Conquest Tantra ( বশীকরণ তন্ত্র)

Today, we have come up with a very powerful, very effective Conquest system, which is very convenient and easy for people who live in acute village sites. Anyone who uses this method can find a lost lover or loved one.

EQUIPMENT:

  1. A frog (male or female)
  2. A little bit of vermilion
  3. Punch juice

Day: Saturday or Tuesday
Time: Before sunrise
Direction: The face of the wanted person’s house.
Mantra: Not acceptable

Behind: Before work, with honor, take the permission of the guru, or else everything can be fruitless.

Rules: At first rainy season come home on a rainy day and bring a frog to find nearby. It is said that the common frog, is found in the pond that a little bigger frog is available,

The main problem is to recognize the male/female frog, That is, if you are a man and want to convey a girl, you must definitely take a female frog, so if you are a girl and want to convey a male, then you must provide a male Frog. Below there is a simple rule of crossing the border, as well as the simplest method of providing five-folds. The rules of the other work are the same.

For example, you will get a frog on Saturday or Tuesday, then it will be kept alive in a safe place, for the next job. Then you will have to provide your body pancake, like 1) tears, 2) nose water. 3) mouth saliva or sputum, 4) In case of uncontested women, louse or urine can be used, 5) Blood of your body. All these things have to be taken together in a small quantity or glass containers.Just like all 1 is enough to blast. So sit in a lonely house during the evening, Sit in front of the frog ‍and think of your wishing person and tell him three times before the frog face “I am so crazy for such and so (the name of my own name and my father’s name), the so-called (the name of the girl and her mother’s name) I love him, I want to get him”.
Now the mouth of the frog should be carefully screwed and poured into the fifth part in frog mouth and put a little vermilion on his head. And take him away and leave him in the house of your beloved, Of course, all work done that night, Wait a few days Your wishes will certainly be of interest to you & Contact you. There will be no exceptions.

How to recognize male and female frogs: Ways to feed male frogs: »There are two black-colored pockets on the lower jaw. »In the front of the jaw, the middle of the middle of the hand is yellow in color. »The curtains are usually small and the fingers are thick. »Wrist wrists are quite thick. »Born in bright breeding season. »When you push the back of the foot forward, you have to keep sound from the mouth. »In size is bigger and higher than weight. Wife to know the frog: »No sound pouch. »The color of the space between the two hands in the front of the jaw is bleak in all seasons. »The curtain looks bigger and the fingers are narrow. »Foot wrist is quite narrow. »Breast swelling in the breeding season. »When pressing on the back of the front leg can not make any noise, rather the stomach swells and leaves the ointment in some cases. »Small in size and weight is less.

Male attraction ‍spell (পুরুষ বশীকরণ)

Male attraction ‍spell (পুরুষ বশীকরণ)

If we look at the world of online Tantric side of him, he can see – the Tantric love spell dominates written upset, the girl or woman in their system love spell devising plans or more. We have forgotten all of our minds, not separated women or men, but the men and women in Conquest is less necessity. We have seen many women / girls not being able to find the man in his mind, it seems to be a life of fury,Men can talk to lots of people, a lot of news, look for Tadbir take place, but these little girls cannot, therefore, going to see more women problem. So today, we are keeping them for the benefit of women’s problems desire anniversary will post devising plans for the conquest of the male. not only that, Man desire anniversary of women that all women are willing to accept from us ultimately devising plans Most of all low-cost labor and money devising plans promise. This is the continuation of Tadbir. We are all aware of the current time for Love Attract amulet, charm, divination device that is not effective, so you can be following were offered various remedies.
Casting Instructions: The Conquest with white side will do, so that’s no moon, the first Saturn or Mars bars in the morning, when the house and prepared to sit down, then some of the flour with your right leg Second Shoes open a shed or Dishes left on the flour, pour it into the flour when shoes, full of flour out of the way when the sink, the flour will make the bread you. Now take three breads from there and place it in front of any dish, you have to beat three of the bread with your shoes, And from today I will say whatever. My husband will be forced to do this after eating this bread. Willing to be the creator of a woman with her bad behavior, strange, negligence or anything else in the world except you will not. The marriage lasted only for devising plans husbands / wives in the feature is available.

 Male attraction ‍spell (পুরুষ বশীকরণ)

