Yakshini pursuit (যক্ষিনী সাধনা)

যক্ষিনী সাধনা করার সহজ উপায়ঃ

আমরা দির্ঘ্যদিনের অভিজ্ঞতায় জেনেছি যে কোন উদ্দেশ্য পূরনের ক্ষেত্রে তান্ত্রিক শক্তি সাধনাগুলোর তুলনা হয় না। আমাদের নিকট অনেকেই নানা রকম সাধনার বিষয় প্রশ্ন করে থাকে এ সাধনায় কি ফল ও সাধনায় কি ফল ইত্যাদি নানা কথা। আমরা সেটা বলেও থাকি কিন্তু আপনাদের সকলের জ্ঞ্যতার্থে একটি কথা বলে রাখছি আর তা হলো সকল শক্তি সাধনাই যেহেতু নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য আর সাধনার ফলাফল লাভের পর সেই শক্তি একান্তই আপনার হয়ে যায় সেহুতু আপনি আপনার ইচ্ছানুসারে আপনার প্রয়োজনের কথা তাকে বলতে পারেন বা তাকে দিয়ে করাতে পারেন, শুধু মনে রাখতে হবে সে আপনার ভৃত নয় তাকে আপনি আদবের সহিদ যা বলবেন সে তার সাধ্যানুযায়ী সেটাই করে দিবে। আপনার এমন কোন মনের আকাঙ্খা থাকতে পারে না যা সে আপনাকে করে দিবে না। তবে যদি আপনার আকাঙ্খা প্রকৃতি বিরুদ্ধ হয়, ন্যায় সঙ্গত না হয় তবে ইতিহাস শাক্ষি লক্ষ লক্ষ সাধক তার শক্তির হাতেই প্রান বিসর্জন দিয়েছে। সুতারাং আপনাকে আপনার সকল চাওয়া ও লোভ হতে সংযম পালন করেই ইচ্ছেপুরুন করতে হবে। আমরা আজ এখানে প্রচলীত একটি ছোট্ট সহজ সাধনার নিয়ম প্রদান করছি, আপনি আপনার গুরুর নিকট হতে এর আদি অন্ত জেনে অনায়েসেই তা করতে পারেন। নিজের জীবনকে সুখময় করতে পারেন।

মন্ত্রঃ ওঁ হ্রীং নখকেশী কনকবতী স্বাহা।।

বিধিঃ যক্ষ গৃহে গমন পূর্বক নগ্ন অবস্থায় একবিংশতী দিন যাবৎ উল্লিখিত মন্ত্রটি একাগ্রচিত্তে জপ করিলে, মন্ত্র সিদ্ধ হইবার পর দেবী অর্ধরাত্রে সাধকের সম্মুখে উপস্থিত হইয়া বাঞ্চিত দ্রব্যাদি প্রদান করিবে।

 

Jinn Pursuit (জ্বীন সাধনা)

জ্বীন সাধনা এবং ধন সম্পদ লাভের উত্তম উপায়ঃ

আজ আমরা যে সাধনা বিষয় আলোচনা করতে যাচ্ছি, এশিয়া তথা সারা মুসলিম জাহানের মুসলমানদের একমাত্র আকাঙ্খার সাধনা জ্বীন সাধনা নিয়ে। আমরা এ বিষয় কিঞ্চিৎ আলোচনা করা ও এরপর সাধনার বিধি প্রদান করার ইচ্ছে পোষন করছি।
আমাদের সমাজে লোক মুখে ও বিভিন্ন ভন্ড প্রতারক তথাকথিত জ্বীন সাধকদের দ্বারা ছড়ানো গুজব গুলোর পর্দা উত্তোলন করবো। যেনে রাখুন আমাদের দেশের তথা এশিয়া মহাদেশের গ্রাম গঞ্জে বা শহরাঞ্চলে অনেক জ্বীন বাবা, জ্বীন হুজুরদের সাক্ষাৎ পাই যারা নাকি জ্বীন চালান দিয়ে নানা বিধ কর্ম করে থাকে, জ্বীন দ্বারা হারানো মানুষকে খুজে দেয়, হারানো বস্তুকে খুজে দেয়। প্রেমিক প্রেমীকার মিলন ঘটায়, একজন সাধক অন্য কোন ব্যক্তিকে জ্বীন উপঢৌকন হিসেবে বা অর্থের বিনীময় দিয়ে থাকে। অনেকে জ্বীন দ্বারা কবিরাজী করে থাকে কার কি রোগ কার কি সমস্যা রোগী দেখেই বলে দেয়। আসলে এ সকল কিছুই সম্পূর্ণ ফেইক, ভুয়া, ভন্ডামী। তাহলে প্রশ্ন জাগতে পারে জ্বীন দিয়ে আপনি কি করবেন, বা জ্বীন সাধক রা জ্বীন দিয়ে কি করে। প্রথমত আপনাদের এ বিষয় অজ্ঞতার কারনেই তথাকথিত জ্বীন হুজুর বাবারা আপনাদের স্বরলতার সুযোগ নিয়ে এমন প্রতারনা করছে। বস্তুত কোন জ্বীন সাধক যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে এই বিষয়টি জানায় যে সে জ্বীন সাধক, বা তার সাহার্যাথ্যে কোন জ্বীন রয়েছে তবে সেই সময় হতেই সে এই শক্তি হতে হতাষ হবে অর্থাৎ তার জ্বীন তার সঙ্গ পরিত্যাগ করবে। আর কখনো সে জ্বীন দ্বারা নিজের বা অন্যের উপকার করতে পারবে না।

