একটি ধর্ম বিরোধী কাজ তাহলে অবশ্যই এ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।

অনেক বড় একটি সমস্যা যৌতুক প্রথা, আমাদের দেশের আলেম, ওলামা, দাড়ি, টুপি ওয়ালারা প্রায়শই বলে থাকে যৌতুক নেয়া বা দেয়া যাবে না, কিন্তু কঠিন দুক্ষের বিষয় ব্যক্তিগত জীবনে যত আলেম ওলামা দাড়ি টুপি ওয়ালা দেখলাম কাউকে যৌতুক ছাড়া বিয়ে করতে দেখলাম না, তবে এর উল্টোটা মাঝে মাঝে চোখে পড়ে তা হলো যারা ধার্মিক না তারাই কিন্তু অনেকেই যৌতুক ছাড়াই বিয়ে করছে। অবশ্যই এখানেও ওই একটি বিষয় রয়েছে যেমন ধার্মিকরা যৌতুক নেয় না অনেকেই তাদেরকে আবার খুশি করে দিতে হয়। আমি বলবো সেই সকল মানুষদের যতদিন সেই মেয়ে আপনার বাড়ীতে থাকবে তার সন্তান সন্ততী আপনার ওয়ারিস হয়ে থাকবে ততদীন পর্যন্ত আপনার পরিবারের কাহারো কোনোদিন নেক মাকসুদ উপর ওয়ালার তরফ হতে পূর্ন হবে না, কারন আপনি একটি পাপের বৃক্ষ রোপন করেছেন, যা পাপে জারিয়া হয়ে আপনার রক্তে মিশে গেছে।

>> প্রানী ভক্ষন চলবে না-
এই বিষয়টিতে অনেকেই দ্বিমত পোষন করে থাকে কিন্তু একটু ভাবুন, পৃথিবীতে যতগুলো আমলে তাবিজাৎ আধ্যাতিক কিতাব রয়েছে সকল কিতাবের শুরুতেই এটি বলা রয়েছে যে কোনো ধরনের প্রানী হত্যা বা ভক্ষণ চলবে না। এখানে আমার ব্যক্তিগত একটি কথা হচ্ছে দেখুন সকল কিছু স্রষ্টাই যদি একজন হয়ে থাকে তবে কি করে একজন স্রষ্টা তার সৃষ্টি জগতের একটি অন্যটিকে ধ্বংস করবে সেটিতে সন্তুষ্ট হতে পারে??
>> লুঙ্গি বা ধুতি পরে প্রার্থনা কবুল হয়না-
এই কথাটির সাথেও সকলেই দ্বিমত পোষন করতে পারেন, কিন্তু বাস্তবিকতা এটাই যে স্রষ্টার নিকট যখন আপনি প্রার্থনা করবেন তখন এমন পোষাক পরিধান করে প্রার্থনা করুন যার নিচের দিক হতে গোপনাঙ্গ ঢাকা থাকে। কখনই লুঙ্গি বা ধুতি বা এমন কিছু পড়ে প্রার্থনা করবেন না।
>> আপনার প্রার্থনার বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করা যাবে না-
আপনার সাথে স্রষ্টার সর্ম্পক্য ভালোবাসার সকল ক্ষেত্রেই দেখা যায় দুজনের স্থলে তিনজন হলেই সেখানে সমস্যা সৃষ্টি হয়, প্রেম আর প্রেম থাকে না, তেমনি আপনি স্রষ্টার সাথে কথপোকথনের সময় যদি বিষয়গুলো অন্য কাহারো সাথে শেয়ার করেন বা কেউ যেনে যায় তবে সেই প্রার্থনা কবুল হওয়ার সম্ভবনা থাকে না।
 