অনলাইন জগতে আমরা যদি তান্ত্রিক সাইডগুলোর দিকে একটু দৃষ্টি দেই, তবে দেখতে পাবো- বশীকরন বিষয়ক তান্ত্রিক কনটেন্টগুলোই প্রাধান্য পায়,
আবার সেগুলোর মধ্যে মেয়ে বা নারী বশীকরন তদবীর বা তন্ত্র অধিক। আমরা ভুলে যাই আমাদের মন সকলেরই রয়েছে, নারী বা পুরুষ আলাদা নই, যদি নারী বশীকরণের প্রয়োজন পরে তবে সেই সাথে পুরুষ বশীকরণের প্রয়োজনীয়তাও কম নয়। আমরা দেখেছি অনেক নারী/মেয়ে তার মনের মানুষকে না পেয়ে সারাটি জীবন ধুকে ধুকে নিশ্বেষ হতে। পুরুষ মানুষ অনেকের সাথে আলোচনা করতে পারে, অনেক স্থানে তদবীরের জন্য খোজ খবর নিতে পারে,
কিন্তু মেয়েরা এসব তেমন করতে পারে না, সুতারাং দেখা যাচ্ছে মেয়েদের সমস্যাটাই বেশি। বিধায় আজ আমরা মেয়েদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে তাদের সুবিধার জন্য মনোকামনা পূর্তির জন্য কয়েকটি পুরুষ বশীকরণ তদবীর পোষ্ট করবো। শুধু তাই নয়, নারীদের মনোকামনা পূর্তির জন্য যে সকল নারী আমাদের নিকট তদবীর গ্রহনে ইচ্ছুক তেনাদের সর্ব্বপেক্ষা কম শ্রম ও অর্থ ব্যায়ে তদবীর করারো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের নিচের তদবীরটি প্রদান করা হলো। আমরা সকলেই অবগত বর্তমান সময় তদবীরের জন্য তাবিজ, কবজ, মন্ত্র যন্ত্র তেমন ফলপ্রসু নয়, বিধায় আপনারা নিশঙ্কচে নিচের টোটকা করতে পারেন।
বিধিঃ যেহেতু বশীকরণ কর্ম শুক্ল পক্ষেই করতে হবে, তাই যে কোনো চন্দ্র মাসের প্রথম শনি বা মঙ্গল বার সকালে যখন বাড়ীতে খাবার তৈরী করতে বসবেন, সে সময় কিছু আটা নিয়ে আপনার ডান পায়ে ব্যবহৃত সেন্ডেলটি খুলে কোনো চালা বা বাসনে রেখে সেটিতে আটা ঢালবেন, আটা যখন সেন্ডেলটি পুর্ন ভাবে ডুবে যাবে তখন সেই আটা হতে সেন্ডেলটি বের করে, সেই আটা দিয়ে আপনাকে রুটি বানাতে হবে। এবার সেখান হতে তিনটি রুটি নিয়ে সামনে কোনো বাসনে রেখে আপনার সেই সেন্ডেল দিয়ে তিনটি বারি মারতে হবে আর মুখে বলবেন আজ থেকে আমি যা বলবো আমার স্বামী এই রুটি খাওয়ার পর হতে সেটি করতে বাধ্য হবে। এবার সেই রুটি আপনার স্বামীকে খাওয়ায়ে দিবেন। স্রষ্টা চাহে তো এরপর হতে কোনো নারীর স্বামী তার সাথে খারাপ আচরন, পরকীয়া, অবহেলা বা সংসারে আপনাকে ছারা অন্য কিছু করবে না। এই তদবীর শুধু মাত্র বিবাহীত স্বামী/স্ত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রজোয্য।

All kind enchantment mantra (সর্ব বশীকরণের বিশেষ মন্ত্র)

সর্ব বশীকরণের বিশেষ মন্ত্র

আমাদের সমাজ জিবনে স্বাভাবিক জিবন যাত্রায় বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে সক্ষতা রাখতে হয়। ব্যবসা বানিজ্য চাকুরী প্রতিপত্তি শিক্ষা সকল স্থানেই কিছু মানুষ থাকে যাদের সাহায্য স্বার্নিধ্য আমাদের জরুরী হয়ে পড়ে, কোন কারনে যদি সে সকল মানুষদের সাথে মনোমালিন্য দূরুত্ব সৃষ্টি হয় তবে আমাদের উচিৎ হবে অবস্থার খুব বেশি অবনতি হওয়ার পূর্বেই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা। যদি সে সুযোগ না হয়, তাহলে অবশ্যই তান্ত্রিক বশীকরন প্রকৃয়ার সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। নিম্নে এমনি প্রয়োজনীয় একটি তদবীর প্রদান করা হলো, আপনারা কোন সিদ্ধ গুরুর সহযোগিতা নিয়ে ক্রিয়াটি করলে অবশ্যই যথার্থ ফল লাভ করবেন।
“দুহাই বাবা হনুমান কী দুহাই, মরঘট বালী কী দুহাই, চৌগান বালী কী দুহাই, মুরদে খানে বালী কী দহা, পাঁচো পীরো কী দুহাই সৈয়দ বাদশাহ কী দুহাই, লা ইলাহী লিল্লাহ মোহম্মদ উর রসূল লিল্লাহ , দুহাই পবেন কী, দুহাই বাবরী কী, মীরা সাহিবা কী দুহাই, কালকা ভাই কী দুহাই, অলখিয়া বাবা কী দুহাই, মরঘট বালী কী দুহাই,  ভৈরো কালী কী দুহাই, বংগালী বাবা কী দহাই, পহলবান কী গুহাই।”
যে কোন স্ত্রী বা পুরুষকে বশীভুত করার জন্য এটি একটি অত্যন্ত সরল ও শীঘ্র ফলদায়ক বশীকরন মন্ত্র।
বছরে একবার কোন সূর্য গ্রহনের সময়ে সর্ম্পন গ্রহনকালে উক্ত মন্ত্র এক নাগাড়ে জপ করে মন্ত্রটিকে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
এবার যখন প্রয়োজন হবে কাইকে বশ করার তখন কোন খাদ্য বস্তু (লবঙ্গ সুপারী এলাচ মিষ্ট দ্রব্য লজেন্স চকলেট পান ইত্যদি)র  উপর ঐ মন্ত্রটি ২১ বার পড়ে অভিমন্ত্রীত করে নিতে হবে। যাকে বশ করা হবে তাকে খাদ্যবস্তুটি যে কোন ভাবে খাইয়ে দিতে হবে। ফলে ঐ ব্যক্তি সাধকের বশীভূত হয়ে যাবে। এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী মন্ত্র। তবে একে প্রয়োগ করার সময় তা সাবধানতার সঙ্গে করতে হবে। এর দরুপযোগ করলে সাধকের মন্ত্রশক্তি খতম হয়ে যাবার সম্ভবনা থাকে।