(অধ্যাত্মিক সাধনার সকল আলোচনা পড়ুন।)

জ্বীন একটি শক্তি যা মানুষ তার পরিশ্রম তথা সাধনা দ্বারা তাকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করে এবং তাকে তার প্রয়োজনে ডাকার শক্তি অর্জন করে। এখানে আমাদের জানা উচিৎ সকল সময় সে আমাদের চাইতে অধিক ক্ষমতাবান, আর যে জিনিস কে দেখা যায় না সে এমনিতেই ক্ষমতাবান। আর নিজের চাইতে ক্ষমতাশালী কাউকে দিয়ে অন্যের কাজ করানো বা দাসবৎ ব্যবহার করার কথা বা ইচ্ছে দুটোই গন্ড মুর্খদের হতে পারে, জ্ঞানির হবে না। জ্বীন সাধনা দ্বারা আপনি নিজের স্বার্থ হাছিল করতে পারেন, নিজের উপকার করতে পারেন। নিজ আর্থিক অনটন, কোন ব্যক্তিকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা, কোন গুপ্তধনের খোজ করা, আধ্যাত্বিক বিষয় জানা এক কথায় আপনার প্রয়োজনে তাকে নির্দিধায় কাজ করাতে পারেন। তবে কখনই আপনি তাকে অন্যের কাজ করাতে ব্যবহার করাতে পারবেন না। আর সাধারন একটি বিষয় বুঝতে পারে না অনেকেই সে যদি কাউকে অর্থ সম্পদ দেওয়ার ইচ্ছে করে তা অনায়েসেই দিতে পারে যা তার দ্বারা সম্ভব, কেন সে তা না করে তাকে দিয়ে কবিরাজি করাবে ভাবুন। আসলে এটি একটি পুরোদস্তুর ভন্ডামী। আবারো বলছি বিশ্বে জ্বীন সাধক রয়েছে অগনিত তবে তা আপনার জানা ব্যক্তিগুলো কখনই নয়, যারা সমাজে প্রতিষ্ঠিত, সফল তেনাদের মধ্যেই রয়েছে অনেকে যাদের দেখে হয়তো আপনি ভাবতেও পারবেন না তিনি জ্বীন সাধক। আমরা এ বিষয় আমাদের অন্য পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আজ এই সাধনা করার কয়েকটি প্রচলিত নিয়মের মধ্যে একটি সহজ নিয়ম আপনাদের সামনে উপস্থিত করছি। মনে রাখতে হবে, জ্বীন সাধনা অবশ্যই একটি কঠিন সাধনা, এর চাইতেও বড় বিষয় হচ্ছে সম্পূর্ণ বিধি বিধান মেনে তাকে সারা জীবন নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা, কারন এই উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্য শক্তি আপনার একটু আচার বিধি পালনে সমস্যা হলেই আপনাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে বা আপনার সমুহ ক্ষতিও করতে পারে। জ্বীন সাধকের অনেক সাধক সুধু বিধি বিধান না মেনে সাধনা করতে গিয়েই মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছে। আপনি যদি একজন সিদ্ধ পুরুষের স্বার্নিদ্ধে এই সাধনা করেন তবে অনায়েসেই সাধনায় সফল হয়ে সারাটি জীবন, ভৌতিক-পার্থিব সকল ইচ্ছের পূর্নতা ও সুখ বয়ে আনতে পারবেন।