>> সকল সময় প্রার্থনা কালিন চেষ্টা করবেন একক ভাবে নির্জনে বসে স্রষ্টার নিকট মনের আহাজারি জানাতে, গোপনিয়তা খুবই প্রয়োজনিয়, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, পেগোডা ইত্যাদিতে গিয়ে সমিষ্টিগত প্রার্থনা করতে হলে সমিষ্টিগত স্বার্থের বিষয় প্রার্থনা করুন, কিন্তু নিজের একান্ত চাহিদা পূর্নের ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্জনতা একাকিত্ব নির্বাচন করুন।
>> প্রার্থনার ক্ষেত্রে কখনই দ্বিতীয় অপশন রাখবেন না-
অর্থাৎ ধরুন আপনার ১ লক্ষ টাকার প্রয়োজন, আপনি হয়তো আপনার কোনো নিকট জনের নিকট চেয়েছেন, সে আপনাকে বলেছে দেখা যাক আমি চেষ্টা করছি, এমতা বস্থায় আপনি প্রার্থনাতে বসলে স্বভাবতই আপনার মনে আসবে, উপর আলা দিক না তো আমার সেই নিকটজন যেনো দেয়। এমন ক্ষেত্রে প্রার্থনা কবুলের সম্ভবনা থাকে না, যখন কিছু স্রষ্টার নিকট চাইবেন তখন যেনো আপনার অন্য কোনো অপসন খোলা না থাকে, এ জন্যই দেখা যায় ঠিক তখনি আমাদের অধিকাংশ প্রার্থনা কবুল হয় যখন আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়।
 
>> সর্বশেষ শর্ত হচ্ছে যখন স্রষ্টার নিকট কোনো কিছু চাইবেন তা অন্তরের অন্তস্থল হতে কেদে কেদে চাইবেন, স্রষ্টার নিকট আপনার অশ্রুর মূল্য অনেক, আপনাকে সে কখনই খালি হাতে ফিরাবে না।উপরক্ত শর্তগুলো মেনে আজই স্রষ্টার নিকট প্রার্থনা করুন দেখুন আপনার প্রার্থনা সাথে সাথেই কবুল হবে।

Human soul transforms into various animals-মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে

মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে

মানুষ্ব আত্না নিয়ে হয়তোবা আপনারা ইতেমধ্যেই অনলাইন মিডিয়া, বই পূস্তুক ও বিভিন্ন জ্ঞানী ব্যক্তির নিকট হতে বিভিন্ন মতবাদ, ব্যাখ্যা ও কারন শুনেছেন। আজকে আমি আপনাদের কাছে এই আত্না বিষয়ে অতিগুরুত্বপূর্ন বাস্তব এবং আধ্যাতিক বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আপনারা  পোষ্টটির শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আর নিয়মিত আমাদের সাথেই থাকবেন, কারন আমরা আপনাদের জন্য আরও গভীর ও জ্ঞানগর্ভ বিষয় যেমনঃ আত্না, মৃত্যু, মৃত্যুপরবর্তী জীবন, আত্নার বিভিন্ন রুপ ও তার কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা আপনারা ইতি পূর্বে কোন বইপুস্তুক বা অনলাইন মিডিয়ায় দেখেননি ও শুনেননি। পোষ্টটির কোন বিষয় যদি আপনার কাছে অতি রন্জিত বা অসামঞ্জস্যপুন্য মনে হয় কিংবা আপনার বাস্তবিক চলমান জিবনের নিরিক্ষে তা মিলে যায় তবে অবশ্যই পোষ্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। চলুন তাহলে অতিপ্রাকৃত জ্ঞানের সাগরে কিছুক্ষন ঘুরে আসি।
আজকের বিষয় হলোঃ- ”মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে”
আপনি একটু বোঝার চেষ্টা করুন, আজ থেকে কিছুকাল পূর্বেও এই পৃথিবীতে হয়তো কিছুই ছিলো না, ছিলো না আপনার পূর্বপুরুষ বা আপনি। ছিলোনা আপনার কোন পরিচয়।ধরুন এক হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীতে মানুষ ছিলো ১০ কোটি আর পশু পাখি ছিলো ১ হাজার কোটি। এখন দেখুন পৃথিবীতে মানুষ ৭শ কোটি আর পশুপাখির অবস্থান কোথায়। সংখ্যামূলক ভাবে প্রানীর প্রান ঠিকই আছে শুধু পরিবর্তন হয়েছে জাতের বা ডিজাইনের। পদার্থ বিদ্যার সজ্ঞানুসারে শক্তির কোন ক্ষয় বা ধ্বংস নেই, শক্তি এক রুপ হতে অন্য রুপে পরিবর্তন বা বহু রুপে বিভাজন হতে পারে। আপনি যে স্থানে বসবাস করিতেছেন ঠিক সেই স্থানে ১শ বছর পূর্বে হয়তো বা বন জঙ্গল বা অন্য কিছুর বসবাস ছিলো, মনে করেন সেই বনে ১ হাজার পশুপাখি ছিলো কিন্তু মানুষ ছিলো গুটি কয়েক। কিন্তু আজ সেখানে দেখুন আপনাদের সংখ্যা কত, আর পশুপাখির সংখ্যা কত? বাস্তবিকে যা ঘটছে, তা হলো প্রানের সংখ্যা স্থীর রেখে, প্রানী বিভাজন হচ্ছে। একদিকে যেমন বাড়ছে মানুষ অন্যদিকে বিভিন্ন পশুপাখির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। আপনি যদি বিজ্ঞানকে বিস্বাস করেন তাহলে দেখা যাবে যে, পশুপাখির মৃত্যুর হার বৃদ্ধিতে মানুষের জন্ম বাড়ছে। এবার তাহলে আসল সত্যটির পর্দা সম্পূর্ন উঠানো যাাক। ধরুন আপনার বাড়ির একটি পোষা বিড়াল মারা গেলো বা আপনার এলাকার জঙ্গলের একটি শৃগাল মারা গেলো, এখানে এটাই কি শেষ? তা কিন্তু নয়, সেই বিড়াল বা শৃগাল মুক্ত প্রান (আত্না) টি এক মুহূর্তের জন্যেও শূন্যাবস্থায় থাকবেনা সঙ্গে সঙ্গেই সে অন্য কোন প্রানীর ভ্রনে প্রতিস্থাপিত হয়ে যায়। হতে পারে এটি কোন স্রষ্টার নিয়ম তান্ত্রিক  শৃঙ্খল বা প্রকৃতির অমঘ চিরায়িত নিয়ম। এমনি ভাবে একজন মানুষ্ব প্রান (আত্না) যখন তার নশ্বর দেহ ত্যাগ করে খুব কম সময়ই তা পুনরায় মানুষ্ব ভ্রনে স্থাপন হয়, নিয়মানুসারে তা অন্য কোনো প্রানীতে প্রতিস্থাপিত হয়। বিভিন্ন ধর্ম মতানুসারে, যাকে আমরা কর্ম ফল ভোগের অধ্যায় বলে থাকি। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, সৌরমন্ডলের এই গ্রহে যতটুকু শক্তি, প্রান আদিতে ছিলো বর্তমানে এবং অদুর ভবিষ্যতেও তাই থাকবে আমাদের পরবর্তী পোষ্টে এ সম্পর্কিত আরো অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর আমরা দিবো।

Ghost mystery Life after death প্রেতাআত্নার বা ভৌতিক রহস্য

প্রেতআত্মা কি?