Force your wife সর্ব স্ত্রী বশীকরণ প্রোয়োগ

সর্ব স্ত্রী বশীকরণ প্রোয়োগ

স্ত্রী/নারী বশীকরণ তথা কনভেন্স করার প্রবনতা আমাদের মাঝে অনাদীকাল হতেই রয়েছে, শুধু আমাদের মাঝে বললেও ভুল হবে আমাদের আশে পাশের সকল পশু পাখি, জীব জন্তুর মাঝেও রয়েছে বিপরিত লিঙ্গকে আর্কষন করার বিভিন্ন প্রকৃয়া, আমরা ঘর হতে বের হয়ে একটু চার পাশে তাকালেই তা বুঝতে পারি। যেহেতু আমরা মানব জাতি নিজের কথা, আচরন, ব্যবহার, রুপ-লাবন্য, পৌড়ষ, অর্থ-সম্পদের অহম ইত্যাদির মাধ্যমেই চেষ্টা করে থাকি বিপরীত লিঙ্গকে কনভেন্স করার জন্য কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা ব্যার্থ হয় কারন সকলেই কিন্তু এ সবে মুগ্ধ হয় না। ঠিক তখনি আমাদের মাথায় আসে তাকে তান্ত্রিক প্রকৃয়ায় কনভেন্স বা বশীভুত করতে, নিচে এমন প্রয়োজনের তাগিদেই একটি আদী তান্ত্রিক ক্রিয়া উপস্থাপন করা হলো, যা সঠিক গুরুর দিক নির্দেশনায় সঠিক ভাবে করলে অবশ্যই আপনার মনোরথ পূর্ণ করবে।
সামগ্রী-

  1. কাঁসার থালা
  2. এগারোটি প্রদীপ
  3. সিন্দুর
  4. ভোজপত্র
  5. জলপাত্র
  6. মন্ত্রসিদ্ধ চৈতন্য পারদ শিবলিঙ্গ।

মালা- মুঁগের মালা
সময়- রাত্রীর যে কোন সময়
দিন- রবিবার
আসন- লাল রঙের যে কোন আসন
দিক- পশ্চিম দিক
জপ সংখ্যা-১১০০০
অবধি- এগারো দিন
মন্ত্র-“ওঁ নমো অবস্থনী মহারাজ তেল কা দীপক ঘী কী জোত, ফুলো কী মালা, গলে বিরাজে, আপবী গতি কোই ন জানে, হাথ পছানু মুখ ধোউ, সুমিরুং আপকা নাম নিরন্তর হমারী লাজ রখো মোহিনী দোহিনী সোহিনী তীনো বহিন আব আস মোহুং সব সংসার মে  তিলক লগাকর নিকলু জো দেখে ও বন্ধে অঞ্জনী কে পুত কী দুহাই, গুরু গোরখনাখ কী দুহাই, মেরী ভক্তি, গুরু কী শক্তি ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরো বাচা।।”
প্রয়োগ-রবিবার রাতে একটা কাঁসার থালায় ভোজপত্র বিছিয়ে দিতে হবে। এর উপরে আসল সিন্দুর দিয়ে উপরোক্ত মন্ত্রটি লিখতে হবে। এবার এর সামনে এগারোটি তৈলপ্রদীপ জ্বালিয়ে মন্ত্রসিদ্ধ পারদ শিবলিঙ্গ এর উপর স্থাপন করতে হবে এবার উপরোক্ত মন্ত্র নিশ্চিত সংখ্যায় জপ করতে হবে। এইভাবে রোজ এগারো দিন ধরে করতে হবে। এগারো হাজার মন্ত্র-জপ পুরা হয়ে গেলেই মন্ত্র সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং তখন এই মন্ত্রের দ্বারা সে সকল স্ত্রীকে বশীকরণের শক্তি প্রাপ্ত হয়। এরপর ঐ ব্যক্তি যাকেই দেখবে, সে যে কোন ব্যক্তি বা স্ত্রী হোক তার সামনে তিনবার ঐ মন্ত্র পড়ে ফুঁ দিলে সেই ব্যক্তি বা স্ত্রী তার বশীভূত হবে। মনে রাখতে হবে, ভুলেও এই মন্ত্রের দুরুপোযোগ করা যাবে না। না মানলে সাধকের ভয়ানক ক্ষতি হবে।