জ্বীন সাধনার দোওয়াঃ  বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আ’যামতু আ’লাকুম ইয়া মা’শারাল্ জিন্নি ওয়াল ইনসি রবতান রবতান, মাহলান মাহলান, নাশরান নাশরান, মাহশারান মাহশারান, বিহাক্কি সুলাইমানা পয়গামবারাইনি দাউদা আ’লাইহমাস সালামা হাজির শাও, হাজির শাও, হাজির শাও।
নিয়মঃ জ্বীন হাজির করতে অবশ্যই চন্দ্রমাসের প্রথম শুভদিন দেখে শুরু করতে হবে, অবশ্যই যদি চন্দ্রমাসের শুরুর দিনটি বৃহষ্পতিবার হয় তবে সেটি সবচাইতে ভালো দিন। সাধনার জন্য একটি নির্জন পাক পবিত্র ঘর নির্বাচন করতে হবে। ঘরটি উত্তর মুখি বা পূর্বমুখি হলে ভালো, পর্যাপ্ত আলো বাতাস ঘরে আসা যাওয়া করতে পারে এমন হলেই শ্রেয়। ঘর সকল সময় সুগন্ধি যুক্ত রাখতে হবে। এমন স্থানে ঘর নিতে হবে যেনো সেখানে অন্যমানুষদের কোলহ আওয়াজ শব্দ মুক্ত থাকে। গুরুর নির্দেশনা অনুযায়ী একটি শুভ মুর্হুত দেখে উপরক্ত দোওয়াটি মুখস্ত করতে হবে সেই সাথে নিচের দেওয়া নকশাটি গোলাপ জ্বল, মেশক, কস্তুরী সহযোগে কোন নতুন সাদা কাপড়ের টুকরায় লিখিতে হইবে।অন্তত্য ১৪ টি নকশা কোন শুভ মুহুর্তে লিখে সঙ্গে রাখিবে। নিজের শরীরে সকল সময় সুগন্ধি ব্যবহার করিবে। সেলাই বিহীন নতুন সাদা বা এক রঙ্গা পশমী কাপড় পোষাক হিসেবে ব্যবহার করিবে, মাথায় পাগড়ী বা বড় টুপি ব্যবহার করিবে, নিজ আসন অবশ্যই পশ্চিম মুখি করবে। একটি পাট বা পশমী বা চামরার তৈরী আসন ব্যবহার করবে, দোওয়া জপ করার জন্য মুক্তার তৈরী তসবি বা কাঠের তসবী ব্যবহার করিবে। এবার চন্দ্রমাসের প্রথম বৃহষ্পতিবার অর্ধরাত্রিতে নিজ আসনে পশ্চিমমুখে বসে, সামনে তিনটি মোমবাতি জ্বালাইবে কোন সুগন্ধি তৈল, প্রদিপ ও দিয়াশালাই সঙ্গে রাখিবে। গুরু প্রদত্ত নির্ধারিত দরুদ ১১ বার পাঠ করে উপরক্ত দোওয়াটি এগারশত বার পাঠ করিবে এবং পরবর্তীতে পূনরায় দরুদ ১১ বার পাঠ করিবে। এবার সেই স্থানে বসেই উপরক্ত নকশাটির একটি সলিতা বানাইয়া সেই মাটির প্রদিপে তৈল দিয়ে জ্বালাইয়া দিবে। প্রদিপ জ্বলিতে থাকিবে, সেই স্থানের পার্শ্বেই মাটিতে বিছানা করিয়া কাহারো সাথে কথা না বলিয়া দরুদ পড়িতে পড়িতে শুইয়া পড়িবে। এভাবে একাধারে এই সাধনা চলিতে থাকিবে। ‍যেদিন তুমি নিজের শরীরে ভার অনুভব করিবে, বা হটাৎ মোমবাতি নিভিয়া যাইবে বা সামনে কেউ উপস্থিত হইবে। তাহাকে দেখিয়া ভিত না হইয়া তাকে স্ব-সন্মানে সালাম প্রদান করিবে, তার নাম জিজ্ঞাসা করিবে। তাকে তোমার সাথে থাকিয়া তোমার প্রতিটি কাজে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানাইবে। তাকে পরবর্তীতে ডাকিবার জন্য বিধি জানিয়া লইবে। এবং তার দিকে কিছু কস্তুরী আতর বা গোলাপ জ্বল ছিটাইয়া তাকে বিদায় জানাইবে। এরপর হইতে নিজের প্রয়োজনে তাকে স্বরন করা মাত্র তার ‍উপস্থিতী অনুভব করিবে।