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে। সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মাঝে সবচাইতে বেশি আগ্রহের বিষয়বস্তু আত্না বা প্রেতআত্মা নিয়ে। অনলাইন মিডিয়ায় ও চলমান জিবনে প্রায়সই আমরা এই প্রশ্নের মুখো মুখি হই। বিভিন্ন ধর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে  বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতবাদ আমরা শুনে থাকি। যেখানে বাস্তবতা ঠিক তার উল্টটা।আজ আমরা এ বিষয়ে একজন মহান দেহতত্ববিদের উক্তি আপনাদের সামনে উপস্তাপন করবো। আমাদের পরম আক্ষাংকা ও জিজ্সার বস্তু এই প্রেতআত্মা আসলে কি?
আসলে এটি একটি মজার বিষয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের, হোক সে নিম্নবিত্ত কিংবা উচ্চবিত্ত, সে যদি নেহায়েত গন্ডমূর্খ বা উচ্চশিক্ষিত কোন উচুস্তরের ব্যক্তিও হয়ে থাকে, এই একটি বিষয়ে সকলে একি কাতারে দাড়িয়ে যায়। কারন টা অবশ্য খুব সহজ। যেহুতু এক অজানা অচেনা ও অদেখা সঙ্কা ও সন্ধিহান অনুভূতি, ঠিক যখন থেকে আমাদের ‍বুদ্ধির তালা খূলেছে, সে সময়ই পরিবেশগত বা সঙ্গদোশের কারনেও হতে পারে, এটি আমাদের অবোচেতন হৃদয়ে স্থায়ীভাবে স্থান করে নেয়।
আজ আমরা, এই অধিভৌতিক ব্যপারটি নিয়ে আলোচনা করবো।
ইতি পূর্বে আমাদের একটি ভিডিওতে আত্না কি এ সম্পর্কিত আলোচনা করেছি। আমরা জানি, আত্না একটি অবিনস্বর চলোমান শক্তি, যা প্রকৃতির চিরায়িত নিয়মে একটি ‍নিদিষ্ট সময় পরপর তার নস্বর দেহ পরিবর্তন করে। যখন একটি আত্না মানুষ্ব শরীর হতে প্রাকৃতিক নিয়মেই অন্য একটি প্রানীর শরীরে স্থানতরিত হয়, সে সময় বিষয়টি আমাদের মাঝে কোন ভাবালেস তৈরি করে না। বস্তুত একটি আত্না একটি ভ্রনের মাঝে প্রতিস্থাপন হওয়ার সময়ই, তার অবস্থানের সময় নির্ধারন হয়ে থাকে,
অর্থ্যাৎ ধরুন আজ একটি শিশুর জন্ম হলো তার বয়স নির্ধারন হলো
৬৪ বছর, ৬৪ বছর বয়সে যেকোন একটি স্বাভাবিক কারনে সেই আত্নাটি তার বর্তমান দেহ ত্যাগ করবে।এখন যদি কোন অনাকাঙ্খীত ঘটনায় যেমন কোন দূর্ঘটনা বা সুসাইডের কারনে তার দেহটি আত্নাটির জন্য বাসঅযোগ্য হয়ে পড়ে তবে আত্নাটি সেই বিকৃত শরীর ছেড়ে চলে যাবে।
কিন্তু সেই মূহুর্তে তার নতুন আবাসন ভ্রনটির সময় না হওয়ায় তাকে তার ৬৪ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ধরুন সে দূর্ঘটনায় পতিত হয় ৪৫ বছর বয়সে, তাহলে তাকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত পৃথিবীতে উদভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়াতে হবে। আত্নার এই অসম্পূর্ন উদভ্রান্ত সময়টিকেই প্রেতআত্মা নামে অবহিত করা হয়। সুতারাং এটি আমাদের মানতেই হবে যে প্রেত্মআত্না বর্তমান, এটি কোন কল্পকাহিনি বা ভ্রান্তগুজব নয়।যেমন আমাদের পূর্বপুরুষগনের সময়ের কোন ভুতেধরা বা আত্না ভরকরা লোকের কাহিনি শুনে থাকি তবে বর্তমান সময়ের ভূতে ধরা বা আত্নাভর করা লোকের ঘটনা কখনই একই হবে না। বিস্তারিত ঘটনা একটু মনোযোগ সহকারে জানলেই বুঝতে পারবো পূর্বে যে আত্নাভর করেছিল, সেটি আর বর্তমানে যে আত্না ভর করেছে সেই আত্না কখনই একই ব্যক্তির হতে পারে না…। আমরা জানি আত্নার নিজস্ব কোন বল প্রয়োগের শক্তি বা সৃতি ভান্ডার নেই। কিন্তু সময়ের পূর্বে বাধ্য হয়ে যখন তাকে দেহ ত্যাগ করতে হয়, তখন সে, তার ছেড়ে আসা বিকৃত দেহের কিছু শক্তি ও সৃতি নিজের মধ্যে ধারন করে, বিধায় সে অন্য দেহের আত্নার সাথে যোগাযোগ বা নিয়ন্ত্রন করতে পারে। এবিষয়ে আমাদের পূর্বের পোষ্টটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
Play this video