Bring all the people to the dimensions সর্ব বশীকরণ প্রয়োগ

সর্ব বশীকরণ প্রয়োগ

আমাদের সমাজ জিবনে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা, সর্ম্পক্যের মাঝে স্বদভাব রাখা প্রায় দুষ্কর। বিশেষ করে যদি দুজনের সর্ম্পক্যের মাঝে তৃতীয় পক্ষ্যের কেউ অনুপ্রবেশ করে। আমাদের সবার উচিৎ যদি কোন কারনে দুজনের সর্ম্পক্যের মাঝে চির ধরে তবে শুরুতেই নিজেদের ইগো, আত্ম অভিমান, অহম বোধ দূরে ঠেলে দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলা নতুবা এমন হতে পারে, সামান্য অভিমান থেকে দূরুত্ব তৈরির ফলে সারাটি জিবন সেই মানুষটির জন্য অশ্রু বির্সজন করতে হয়। তবে যদি সেই অনাকাঙ্খীত ভুলটি আমাদের দ্বারা হয়েই যায় এবং আলোচনার আর কোন সুযোগ না থাকে তবে অবশ্যই কোন ভালো তান্ত্রীকের স্বরনাপন্ন হয়ে তার অনুমতি সাপেক্ষ্যে নিম্নের তদবীর গুলো করলে আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে পুনরায় ফিরে পেতে পারবেন। যদি আপনাদের আশে পাশে এমন কোন তান্ত্রীক খুজে না পান তবে আমাদের সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।
সামগ্রী- মন্ত্রসিদ্ধ চৈতন্য সিয়ার সিঙ্গি, তৈলপ্রদীপ, আসল সিন্দুর, লোবান।
মালা- মুঁগার মালা।
দিন- শনিবার।
সময়- রাত্রি।
আসন- লাল রঙের আসন।
দিক- পশ্চিম।
জপ সংখ্যা- রোজ ২১০০ বার।
অবধি- সাত দিন।
মন্ত্র- “ওঁ হাং গং জুং সঃ (অমুক) মে বশ্য বশ্য স্বাহা”
প্রযোগ- এই প্রয়োগ সম্পর্ণ করার জন্য কোন শনিবার পশ্চিমদিকে মুখ করে লাল আসনে বসতে হবে। এবার মন্ত্রসিদ্ধ শিয়ালের চামড়া স্থাপন করে মুঁগার মালা দিয়ে রোজ ২১ মালা উপরোক্ত মন্ত্র সাতদিন জপ করতে হবে। এতে ঐ সিয়ার সিঙ্গি সিদ্ধ হয়ে যাবে। মন্ত্র উচ্চারনের সময় ‘অমুক’ শব্দটি উচ্চারন করতে হবেনা। মন্ত্রসিদ্ধ হবার পর যাকে বশ করার দরকার ‘অমুক’র স্থানে তার নাম বলতে হবে।
সিদ্ধ হবার পর উক্ত সিয়ার সিঙ্গিকে নিজের পকেটে রেখে যাকে বশ করা দরকার তার সামনে দাড়িয়ে কেবল সাত বার মনে মনে মন্ত্র উচ্চারন করলে সামনের ব্যক্তি পূর্ণরুপে বশীভূত হবে ও তার অনুকূল কার্য করবে।
যদি সাধক প্রয়োজন মনে করে তো এলাচ, লবঙ্গ, সুপারি ইত্যদির কোনো একটি বস্তুর উপর উক্ত অভিমন্ত্রিত সিয়ার সিঙ্গি রেখে সাত বার মন্ত্র জপ করে উক্ত বস্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে খাইয়ে দেয় তবে সে বশীভূত হয়।
সিয়ার সিঙ্গি জলে ডুবিয়ে রেখে ঐ জল যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে খাইয়ে দেয় তাহলে সে বশীভূত হয়। সর্ব বশীকরণের জন্য এটা একটা শক্তিশালী প্রয়োগ।

Enchantment (বশীকরণ)

Enchantment (বশীকরণ)