٧٨٦

۸

١١

١٤

١

١٣

٢

٧

١٢

٣

١٦

٩

٦

١٠

٥

٤

١٥

আধ্যাত্মিক সাধনার সকল আলোচনা সমূহ দেখতে এখানে ক্লিক করুনঃ-

পরী সাধনা

 অর্থ ধন-সম্পদ এবং প্রভাবশালী হওয়ার উপায়ঃ

সর্বাগ্যে আমাদের জানা প্রয়োজন পরী সাধনা কে করবে? কেন করবে? জগতে যতগুলো শক্তি সাধনা রয়েছে তার প্রতিটির’ই রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু উদ্দেশ্য। আমরা আমাদের নিজ ব্যক্তি সাধনা সিদ্ধির জন্যই বিভিন্ন সাধনা করে থাকি। অনেক সাধনা রয়েছে অর্থ প্রাপ্তির জন্য, অনেক সাধনা সম্নান প্রতিপত্তির জন্য, অনেক সাধনা সাংসারিক জীবনে সুখ প্রাপ্তির জন্য। তেমনি পরী সাধনার রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু উদ্দেশ্য। অনেক মেয়ে বা নারী আমাদের নিকট পরী সাধনা করার জন্য অভিপ্রায় ব্যক্ত করে থাকেন। কিন্তু বাস্তবিকে পরী সাধনা কোন মেয়েলি সাধনা নয়, কোন নারী এই সাধনায় বিন্দু পরিমান উপকৃত হবে বলে মনেও হয় না। পরী সাধনা মূলত পুরুষদের জন্য একটি সাধনা, এই সাধনার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে অবিবাহীত পুরুষের আত্মিক ও যৌবিক চাহিদা পূর্ণ করা ও সেই সাথে আর্থিক অনটন থেকে মুক্তি, তবে কেউ যদি শুধু আর্থিক উন্নতীর জন্য এই সাধনা করেন তবেও সে নিশ্চিত বিফল হবে। কারন এখানে বিষয়টি এমন যে আপনি একটি বিত্তশালী মেয়েকে বিয়ে করলেন এতে করে আপনার যেমন একটি নারী সঙ্গ হলো সেই সাথে আপনার আর্থিক সহযোগিতা হলো কিন্তু যদি মেয়েটিকে বিয়ে না করেন তবে সে আপনাকে ভিক্ষাও দিবে কি না সেটি অনিশ্চিত!!! তেমনি পরী সাধনার ক্ষেত্রটিও এমনি। তবে এ যাবৎ পর্যন্ত যতগুলো শক্তি সাধনার সাথে আমরা পরিচিত হয়েছি, সাধনা বিধি দেখেছি, ক্লাইন্টদের সফলতার হার নিরিক্ষণ করেছি তাতে পরী সাধনার মত সহজ সরল কোন সাধনা জগতে নেই, স্বল্প সময়ের কম পরিশ্রমে এর চাইতে ভালো কোন সাধনাই জগতে নেই। তবে এখানে একটাই জটিল শর্ত হচ্ছে যে কোনও লুচ্চা প্রকৃতির, নারী দেহ লোভি, বিবাহিত পুরুষের দ্বারাও এ সাধনা সম্ভব নয়। এই সাধনায় ভয় ভিতির বা কোন শারীরিক ক্ষতির আশংকা নেই। আপনি যদি পরবর্তীতে বিয়ে করতে চান তবেও সমস্যা নেই তবে আপনি বিয়ে করলে বা অন্য নারীতে আশক্ত হলে এই সাধনা আপনা হতেই বিলিন হয়ে যাবে।
আমরা এ যাবৎকাল পর্যন্ত পরী সাধনার জন্য সর্বমোট তিনটি প্রকৃয়া বা নিয়ম সংগ্রহ করতে পেরেছি যার মধ্যে এশিয়া মহাদেশের পরিমন্ডলে দুটি নিয়মে সাধনাটি খুব সহজেই সফল হয়। আমরা আপনাদের সাথে পর্যায়ক্রমে এ দুটি নিয়ম নিয়েই আলোচনা করবো। তবে পূরনো কথাটি আবারও নুতন করে বলছি (কখনোই আপনি সিদ্ধগুরুর স্বার্নিধ্য ছাড়া একা কোন সাধনা করতে যাবেন না।)