Unravel the mystery of the soul আত্মার রহস্য উন্মোচন

 

আত্না কি?

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন জিনিস নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর মাঝে সবচাইতে বেশি আগ্রহের বিষয় বস্তু তার প্রান বা আত্না নিয়ে। অনলাইন মিডিয়ায় ও চলমান জিবনে প্রায়সই আমরা এই প্রশ্নের মুখো মুখি হই। বিভিন্ন ধর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতবাদ আমরা শুনে থাকি।যেখানে বাস্তবতা ঠিক তার উল্টটা। আজ আমরা এ বিষয়ে একজন মহান দেহতত্ববিদের উক্তি আপনাদের সামনে উপস্তাপন করবো। আমাদের পরম আক্ষাংকা ও জিজ্গাসার  বস্তু এই আত্না আসলে কি?
আত্না এক ধরনের আলোকিত পদার্থ। আমরা জানি, আলোর কোন ভর ও আয়োতন নেই। কিন্তু পদার্থ বিদ্যার সঙ্গানুসারে আত্নার জৎসামান্য ভর আছে। বিধায় আমরা আত্না পদার্থ হিসেবে আখ্যায়িত করেছি। আমরা এও জানি, আমাদের নস্বর দেহকে, এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থান্তরিত করার জন্য যে কোন ধরনের শক্তির প্রয়োজন। যেমনঃ শারীরিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তি প্রাকৃতিক শক্তি ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের আত্নাকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানত্তর হতে কোন শক্তির প্রয়োজন পড়ে না। সে নিমিসেই এক স্থান হতে অন্য স্থানে পরিভ্রমন করতে পারে। আত্না সয়ং এক প্রকার শক্তি। যার ধ্বংস্ব বা ক্ষয় নেই।সে এক রুপ হতে অন্য রুপে পরিবর্তীত হয়। সৃষ্টির অনাদিকাল হতে আত্নার সংখ্যাগত মান অভিন্ন রয়েছে।পৃথিবীতে প্রানী বা জিবের সংখ্যা আমাদের নিকট হয়তো মনে হচ্ছে প্রতিনিয়তই হ্রাস পাচ্ছে প্রকৃত পক্ষ্যে তা কিন্তু নয়। প্রান বা আত্না তার নস্বর দেহ পরিবর্তন করছে ঠিকই তবে, সংখ্যাগত মান ঠিকই অভিন্ন রয়েছে। আত্নার নিজস্ব কোন সৃতি ভান্ডার বা বল প্রয়োগের শক্তি নেই। বিধায়, সে যখন দেহ পরিবর্তন করে সে সময় এক প্রানীর সৃতি অন্য প্রানীতে বহন করতে পারে না। কিন্তু কখনো কখনো প্রকৃতির এই অমঘ নিয়ম ব্যতিক্রমি হতেও দেখা গেছে। বিশেষ করে, যে সকল প্রানী অপমৃত্যুর স্বিকার হয় তাদের বেলায় ভিন্নতা দেখা যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমাদের পরবর্তি ভিডিওতে করার প্রত্যাশ্যা রইলো।
Play this video