সর্বপ্রথম যেটি আমাদের সকলের জানা প্রয়োজন সেটি হচ্ছে বশীকরণ আসলে কি ? কেনই বা এই বশীকরণ আমাদের ব্যক্তি জীবনে বা সমাজ জীবনে প্রয়োজন পরে? আমরা হয়তো অনেকেই এই কথাটির সাথে পরিচিত, এক বাক্যে এটিও জানি কাউকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা বাধ্য করাকে বশীকরণ বলা হয়। সমাজে এই কথাটির উপর ভিত্তি করে এক শ্রেনীর অসাধু তান্ত্রিক আমাদের ভাবাবেগে আপ্লুত দুর্বল হৃদয়কে পুঞ্জি করে জঘন্য ব্যবসা করে যাচ্ছে, সর্বশান্ত করছে আমাদের অনেক কেই, ভেঙ্গে দিচ্ছে আমাদের বিশ্বাসের ঘর।
বশীকরণ- বশকরা, হিপনোটাইজ করা, বাধ্য করা, নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা, কাউকে নিজের প্রতি দুর্বল করাকেই বশীকরণ বলা হয়  এটি সত্য। তবে আমাদের বুঝতে হবে, আঠারো হাজার মাখলুকের মধ্যে আমরা শ্রেষ্টত্ব লাভ করেছি আমাদের একটি মন আছে বিবেগ আছে বুদ্ধি আছে সেই কারনেই। কোনো মানুষকে কোনো ভাবেই নিমিষেই নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য আমাদের সমাজে যে ঝার/ফুক, তাবিজ/কবজ, টোনা/টোটকা করা হয়ে থাকে তা দ্বারা সম্ভব নয়।
অনাদি কাল হতেই বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই কিছু প্রথা চলে আসছে জাদু, মন্ত্র, টোনা, টোটকা, তন্ত্র, তাবিজ, কবজ, পশ্চিমা দেশগুলোতে White magic, Black magic, witchcraft, যা বিভিন্ন শ্বশানে পূতেঁ দেওয়া, কবরে পূতেঁ দেওয়া, বড় গাছে টাঙ্গানো, নদীর পানিতে ভাষানো, চুলোর আগুনে জালানো, মাটি বা কাপড়ের পুতুল বানিয়ে তাতে কাঁটা বা সুচ বিদ্ধ করা, মেয়ে বা ছেলের মাথার চুল সংগ্রহ, মিন্সট্রিশনের সময় তার পরিধেয় কাপড় জোগার করে তাতে তাবিজ লিখা, পায়ের নিচের মাটি সংগ্রহ করার মত নানা রকম নিয়ম।
আমরা শিক্ষিত হয়েছি, কিন্তু সুশিক্ষিত হতে আজও পারলাম না, কারন আমরা আজও এই সকল পুরনো আমলের তথাকথিত তান্ত্রিকদের আচারে বিশ্বাস করে থাকি, যারা শতকরা ৯৫% ভুয়া ও ফেইক, কারন একটি সময় ছিলো যখন এ সকল কাজ হয়তো হয়েছিল,  কিন্তু বর্তমানে এ সবে কোনো কাজ বা তুক তাক হয় না সম্ভব’ই না। যারা এ সকল কাজ করে থাকে বিশেষ করে অন্যের দ্বারা করিয়ে থাকে তার ফল যে সম্পূর্ণই বিফল তা ১০০% সত্য।
কেনো বশীকরণের প্রয়োজন পরে- আসলে আমাদের স্বামী/স্ত্রীর সর্ম্পক্য, প্রেমীক প্রেমীকার সর্ম্পক্য, দুজন বন্ধুর সর্ম্পক্য, জগতে এ ধরনের যত একে অপরের সাথে  সুন্দর সুস্থ্য সর্ম্পক্য আছে তা যদি কোনো কারনে বিস্বাদে পরিনত হয়, ভেঙ্গে যায়, একে অপরের শত্রু হয়ে যায়, একজন অন্য জনার মুখ দেখতেও রুচি বোধ করে না, একজন অপর জনকে ধোকা দেয়, প্রতারনা করে তখন’ই আমাদের এক পক্ষের নিকট মনে হয় অপর জনকে বশীকরণ বা নিজের প্রতি আকৃষ্ট করতে। অনেক সময় এক তরফা ভালোবাসা দু তরফেই সৃষ্টি করার প্রয়োজনীয়তায় এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এবং এমন পরিস্থিতিতেই আমরা কেবল তান্ত্রিকদের দ্বারস্ত হয়ে থাকি।
দেখুন বর্তমানে পৃথিবীর সকল স্থানেই একটি বিজ্ঞান সম্মত উপায় রয়েছে একজন মানুষকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসার জন্য সেটি হচ্ছে হিপনোটাইজ। তান্ত্রিক ক্রিয়ায় যদি আপনি কাউকে বশীভুত করতে চান তবে অবশ্যই সেই ক্রিয়াটি আপনাকে নিজেকেই করতে হবে, তবে তা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ্য বিষয়, কোনো তান্ত্রিক, ওঝা, বা কামেল পীরও যদি বলে ৩ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা বা তিন দিনে একজন মানুষের বিরুপ মনকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করবে তবে সে একজন বড় মাপের জোচ্চর বই অন্য কিছু নয়। সাধারনত একজন মানুষকে বশে আনতে কয়েক মিনিট লাগে তবে সেটি দৃষ্টি বিনিময়ে, মনের আর্কষনে, একজন অপরজনকে পছন্দ করার কারনে, কারো কথায় বা আচরণে কনভেন্সের মাধ্যমে কিন্তু তথাকথিত জ্বিন চালান, বাটি চালান, আসন, ইত্যাদি ফেইক আইটেমে একজন তান্ত্রিক কখনই অন্য জনার মন কনভেন্স করে আপনার দিকে দিবে তা সম্ভব নয়।
আমরা প্রফেশনাল লাইফে দেখি অনেক সময় সাময়ীক দ্বন্দের কারনে দুজন মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির জন্য তারা দুরে সরে যায়, এতে একজন হয়তো কোনো পীর ফকির বা তান্ত্রিকের নিকট গিয়ে তাবিজ কবজ করে আসলো, একটি সময় বিপরীত লোকটি স্বাভাবিক ভাবেই তার ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসলো-বাস্ হয়ে গেলো সেই তান্ত্রিকের জয়ধ্বনী উচ্চারিত। আমরা কেনো বুঝিনা? এসব আপনার পার্টনারকে আপনার বিষয়টি বুঝিয়ে বলে দেখুন, তাকে কনভেন্স করার চেষ্টা করে দেখুন। যখন নেহায়েৎ’ই সে আপনার আয়ত্বে আসবে না তখন না হয় তান্ত্রিকের দ্বারস্ত হয়ে কিছু করার চেষ্টা করুন, কিন্তু মনে রাখবেন কোনো সৎগুরু বা তান্ত্রিক কখনই আপনাকে নির্দিষ্ট সময় দিবে না, সে তদবীর দিতে পারে, আপনাকে কাজ দিতে পারে, একটি সম্ভব্য সময় বেধে দিতে পারে এতোটুকুই। এর বেশি যিনি বলবে বিশেষ করে জীন চালান, ভুত চালান, আসন দেওয়া, কামরুপ কামাঙ্খার তাবিজ ইত্যাদি বাচাল কারি ১০০% ফেইক।
আমাদের নিকট আপনি যে ভাবে সেবা পাবেনঃ-
>> আমরা আপনাকে আপনার চাহিদানুসারে সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করবো, হিপনোটাইজ স্পেশালিষ্ট দ্বারা আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার মাধ্যমেই কনভেন্স করার চেষ্টা করবো, ত্রাটক সাধক দ্বারা তার মনের মাঝে সকল সময় আপনার চিন্তা উদয় হওয়ার আপনার ভাবাবেগে অবসন্ন হতে বাধ্য করবো। তার হৃদয়ে আপনার প্রতি আর্কষন বৃদ্ধি করার জন্য মেসমেরিজম থিউরি প্রয়োগ করবো। প্রয়োজনে আমাদের বিশিষ্ট তান্ত্রিকগনের দ্বারা তদবীর পরিচালনা করা হবে বা আপনাকেই তান্ত্রিকতার কাজ দিয়ে দেওয়া হবে যেনো খুব সহজেই আপনি আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার জীবনে ফিরে পেতে পারেন। আপনার সুখময় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।

Unravel the mystery of the soul আত্মার রহস্য উন্মোচন

 

আত্না কি?