মন্ত্রঃ ”বিসমিল্লাহী রাহিমান রাব্বে ইন্নি মঙ্গল ফান্তসির”
সাধনা বিধিঃ প্রথমেই গুরুর আর্শিবাদ প্রাপ্ত হয়ে তার অনুমতি সাপেক্ষে একটি শুভ সময় মন্ত্রটি নির্দিষ্ট সংখক বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এবার আপনাকে এমন একটি গৃহ নির্বাচন করবেন যে ঘরে কোন মহিলার যাতায়াত নেই বা কোন নারী সেখানে প্রয়োজনেও যায় না। এবার আপনাকে আপনার পোশাক নির্বাচন করতে হবে, পরী সাধনার জন্য রেশমী বা পশমী কাপড়’ই উপযুক্ত, আপনি খুব রঙ্গিন অর্থাৎ ঝকমকে নতুন পোষাক পরিধান করবেন সেই সাথে মাথায় পাগড়ি বা বিয়ের সময় বর যে ধরনের টোপড় পরে তেমন নতুন সুন্দর টোপড় পড়তে পারেন। এবার চন্দ্রমাসের প্রথম রাত্রি হতেই ( সেদিন যদি বৃহষ্পতিবার হয় তবেই ভালো) একটি পাঠ বা মোটা কাপড়ের তৈরী সবুজ রঙ্গের আসন পেতে বসবেন। সামনে বড় মাপের তিনটি তিন রঙ্গা মোমবাতি জ্বালাবেন, ঘরে সুগন্ধি ছড়িয়ে দিবেন, নিজ শরীরেও সুগন্ধি ব্যবহার করবেন, প্রয়োজনে ঘরে কিছু টাটকা সুগন্ধি ফুলের ব্যবস্থা করে রাখতে পারেন, এবার একটি তামা বা পিতলের থালায় আমাদের নিকট হতে প্রাপ্ত নকশাটি কস্তুরি, মেশক, গোলাপ জ্বল দিয়ে সুন্দর করে আকঁবেন। সেটি আপনার সামনে স্থাপন করবেন। সমস্ত কাজগুলো রাত্রি ১২ টার পর করবেন। এবার খুব সুন্দর করে যে কোনও দরুদ শরীফ ১০০ বার তেলাওয়াত করে উক্ত মন্ত্রটি এমন ভাবে পড়বেন যেন আপনি নিজ কানে শুনতে পান। আপনার মন্ত্র জপ অন্তত্য ৩ ঘন্টা পর্যন্ত চলবে এরপর আপনি সেই অবস্থায় মোমবাতি নিভিয়ে সেই আসনেই ঘুমিয়ে পড়বেন। এভাবে পর পর কয়েকদিন করলেই ( সাধারনত ৩-৭ দিন সময় লাগে) পরী এসে আপনার সামনে হাজির হবে। সে আসলে প্রথমেই আপনাকে তার নাম জানতে হবে তার পরীবার সর্ম্পকে বিস্তারিত জানবে। তার থাকার জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করে রাখবে। কারন সে আপনার সাথে সর্ম্প্যে করলে তার জামায়াত বা তার পরীবারের কাছে ফিরে যেতে পারবে না। এ জন্য আপনাকে আপনার বাড়ীতে বা বাস্থানের এমন একটি স্থান নির্বাচন করতে হবে যেখানে দিনের বেলাতেও অন্ধকারচ্ছন্য থাকে, সুর্যের আলো পৌছায় না। এবার তাকে আহ্বানের নিয়মটি যেনে নিবেন, নিয়ে আপনি তাকে আপনার মনের খায়েস জানাতে পারেন, এতে সে খুশি হয়ে সেদিন হতেই বা পরবর্তী দিন হতেই আপনার মনের আকাঙ্খা পূর্ণ করতে তৎপর হবে। মনে রাখবেন লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। তাকে আপনার নিজ স্বার্থে ব্যবহার করতে পারবেন সত্য কিন্তু তাকে কখনো নিজের চাকর বা দাসী ভাববেন না। এ বিষয় আরও বিস্তারিত আলোচনা এই চ্যাপ্টারের কোন অংশে করা হবে ইনশা আল্লাহ। ভালো থাকবেন।