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন জিনিস নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর মাঝে সবচাইতে বেশি আগ্রহের বিষয় বস্তু তার প্রান বা আত্না নিয়ে। অনলাইন মিডিয়ায় ও চলমান জিবনে প্রায়সই আমরা এই প্রশ্নের মুখো মুখি হই। বিভিন্ন ধর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতবাদ আমরা শুনে থাকি।যেখানে বাস্তবতা ঠিক তার উল্টটা। আজ আমরা এ বিষয়ে একজন মহান দেহতত্ববিদের উক্তি আপনাদের সামনে উপস্তাপন করবো। আমাদের পরম আক্ষাংকা ও জিজ্গাসার  বস্তু এই আত্না আসলে কি?
আত্না এক ধরনের আলোকিত পদার্থ। আমরা জানি, আলোর কোন ভর ও আয়োতন নেই। কিন্তু পদার্থ বিদ্যার সঙ্গানুসারে আত্নার জৎসামান্য ভর আছে। বিধায় আমরা আত্না পদার্থ হিসেবে আখ্যায়িত করেছি। আমরা এও জানি, আমাদের নস্বর দেহকে, এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থান্তরিত করার জন্য যে কোন ধরনের শক্তির প্রয়োজন। যেমনঃ শারীরিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তি প্রাকৃতিক শক্তি ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের আত্নাকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানত্তর হতে কোন শক্তির প্রয়োজন পড়ে না। সে নিমিসেই এক স্থান হতে অন্য স্থানে পরিভ্রমন করতে পারে। আত্না সয়ং এক প্রকার শক্তি। যার ধ্বংস্ব বা ক্ষয় নেই।সে এক রুপ হতে অন্য রুপে পরিবর্তীত হয়। সৃষ্টির অনাদিকাল হতে আত্নার সংখ্যাগত মান অভিন্ন রয়েছে।পৃথিবীতে প্রানী বা জিবের সংখ্যা আমাদের নিকট হয়তো মনে হচ্ছে প্রতিনিয়তই হ্রাস পাচ্ছে প্রকৃত পক্ষ্যে তা কিন্তু নয়। প্রান বা আত্না তার নস্বর দেহ পরিবর্তন করছে ঠিকই তবে, সংখ্যাগত মান ঠিকই অভিন্ন রয়েছে। আত্নার নিজস্ব কোন সৃতি ভান্ডার বা বল প্রয়োগের শক্তি নেই। বিধায়, সে যখন দেহ পরিবর্তন করে সে সময় এক প্রানীর সৃতি অন্য প্রানীতে বহন করতে পারে না। কিন্তু কখনো কখনো প্রকৃতির এই অমঘ নিয়ম ব্যতিক্রমি হতেও দেখা গেছে। বিশেষ করে, যে সকল প্রানী অপমৃত্যুর স্বিকার হয় তাদের বেলায় ভিন্নতা দেখা যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমাদের পরবর্তি ভিডিওতে করার প্রত্যাশ্যা রইলো।
Play this video

Tratok is the great option of success in life

“Tratok Is The Great Option Of Success In Life”

By standing At 20th   century science has invent a great and totally scientific method on tratok, jean and other miracles power for those people who belief on miracles with giving a excellent gladful l offer  that is also challenging till this time .Here we teach those person  who are mentally healed and curious  about any one out of  three term that’s are “trataka, pursuit off jean, pursuit of pori “  with a exclusive offer to pay the amount after finishing the full course and also after fulfill your satisfactions. great saints of whole world is our inspiration of this challenging post . we know that after publishing our this spiritual side on internet wall many fake ID , false page ,android apps , fake blog side cheating with many innocent people by giving them fake trust and they falling in the trap as a result they becoming proletariat .and those fake source are strongly  amplified around our trustful agency .
But if you will trust on us you have no chance to teach because of this exclusive offer off post payment .it means you will pay your course fee after completing the course and after showing you that result. And this is the world first challenging offer to you that are raising your hidden ghostlier power and increase you’re the weird power. We will fulfill your thirst of ghostlier term of this jean, pari and trataka world. We teach our learner very carefully and with promise to prepare himself for any kind of success
Heretofore we show that any power, pursuit , one’s self-improvement, better life self-respect, physical satisfaction, family problem solve, mental improvement, allure, destroy enemy, etc  and many other problem can be solve by this powerful miracle . No one can transfer this power to other, cannot give proxy of it there every men have to give his own pursuit. Many unconscious person thought or says sometime that jean is sale or flavored things but it is a great silliness the greatest hagiolatry says and some scientific documentaries shows that jean pari is actually like roaming thing around us in short it is nothing but like alience .That sometime telecasts in national geography channel  , and history TV channel. Without delay our incoming generation will develop so easy term of pursuit. We get to know from many other students of this stage the feelings, type, capacity, thoughts everything is different from one another. This spirit, courage and curiosity of whole world of those students are giving inspiration to publish our todays challenging post. We are trying to keep our apprentice free from all type of tolerance and helping to keep their mind fresh so that they can fully concentrate on any kind of pursuit. We hope that all curious person of our society won’t be cheated anyhow.

বিশ্বের সকল বাংলা ভাষা ভাষী ভাই বোনদের

অকুন্ঠ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জ্ঞ্যপন করছি।

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এখন একটি বিষয় খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আর তা হলো মেডিটেশন বা ধ্যান, আমাদের বাংলাদেশেও এমন বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে মেডিটেশন বা ধ্যান, যোগ ব্যায়াম শেখানো হয়ে থাকে। বর্তমানে মিডিয়ার যুগে আমরা যদি একটু খানি চোখ কান খোলা রাখি তবে প্রায়শই চোখে পরবে বিশেষ করে ডিস্কোভারী বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফী চ্যানেলেও কিছু কিছু দেশের ধ্যান সাধনা বা সে দেশে যে নামেই বলা হোক না কেন-তা এতোটাই উন্নতি সাধন করেছে যে মানুষের পক্ষে অসম্ভব বলে হয়তো পৃথিবীতে কিছু আর থাকবে না। আমাদের দেশের বেশকিছু মেডিটেশন গুরুজনেরা যে সকল ধ্যান যোগ প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন তা আমাদের জন্য যথেষ্ট। একজন মানুষের তার নিজের চলমান জীবন মান উন্নয়ন করতে যা যা প্রয়োজন, তা খুব ভালো ভাবেই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি বিষয়- আর তা হলো আমরা যতটুকু যানি বা যানছি তা কি যথেষ্ট ? বা এর বাইরে কি কিছু নেই ? আসলেই কিছু নেই, এই বাংলাদেশের মানুষের প্রবৃত্তি যে পর্যায়ের তাতে এর বাইরে আর কিছু থাকতেও নেই। আমি কোন লেখক নই বা সুন্দর করে লেখায় অভ্যস্ত নই, তারপরেও যা মনে আসছে লিখে যাচ্ছি, আসলে মেডিটেশন বা ধ্যান যাহাই বলেন না কেন এটার গভিরতা এতোটাই যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না, প্রাচিন গ্রন্ধগুলোতে কিছু কিছু উদ্ধৃতি পাওয়া যায় যেমন হিন্দু শাস্ত্রে আছে যখন কোন কারনে দেবাদি দেব মহাদেব মহেশ্বর কোন সমস্যার সম্মুক্ষিন হতেন তখন তিনি তপস্যায় বসতেন অর্থাৎ ধ্যানে বসতেন। এখানে তিনি যদি ভগবান হয়ে থাকেন তবে তিনি কার তপস্যা বা ধ্যান করেন ? আমাদের সকলের প্রিয় রাসুল হযরতে নূর আহম্মদে মুস্তফা মুহাম্মদে মুস্তফা (সাঃ) তেনার জীবনি থেকেও একি কথা শোনা যায় তিনি হেরা গুহার পর্বতে গিয়ে ধ্যান করছিলেন, তো তিনি যদি ধ্যান করে সত্যের সন্ধান পান তবে কেন তার উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য ধ্যান করা সুন্নত বা ফরজ করে গেলেন না সেটা আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক্যে বোধগম্য নয়। আবার প্রাচীন অহিংস ধর্ম বুদ্ধ ধর্মের মুলেই রয়েছে ধ্যান যোগ, স্বয়ং বুদ্ধ দির্ঘ্যকাল ধ্যান সাধনার দ্বারা অমৃত সত্যের সন্ধান লাভ করেন এভাবে আমরা পৃথিবীর যত মহামানবের ইতিহাস পাব সেখানে কোন না কোন ভাবে এই ধ্যান আছেই এবং তা সবকিছুর মুলেই গেথে রয়েছে। আসলে আমরা আজ বাংলাদেশীরা মেডিটেশন বলে যা শিখছি সেটা ধ্যান নয় এটাকে একটি ধ্যনের একটি কনা বলা যেতে পারে, তবে হ্যা এই ধ্যানের মাধ্যমে বাস্তবিকই একজন অতি সাধারন মানুষ অনেক উচু স্তরে পৌঁছে যেতে পারে।। আমাদের এই সাইডটি মুলত এই ধ্যান প্রশিক্ষণ বিষয়ের উপর, তবে আমরা এখানে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট স্বনামধন্য গুরুগণ দ্বারা Spiritual, psychical, ghostly, hypnotism, mesmerism, telepathy, imagination ইত্যাদি সেই সাথে এশিয়া, আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন ‍Super Power এর কম্বিনেশনে সৃষ্ট একক সাধনা বিধি কম্পোজিশন করেছি। আমরা এটার নাম রেখেছি ত্রাটক মহাবিদ্দ্যা বা ত্রাটক সাধনা।

এই ত্রাটকের রয়েছে দু-মুখি তলোয়ারের মতই কর্ম ক্ষমতা আর তাই যদি ত্রাটক শিক্ষণ এমন কোন ব্যক্তির হাতে গিয়ে পড়ে তবে হয় সে নিজে ধ্বংস হবে নতুবা সে সমাজ কে ধ্বংস করে ছেড়ে দিবে আর মূলত সেই কারনে বাংলাদেশের মেডিটেশনের শ্রদ্ধেয় গুরুজনেরা তাদের শিক্ষণে এমন একটি বাউন্ডারী প্রদান করে তালিম দিয়ে থাকেন যাতে করে সে শিষ্য কোনদিনও সেই বাউন্ডারী ভেদ করে বের হতে না পারে, এতে করে সবচাইতে বড় সুবিধা হলো সে যত খারাপ বা ভালো প্রকৃতির’ই হোক না কেন তাকে যেটা তালিম দেওয়া হয়েছে সে তার বাইরে শত চেষ্টাতেও যেতে পারবেনা। ফলে সে শুধু নিজের জন্য যতটুকু করার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়েছে ততটুকুই করতে পারবে। এটাই কি ভালো নয় ? অবশ্যই ভালো !!!