Willful Pursuit (মোহম্মদা বীর সাধনা)

Willful Pursuit (মোহম্মদা বীর সাধনা)

ইচ্ছাপূর্ণ সাধনাঃ

এটি অত্যন্ত সরল, নির্ভুল মুসলমানী সাধনা। এটি সফল হলে মোহম্মদা-বীর প্রকট হয়ে সাধকের সব ইচ্ছাপূরণ করে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মুসলমানী দেবতা। এ পীর পয়গম্বরের মতো শক্তিশালী, সরল ও দয়ালু। এই দেবতা মাত্র ২১ দিনের সাধনাতেই প্রকট হন এর সাধনা পদ্ধতি অত্যন্ত সরল।
সাধনা বিধিঃ যে কোন শুক্রবার রাতে স্বচ্ছ বস্ত্র পরে ধুতি ও মাথায় জালিদার টুপী পরে সাধক হাঁটু গেড়ে বসে লোবানের ধূপ দিয়ে পূজা আরম্ভ করবে। এইভাবে ২১ মন্ত্র ও ২১ লোবানের ধূপের আহুতি দিয়ে প্রতিদিন এরুপ করবে। ২১ দিন সাধনা করলে মোহম্মদা-বীর সাধকের সামনে এসে তার মনোবাসনা পূর্ণ করে। এই ক্ষেত্রে সাধককে ব্রক্ষচর্য্য পালন করতে হবে। যন্ত্রটি নিম্নরুপঃ-
মন্ত্রঃ-“বিস্মিল্লা রহিমানির্রহীম পাঁচ ঘুংঘরা কোট জঞ্জীর জিস পর খেলে মোহম্মদা বীর, সওয়া মন কা তীর জিস পর খেততা আয়ে মোহম্মদা বীর-হাত পৈর কী খাবে পীর সুখী নদী বহাবে নীর নীলা ঘোড়া নীলী জীন জিস পর চড়ে মুহম্মদা বীর, সওয়া সের কাপীসা খায় অঙ্কী কী খবর লগায়ে মার-মার করতা আয়ে বাঁধ-বাঁধ করতা আয়ে, ডাকিনী কো বাঁধ কুরা-বাবড়ী সেলাবো সোতী কোলাবো, পীসতী কো লাবো, পকাতী কো লাবো, জলদী জাবো হজরত ইমাম হুসৈন কী জাংঘ সে নিকাল কর লাবো, বীবী ফাতমা কে দামন যে খোল কর লাবো নহী তো মাতা কা চুথা দুধ হরাম করে।”

(সাধনা করার সময় তৈল প্রদীপ সব সময় জ্বলবে যাতে মুহম্মদা বীরের আসতে সুবিধা হয়।)

Pir-Heroes-Treasure Pursuit (পীর-বীর গহনা-সাধনা)

পীর-বীর গহনা-সাধনা (বলিষ্ঠদের সাধনা)

এই সাধনার দ্বারা সাধক সকল সময়ে তার একজন বিশ্বস্থ্য সহচর সাথে পাবে যার মাধ্যমে সাধক যে কোনও সমস্যা হতে নিরাপদ থাকতে পারবে, সাধারনত রাজনৈতীক হস্তিগণ এই সাধনার দ্বারা নিজের ও নিজ পরিবারের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে এ ছাড়াও এই সাধনার সাধক গন বিভিন্ন উপকার লাভ করতে পারে। এটি অনেক সহজ একটি সাধনা যা ১৪ দিনেই সম্পন্য হয়ে থাকে, সাধনা পদ্ধতী অনেক সহজ। শুধু একজন সৎগুরুর অনুমতি নিলেই অনায়েসে এই সাধনা করে যে কেউ সাধক হয়ে যেতে পারে।
সাধনা মন্ত্রঃ পীর-বির গহনা ধুং ধু করে সওয়া সের সওয়া তোলা খায়, অসসী কোস ধাবা করে সাতসৌ কুতল আগে চলেু সাতসৌ কুতল পীছে চলে ছপ্পন সে ছুরী চলে বাবন সে বীর চলে জিসমে গঢ় গজনী কা পুরী চলে ঔরোকী ধ্বজা উখাড়তা চলে অপনী ধ্বজা টেকতা চলে সোতে কো জগাতা চলে বৈঠে কো উঠাতা চলে হাথো মে হথকড়ী গেরে পৈরো মে বেড়ী গেরে হলাল মাহী। দিঠ করে মাহী পীঠ করে পহলবান নী কুং ইয়াদ করে ঠঃ ঠঃ ঠঃ(নিজ নাম উচ্চারন করতে হবে)।
বিঃদ্রঃ এই মন্ত্রটি জিনি সাধনা করবেন তার পূর্বে অবশ্যই পূনরায় এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করে উচ্চারন ও সংশধন করে নিবেন।
সাধনা বিধিঃ কোন গ্রহন কালে বা হোলির রাতে এই সাধনা শুরু করতে পারেন। প্রতিটি সাধনার ক্ষেত্রেই মনে রাখতে হবে কখনই সাধনার মাঝ পথে বিরতী দেওয়া চলবে না, বা কোন কারনে বাধ সাধলে অবশ্যই পূনরায় শুরু করতে হবে। সাধনার ক্ষেত্রে নির্জন স্থান প্রসস্থ অন্যথায় একক ঘর ব্যবহার করতে হবে, ঘরে যেনো কেউ প্রবেশ না করে, কুশ বা পাটের তৈরী মোটা চট বা কাপড়ের আসন বিছিয়ে বসবে, নিজের শরীরের কাপড় অবশ্যই স্বচ্ছ নতুন ও সেলাই বিহীন হতে হবে। নিজের সংগে চামেলী ফুলের মালা ও ফুল রাখতে হবে। সাধনার শুরু হতে শেষ অব্দি প্রদিপ জ্বালীয়ে রাখতে হবে, কখনই প্রদিপ নেভানো যাবে না, সে জন্য সাধনায় বসার পূর্বেই সেই মত প্রস্তুতী গ্রহন করবে। একবার মন্ত্র বলে, নিজের আসনের সামনে, প্রদীপের পাশে চামেলীর একটা ফুল রেখে পূজা করতে হবে। দীপকের শিখার কাছে হালুয়া ভোগ দিতে হবে। প্রতিদিন তিন মালা জপ করতে হবে। প্রতিবার মালা জপ করার পর হালুয়া ভোগ দিতে হবে এর পর মালাটাও প্রদীপের সামনে অন্য ফুলের পাশে রাখতে হবে। এই ভাবে লাগাতার “বির গহনা পীরের” সাধনা করে যেতে হবে। সাধনার শেষ দিনে অর্থাৎ চৌদ্দতম দিনে “পীর-বীর গহনা” সশরীরে প্রকট হবেন সাধকের সামনে। সাধক তখন নির্ভয়ে তাকে চামেলী ফুলের মালা পরিয়ে দেবে ও হাতে হালুয়া ভোগ দেবে। তখন থেকেই বির গহন -পীর সাধাকের সেবক রুপে কাজ করবে।