কিন্তু আমরা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগোতে কি কখনও পারবো? আমরা কি তাহলে মসজিদ মন্দিরে সেন্ডেল চুরির ভয়ে সেখানে যাওয়া বন্ধ করবো? নাকি স্যন্ডেল পায়ে দেওয়া’ই ছেড়ে দিবো? বলুন ?

ত্রাটক এমন এক সাধনা যা দ্বারা ব্যক্তি তার আত্ত্বশক্তিকে বিকাশিত করতে পারে, People may bring out his inner power to awaken her true ability. একজন মানুষ ত্রাটক শক্তি বিকাসিত করার ফলে তার জীবন যাত্রার মান যেমন পাল্টাতে পারে তেমনি তার অতিমানবীয় গুনাবলিও অর্জন করতে পারে, প্রতিটি মানুষের মাঝে আছে অবিনশ্বর অসীম ক্ষমতাধর আরও একটি মানুষ, যে নিজের সার্বিক সুরক্ষা সে নিজেই করতে পারে, নিজের বিচার, নিজের অর্জন নিজেই করতে পারে। যে স্রষ্টা বা প্রকৃতি এই অসামান্য জীব সৃষ্টি করেছে তাকে কল্পনা করার মত অচিন্তনীয় মেধা দিয়েছে সেই প্রকৃতি আরও কতই না ক্ষমতা তার ভিতর সাজিয়ে রেখেছে তা আমরা ততদিন না বুঝতে পারবো যতদিন এই পথে চলবো। আমরা আজ মোবাইল, রিমোট কন্ট্রোল, উড়জাহাজ, জল জাহাজ, বিদ্যুৎ, কতকিছুই না আবিষ্কার করেছি আর সেগুলো দেখে অবিভুত হয়ে যাচ্ছি কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছি কি, যে শক্তি আমাদের সৃষ্টি করেছে সেই মহামহিম স্রষ্টা আমাদের মাঝে কোন শক্তি প্রের্থিত করে পাঠিয়েছে? আমরা কি পারি না মোবাইল ছাড়া কারও সাথে কমিউনিকেশন করতে, রিমোট ছাড়া কোন ইলেক্ট্রিক যন্ত্র বা বস্তুর মুভমেন্ট করাতে, জাহাজ ছাড়া পানি বা বাতাসে ভাষতে, আগুনের মাঝে অবলিলায় ঢুকে যেতে, অন্ধকারের মাঝে কোন কিছু দেখতে ???

আসলেই কি সম্ভব নয় ? আসলেই কি আমরা পারিন না আমাদের সম্মুখ্যে আসা কোন শত্রুর মোকাবেলা করতে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করতে ? কেউ কি কখনও তা পারে নি ? নাকি আমরাই শুধু পারি না ? ? ?

ত্রাটক সাধনার শুরুতেই আমরা এমন কিছু করে দেখাব যা আপনি কখনও কল্পনাও করেন নি, কখনও ভাবেন ও নি। আমরা প্রত্যেকের মাঝেই লুকায়িত শক্তিকে, শুধু সাধনার মাধ্যমে খুজে আনবো। আপনারা অনেকেই লক্ষ করে থাকবেন আমাদের অবচেতন মন অনেক সময়’ই অনেক কিছু ব্যক্ত করে ফেলে যা আমরা কাকতালীয় ঘটনা ভেবে উড়িয়ে দেই কিন্তু আসলে কি তা কাকতালীয় ? যেমন অনেক সময় বাইরে থাকা কালিন মনে হয় আজ অফিসে বা বাসায় অমুক ব্যক্তি এসেছে বা অমুক কাজটি হয়ে গেছে-ঘটনার স্পটে গিয়ে দেখা গেল ঠিক’ই তাই। কিছু কিছু স্বপ্ন হুবহু প্রতিফলিত হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে প্রতিটি মানুষের দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড আগে সে বুঝতে পারে এবং কিছুটা সময়ও সে পায় সেটা থেকে বাচার, কিন্তু হতবিহ্বল ব্যক্তিরাই দুর্ঘটনার স্বিকার হয়।

আমরা জানবো কি ভাবে ঘটনা ঘটার আগেই তা জানতে হবে, কি ভাবে অন্যের অগচরে কোন প্রকার কমিউনিকেশন ছাড়াই কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা যাবে, কি ভাবে আমার ইচ্ছেমত আমি কারও মুভমেন্ট কন্ট্রোল করতে পারবো, কি ভাবে আমি কারও অজান্তেই তাকে বাধ্য করতে পারবো, কি ভাবে আমার সামনে আগত দুর্ঘটনার পূর্বেই আমি সর্তক্য হবো। এমনি শতশত বিষয় আমরা প্রশিক্ষণ দিব এবং আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব মানুষের মাঝে বিরাজমান আর একজন মানুষের সাথে। জিনি আপনার হয়ে আপনার সমস্ত কাজগুলো সুশৃঙ্খল ভাবে সমাপন করবে, আপনার অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে এক অনাবিল আনন্দময় জীবনে পরিনত করবে। আপনার হতাষাময় জীবনে বয়ে আনেবে সুখের হিমেল বাতাস। আপনি হবেন মানুষের মাঝে এক অনন্য মানুষ।। হয়তো মানুষ না হয়ে মহামানবে পরিনত হবেন।।>>

Continue reading “Tratok is the great option of success in life”