Angels Pursuit (মোয়াক্কেল সাধনা)

Angels Pursuit মোয়াক্কেল সাধনাঃ

নিচের সাধনাটি যেমন সহজ সরল তেমনি এর ফলাফল ও আশ্চার্য্য এবং অবধারিত। আমলকারীকে কয়েকটি বিষয় বিশেষ ভাবে লক্ষ রাখিতে হইবে। সর্বদা নিজেকে পাক সাফ রাখিতে হইবে। আমলের স্থানটিকে পবিত্র রাখিতে হইবে। নির্দিষ্ট কার্য্য আরম্ভ করিয়া কার্য্য কালে কাহারও সাথে কোন প্রকার বাক্যালাপ করিতে পারিবে না। আমল বুধবার দিবাগত বৃহস্পতিবার রাত্রে আরম্ভ করিয়া পরের সপ্তাহ পর্যন্ত অর্থাৎ আবার বুধবার দিবাগত বৃহষ্পতিবার রাত্রে শেষ করিবে। আমলের এই পনের দিন মাছ-মাংস আহার না করিয়ে নিরামিশ খাদ্য ভোজন করিবে। নিম্নোক্তরুপে সুরা ইখলাস পাঠ করিবে।
সুরাঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, ক্বুলহু আল্লাহু আহাদ। আজিব ইয়া জিব্রাইলু আল্লাহুচ্ছামাদ। আজিব ইয়া ইস্রাফিলু। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। আজিব ইয়া আজ্রাইলু। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কু’ফুয়ান আহাদ। আজিব ইয়া………
বৃহষ্পতিবার রাত্রে আরম্ভ করিয়া ইহা চৌদ্দ রাত্রি পর্যন্ত প্রত্যহ ছয় হাজার বার করিয়া পড়িতে হইবে এবং পনের তারিখ অর্থাৎ বৃহষ্পতিবার রাত্রে ষোল হাজার বার পড়িয়া মোট এক লক্ষ বার খতম করিবে। ঐ রাত্রে লোবান, কর্পূর ইত্যাদি জ্বালাইবে এবং অন্যান্য খুশবু ব্যবহার করিবে। উহার পর শুক্রবার রাত্রে দুই হাজার বার শুধু সুরা ইখলাস পাঠ করিয়া ইস্তেগফার পড়িতে থাকিবে। রাত্রি যখন প্রায় ভোর হইয়া আসিবে তখন একবার নিম্নের দোওয়াটি পাঠ করিবে। ***“রাহমাতুন আলাইকুম আইয়্যুহাল খুদ্দাম হাজিহীচ্ছুরাতুশ শারীফাুত আইয়্যাজিবুলী ওয়া ইন তানুনী বেহাক্কি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি মা তাফছুদুনা ইল্লা মাছার তুমুল আজাবতা লাদাওয়ানী ওয়াল আফামাহা লা’তায়াতী মাছিররাউ ওয়া আহ্দাহু ওয়া আতিও বেহাক্কি ক্বাউলিহী তায়ালা আদ্‌উনী আসতাজিবলাকুম ইন্নাল্লাজীনা তাছায়ালুনা আন ইবাদাতি ছাইয়াদ খুলুনা জাহান্নামা ওয়া আখারিনা।” *** (অবশ্যই সাধনা শুরুর পূর্বে এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করে সাধনা প্রদান কারী মুফতির নিকট হতে সম্পূর্ণ দোওয়াটি পূনরায় সঠিক উচ্চারণে গ্রহনের অনুরোধ রইলো।)
এই দোওয়াটি পাঠের পরে তিনজন মোয়াক্কেল উপস্থি হইয়া বলিবে “আচ্ছালামু আলাইকুম ইয়া আবাদাচ্ছালেহ ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু” আমরা এই সুরার খুদ্দাম আপনি কি চাহিতেছেন? তখন তাহাদের নিকট আনুগত্য, তা’জীম এবং বাধ্যতার কথা প্রস্তাব করিলে তাহারা ঐ সব স্বীকারপূর্বক বলিবে- আপনাকে আমাদের কিছু শর্ত স্বীকার করিতে হইবে, নচেৎ আপনার উদ্দেশ্য সফল হইবে না।
শর্তসমুহ এই যে, আজ হইতে যাবতীয় অন্যায় কাজ হইতে বিরত হইতে হইবে, মিথ্যা পরিত্যাগ করিতে হইবে, প্রত্যেক বৃহষ্পতিবার রোজা রাখিতে হইবে, এবং প্রত্যেক জুময়ার রাত্রে একশত একবার সুরা ইখলাস পড়িয়া তাহাদের জন্য সওয়াব বখশেশ করিবেন। আমল কারি আল্লাহকে সাক্ষী রাখিয়া এই সমস্ত কথাগুলি স্বীকার করিলে মোয়াক্কেলগণ তাহার সহিত করমর্দন করিয়া বলিবে, আপনি আজ হইতে আমাদের ভাই, আপনার যাবতীয় হাজত আমরা পুরা কারিয়া দিবো। একজন বালিবে যে, আমার নাম আবদুল ওয়াহেদ আপনি যখন সুরা ইখলাস আহাদ পর্যন্ত পড়িয়া  বলিবেন, ইয়া আবদাল ওয়াহেদ। আমি তখন’ই আপনার সামনে হাজির হইবো। আপনার প্রয়োজন হইলে আমি আপনাকে চক্ষের একটি পলকের মধ্যেই মক্কা শরীফ, মদিনা শরিফ জেয়ারত করিয়া আবার পূনরায় এখানে ফিরিয়া দিয়া যাইবো। দ্বিতীয়জন বলিবে আমার নাম আবদুচ্ছামাদ যখন আপনার কোন দরকার হইবে তখন এই সুরা সামাদ পর্যন্ত পড়িয়া জোড়ে বলিবেন ইয়া আবদাচ্ছামাদ। আমি তখনই উপস্থিত হইবো, আমার কার্য এই যে আপনার ইচ্ছেনুসারে আমি আপনাকে হালাল রুজি আনিয়া ‍দিবো, কখনও আপনার কোনরুপ আহারের অভাব পড়িবে না।  তৃতীয় মোয়াক্বেল বলিবেন, আমার নাম আবদুর রহমান। যখন আপনার কোন দরকার হইবে তখনি আপনি সুরা ইখলাস শেষ পর্যন্ত পড়িয়া ইয়া আবদার রহমান বালিয়া ডাক দিবেন। আমি চোখের পলকেই আপনার সামনে এসে উপস্থিত হইবো। আমার কার্য এই যে আমি আপনাকে বহুবিধ গুনজ্ঞান ও আশ্চর্য্য বিদ্যা শিখাইয়া দিব। ইহার পরে ঐ তিনজন আল্লাহর নামে সিজদাহ করিতে বলিলে আমলকারি আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদাহ করিবে। ওনারা বিদায় নিয়ে চলে যাবে। এরপর হতে আপনার আমল ও কামেলিয়াত দ্বারা জীবন যাপন শুরু করিতে হইবে।
Admin address…